Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ
পকেটে ইয়াবা দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাসাঁনোর অভিযোগ

পুলিশ নিজেই পকেটে ইয়াবা দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাসাঁনোর অভিযোগ উঠেছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 03:06:50 pm, Wednesday, 17 January 2024
  • 385 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের শরণখোলায় মোঃ বিল্লাল শিকদার (২৭) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে
ইয়াবা দিয়ে ফাসাঁনোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইর বিরুদ্ধে।
পরিকল্পিতভাবে ইয়াবা দিয়ে ফাসিয়ে মামলা দায়ের পূর্বক কারাগারে প্রেরণ করা
হয়েছে দাবি এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীর পরিবারের। দ্রুততম সময়ে সঠিক
তদন্তপূর্বক মিথ্যা মামলা থেকে মোঃ বিল্লাল শিকদারকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি
জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কারাগারে থাকা মোঃ বিল্লাল শিকদার শরণখোলা উপজেলার রতিয়া রাজাপুর এলাকার ৬
নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাছ ব্যবসায়ী ইউনুস শিকদারের ছেলে।
শরণখোলা থানায় মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়,০৩ জানুয়ারি দুপুর দুইটা ৫
মিনিটের সময় রতিয়া রাজাপুর এলাকার সরকারী পুকুর পাড়ে পাকা রাস্তার উপর থেকে
বেকারি ব্যবসায়ী মোঃ মিজান হাওলাদার ও স্থানীয় মোঃ আলমগীর আকনের
উপস্থিতিতে মোঃ বিল্লাল শিকদারকে আটক করা হয়। তার প্যান্টের পকেট থেকে
সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার
অবৈধমূল্য ৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে ৪ জানুয়ারি বিল্লালকে আদালতের মাধ্যমে
কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনাস্থল ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা এজাহারের তথ্যের সাথে মিল পাওয়া যায় না।
স্থানীয়দের দাবি, মোঃ বিল্লাল শিকদার একজন নিরীহ মাছ ব্যবসায়ী। তিনি
মাদকের সাথে জড়িত নয়। একটি চক্র পুলিশকে ম্যানেজ করে তাকে মাদক দিয়ে
ফাসাঁনো হয়েছে।
রাস্তার পাশে দাড়িয়ে পুরো ঘটনা স্বচোক্ষে দেখা ষাটোর্ধ বৃদ্ধ আয়েশা বেগম
বলেন, দেখলাম দুইজন সাদা পোশাকের অপরিচিত লোক মোটরসাইকেল থেকে নামল।
একজন নিজের পকেট থেকে কি যেন পুকুরের মধ্যে ফেললেন। এরপরেই একটা চেন
(হাতকড়া) লাগিয়ে পোলাডারে (মোঃ বিল্লাল শিকদার) ধরে নিয়ে আসল, আর বলে
তুই গাজা পুকুরে ফেলালি কেন। আর পোলাডা বলতেছে, আমি কোন গাজা
ফেলিনি। পুলিশটা গালিগালাজ করে, বুট জুতা দিয়ে পোলাডার পায়ের উপর
আঘাত করতেছে এবং জোরে জোরে বলতেছে তুই ফেলাইছো, তোরে মাইরা ফেলাব।
একপর্যায়ে মারতে মারতে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে গেল। আমিতো নিজের
চোখে দেখেছি, পুলিশ নিজের পকেট থেকে কি যেন বের করে পুকুরের মধ্যে
ফেলেছে।সঠিক বিচার হওয়া দরকার।
এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষী বেকারি ব্যবসায়ী মোঃ মিজান হাওলাদার বলেন, মোঃ
বিল্লাল শিকদারকে কখন কিভাবে আটক করেছে তার কিছুই জানিনা। সিভিল
পোশাকে দুইজন পুলিশ এসে আমাকে ডেকে আমার নাম ঠিকানা লিখে একটাকাগজে সই নিয়েছে। বলে এখান থেকে মাদক ধরেছি, পকেট থেকে বের করেতিনপিস ট্যাবলেট দেখালো। পরে রাতে ফোন দিয়ে আমার মায়ের নাম নিয়েছে এবং বলেছেন আমাকে মাদক মামলায় সাক্ষী রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে তেমন কিছুইজানিনা।অপর সাক্ষী রতিয়া রাজাপুর এলাকার মোঃ আলমগীর আকন বলেন, পুলিশ হচ্ছে তার পকেট থেকে দুই পিস ট্যাবলেট বের করে আমাকে দেখাইছে এবং আমার নাম লিখেছে। মোবাইলে বিল্লালের ছবি দেখাইয়া বলেছে একে চেনেন নাকি, বলেছি
চিনি সেতো ভাল ছেলে। যদি বলত আমাকে সাক্ষী দেবে, তাহলে আমি নাম
ঠিকানাও দিতাম না। পরে ফোন করে আমাকে বলেছে সাক্ষী দিতে হবে। আসলে
বিল্লালকে ধরা ও মাদক উদ্ধারের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। এছাড়া বিল্লাল ভাল
ছেলে।
ধানসাগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম পিঞ্জু বলেন,
বিল্লালের বাবা সাগরে ব্যবসা করেন। শত্রু-মিত্র আছে, হয়ত তার ব্যবসা ধ্বংস করার
জন্য তাকে ফাসাঁনো হয়েছে।মোঃ বিল্লাল শিকদারের বাবা ইউনুস শিকদার বলেন, আমার ছেলে কোন মাদকের সাথে জড়িত না। যাদেরকে স্বাক্ষী মানা হয়েছে, তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না।পুলিশ পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে ফাসিয়েছেন। আমার ছেলের মুক্তি চাই।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে সঠিক তদন্ত করুক, ছেলে দোষী হলে তাকে আর
বাড়িতে আনব না। আর যদি সে অপরাধ না করে, তাহলে যারা তাকে ফাসিয়েছে
তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা
করেন তিনি।ধানসাগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজাপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন তালুকদার বলেন, বিল্লাল ভাল ছেলে, তার মধ্যে নেশার কোন
আচরণ দেখিনি। তাকে ফাসানো হয়েছে।সঠিক তদন্ত পূর্বক ষড়যন্ত্রকারীদের
বিচার দাবি করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।মামলার বাদী শরণখোলা থানার এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন মুঠোফোনেবলেন, আমি নিজে নেমে পুকুর থেকে ইয়াবা উঠিয়েছি। পরে থানায় এনে মামলা করি।মারধর করা হয়নি।ঘটনাস্থলে না থাকা ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করলেন কেন জানতে চাইলে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, আমি মামলার বাদী। বাকীটা মামলারতদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে রিপোর্ট দিবেন।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাসেলুর রহমান বলেন, আমরা এ ধরণের
কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনকরা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পকেটে ইয়াবা দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাসাঁনোর অভিযোগ

পুলিশ নিজেই পকেটে ইয়াবা দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাসাঁনোর অভিযোগ উঠেছে

আপডেট টাইম : 03:06:50 pm, Wednesday, 17 January 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের শরণখোলায় মোঃ বিল্লাল শিকদার (২৭) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে
ইয়াবা দিয়ে ফাসাঁনোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইর বিরুদ্ধে।
পরিকল্পিতভাবে ইয়াবা দিয়ে ফাসিয়ে মামলা দায়ের পূর্বক কারাগারে প্রেরণ করা
হয়েছে দাবি এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীর পরিবারের। দ্রুততম সময়ে সঠিক
তদন্তপূর্বক মিথ্যা মামলা থেকে মোঃ বিল্লাল শিকদারকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি
জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কারাগারে থাকা মোঃ বিল্লাল শিকদার শরণখোলা উপজেলার রতিয়া রাজাপুর এলাকার ৬
নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাছ ব্যবসায়ী ইউনুস শিকদারের ছেলে।
শরণখোলা থানায় মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়,০৩ জানুয়ারি দুপুর দুইটা ৫
মিনিটের সময় রতিয়া রাজাপুর এলাকার সরকারী পুকুর পাড়ে পাকা রাস্তার উপর থেকে
বেকারি ব্যবসায়ী মোঃ মিজান হাওলাদার ও স্থানীয় মোঃ আলমগীর আকনের
উপস্থিতিতে মোঃ বিল্লাল শিকদারকে আটক করা হয়। তার প্যান্টের পকেট থেকে
সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার
অবৈধমূল্য ৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে ৪ জানুয়ারি বিল্লালকে আদালতের মাধ্যমে
কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনাস্থল ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা এজাহারের তথ্যের সাথে মিল পাওয়া যায় না।
স্থানীয়দের দাবি, মোঃ বিল্লাল শিকদার একজন নিরীহ মাছ ব্যবসায়ী। তিনি
মাদকের সাথে জড়িত নয়। একটি চক্র পুলিশকে ম্যানেজ করে তাকে মাদক দিয়ে
ফাসাঁনো হয়েছে।
রাস্তার পাশে দাড়িয়ে পুরো ঘটনা স্বচোক্ষে দেখা ষাটোর্ধ বৃদ্ধ আয়েশা বেগম
বলেন, দেখলাম দুইজন সাদা পোশাকের অপরিচিত লোক মোটরসাইকেল থেকে নামল।
একজন নিজের পকেট থেকে কি যেন পুকুরের মধ্যে ফেললেন। এরপরেই একটা চেন
(হাতকড়া) লাগিয়ে পোলাডারে (মোঃ বিল্লাল শিকদার) ধরে নিয়ে আসল, আর বলে
তুই গাজা পুকুরে ফেলালি কেন। আর পোলাডা বলতেছে, আমি কোন গাজা
ফেলিনি। পুলিশটা গালিগালাজ করে, বুট জুতা দিয়ে পোলাডার পায়ের উপর
আঘাত করতেছে এবং জোরে জোরে বলতেছে তুই ফেলাইছো, তোরে মাইরা ফেলাব।
একপর্যায়ে মারতে মারতে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে গেল। আমিতো নিজের
চোখে দেখেছি, পুলিশ নিজের পকেট থেকে কি যেন বের করে পুকুরের মধ্যে
ফেলেছে।সঠিক বিচার হওয়া দরকার।
এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষী বেকারি ব্যবসায়ী মোঃ মিজান হাওলাদার বলেন, মোঃ
বিল্লাল শিকদারকে কখন কিভাবে আটক করেছে তার কিছুই জানিনা। সিভিল
পোশাকে দুইজন পুলিশ এসে আমাকে ডেকে আমার নাম ঠিকানা লিখে একটাকাগজে সই নিয়েছে। বলে এখান থেকে মাদক ধরেছি, পকেট থেকে বের করেতিনপিস ট্যাবলেট দেখালো। পরে রাতে ফোন দিয়ে আমার মায়ের নাম নিয়েছে এবং বলেছেন আমাকে মাদক মামলায় সাক্ষী রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে তেমন কিছুইজানিনা।অপর সাক্ষী রতিয়া রাজাপুর এলাকার মোঃ আলমগীর আকন বলেন, পুলিশ হচ্ছে তার পকেট থেকে দুই পিস ট্যাবলেট বের করে আমাকে দেখাইছে এবং আমার নাম লিখেছে। মোবাইলে বিল্লালের ছবি দেখাইয়া বলেছে একে চেনেন নাকি, বলেছি
চিনি সেতো ভাল ছেলে। যদি বলত আমাকে সাক্ষী দেবে, তাহলে আমি নাম
ঠিকানাও দিতাম না। পরে ফোন করে আমাকে বলেছে সাক্ষী দিতে হবে। আসলে
বিল্লালকে ধরা ও মাদক উদ্ধারের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। এছাড়া বিল্লাল ভাল
ছেলে।
ধানসাগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম পিঞ্জু বলেন,
বিল্লালের বাবা সাগরে ব্যবসা করেন। শত্রু-মিত্র আছে, হয়ত তার ব্যবসা ধ্বংস করার
জন্য তাকে ফাসাঁনো হয়েছে।মোঃ বিল্লাল শিকদারের বাবা ইউনুস শিকদার বলেন, আমার ছেলে কোন মাদকের সাথে জড়িত না। যাদেরকে স্বাক্ষী মানা হয়েছে, তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না।পুলিশ পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে ফাসিয়েছেন। আমার ছেলের মুক্তি চাই।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে সঠিক তদন্ত করুক, ছেলে দোষী হলে তাকে আর
বাড়িতে আনব না। আর যদি সে অপরাধ না করে, তাহলে যারা তাকে ফাসিয়েছে
তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা
করেন তিনি।ধানসাগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজাপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন তালুকদার বলেন, বিল্লাল ভাল ছেলে, তার মধ্যে নেশার কোন
আচরণ দেখিনি। তাকে ফাসানো হয়েছে।সঠিক তদন্ত পূর্বক ষড়যন্ত্রকারীদের
বিচার দাবি করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।মামলার বাদী শরণখোলা থানার এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন মুঠোফোনেবলেন, আমি নিজে নেমে পুকুর থেকে ইয়াবা উঠিয়েছি। পরে থানায় এনে মামলা করি।মারধর করা হয়নি।ঘটনাস্থলে না থাকা ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করলেন কেন জানতে চাইলে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, আমি মামলার বাদী। বাকীটা মামলারতদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে রিপোর্ট দিবেন।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাসেলুর রহমান বলেন, আমরা এ ধরণের
কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনকরা হবে।