Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

নন্দীগ্রামে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে নাড়ু-মুড়কি তৈরিতে ব্যস্ত সনাতনী গৃহবধূরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 03:57:42 pm, Friday, 26 September 2025
  • 147 বার

 

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

শরৎকালের শুভ্রতা মনে করে দেয় বিপদনাশিনী দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। আর কয়েকপ্রহর পরেই শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজা উপলক্ষ্যে বাড়িতে বাড়িতে নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতনী গৃহবধূরা। নিজেদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এ ছাড়াও রঙ তুলির নিপুণ আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সুন্দর করে তুলছেন শিল্পীরা। নানা রঙে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজছে মন্ডপগুলো। মন্ডপে মন্ডপে এখন চলছে উৎসবের জোর প্রস্তুতি।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠীপূজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুর্গা দেবীর বিসর্জনের মধ্যদিয়ে এ উৎসব শেষ হবে।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুকুমার চন্দ্র সরকার বলেন, এবার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ার গৃহবধূ রুম্পা রানী দাস বলেন, দুর্গাপূজা আমাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ঘিরে প্রতিটি পরিবারে বিভিন্ন ধরনের নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরি করা হয়। আমাদের সমাজে এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমি প্রতিবেশীদের নিয়ে নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরির কাজ শেষ করলাম। আমি তিলের নাড়ু, দুুই ধরনের নারিকেলের নাড়ু, গঙ্গাজলী নাড়ু, মুড়ির মোয়া, চিড়ার মোয়া, চানাচুরের মোয়া, দুধের নাড়ু ও মুড়কি তৈরি করেছি।প্রতিমা তৈরির কারিগর মনোরঞ্জণ মালাকার বলেন, আমি এই বছর ৬টি দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরি করেছি। এখন রঙের কাজ চলছে। প্রতিমা তৈরিতে যে জিনিসপত্র লাগে তার দাম বেশি। তাই খুব বেশি লাভ হয় না।নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফাইম উদ্দিন বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ডপের গুরুত্ব বুঝে পুরুষ ও মহিলা পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি মণ্ডপে থাকবে। এ ছাড়া তিন থেকে আটজন করে আনসার সদস্য প্রতিটি মণ্ডপে মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে পুলিশ সদস্যরা টহলে থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নন্দীগ্রামে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে নাড়ু-মুড়কি তৈরিতে ব্যস্ত সনাতনী গৃহবধূরা

আপডেট টাইম : 03:57:42 pm, Friday, 26 September 2025

 

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

শরৎকালের শুভ্রতা মনে করে দেয় বিপদনাশিনী দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। আর কয়েকপ্রহর পরেই শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজা উপলক্ষ্যে বাড়িতে বাড়িতে নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতনী গৃহবধূরা। নিজেদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এ ছাড়াও রঙ তুলির নিপুণ আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সুন্দর করে তুলছেন শিল্পীরা। নানা রঙে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজছে মন্ডপগুলো। মন্ডপে মন্ডপে এখন চলছে উৎসবের জোর প্রস্তুতি।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠীপূজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুর্গা দেবীর বিসর্জনের মধ্যদিয়ে এ উৎসব শেষ হবে।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুকুমার চন্দ্র সরকার বলেন, এবার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৭টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।নন্দীগ্রাম কলেজপাড়ার গৃহবধূ রুম্পা রানী দাস বলেন, দুর্গাপূজা আমাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ঘিরে প্রতিটি পরিবারে বিভিন্ন ধরনের নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরি করা হয়। আমাদের সমাজে এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমি প্রতিবেশীদের নিয়ে নাড়ু, মোয়া ও মুড়কি তৈরির কাজ শেষ করলাম। আমি তিলের নাড়ু, দুুই ধরনের নারিকেলের নাড়ু, গঙ্গাজলী নাড়ু, মুড়ির মোয়া, চিড়ার মোয়া, চানাচুরের মোয়া, দুধের নাড়ু ও মুড়কি তৈরি করেছি।প্রতিমা তৈরির কারিগর মনোরঞ্জণ মালাকার বলেন, আমি এই বছর ৬টি দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরি করেছি। এখন রঙের কাজ চলছে। প্রতিমা তৈরিতে যে জিনিসপত্র লাগে তার দাম বেশি। তাই খুব বেশি লাভ হয় না।নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফাইম উদ্দিন বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ডপের গুরুত্ব বুঝে পুরুষ ও মহিলা পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি মণ্ডপে থাকবে। এ ছাড়া তিন থেকে আটজন করে আনসার সদস্য প্রতিটি মণ্ডপে মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে পুলিশ সদস্যরা টহলে থাকবে।