Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান সহ  ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 04:15:13 pm, Thursday, 6 November 2025
  • 1643 বার
বাগেরহাট প্রতিনিধি,
বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট এর চেয়ারম্যান  আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মো. আনিসুর রহমান (৬২), সালেহা বেগম ও জেসমিন নাহার। এর মধ্যে জেসমিন নাহার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান তালুকদারের স্ত্রী।তদন্তে জানা যায়, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ হাজার ৯৬৭ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রায় ২৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এই অর্থের একটি বড় অংশ মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।সিআইডি জানায়, বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় জমি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মান্নান তালুকদার। ২০১০ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি “মানুষ মানুষের জন্য” স্লোগান নিয়ে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হলেও ব্যবসার কার্যক্রম ছিল কয়েকজন ব্যক্তিকেন্দ্রিক।প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ‘সুদমুক্ত ও হালাল ব্যবসায় লাভের নিশ্চয়তা’ দিয়ে প্রচারণা চালায়। বলা হয়, ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বিনিয়োগ করা অর্থ দ্বিগুণ হবে।কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ না করে সরাসরি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করে। তদন্তে দেখা গেছে, আব্দুল মান্নান তালুকদার সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৬৬ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা নিজের মালিকানাধীন সাবিল গ্রুপের ছয়টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন।
এসব সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো—এ্যাজাক্স জুট মিলস লিমিটেড, সাবিল ড্রেজিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (বাগেরহাট), সাবিল জেনারেল হাসপাতাল (পিরোজপুর), সাবিল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (বাগেরহাট), সাবিল ল প্লাজা ও সাবিল মৎস্য প্রকল্প (বাগেরহাট)।
বাকি অর্থ বিভিন্ন নামে-বেনামে অন্য প্রতিষ্ঠানেও স্থানান্তর করা হয়।প্রতারণার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়ায় সিআইডি বাদী হয়ে আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান সহ  ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

আপডেট টাইম : 04:15:13 pm, Thursday, 6 November 2025
বাগেরহাট প্রতিনিধি,
বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট এর চেয়ারম্যান  আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মো. আনিসুর রহমান (৬২), সালেহা বেগম ও জেসমিন নাহার। এর মধ্যে জেসমিন নাহার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান তালুকদারের স্ত্রী।তদন্তে জানা যায়, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ হাজার ৯৬৭ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রায় ২৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এই অর্থের একটি বড় অংশ মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।সিআইডি জানায়, বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় জমি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মান্নান তালুকদার। ২০১০ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি “মানুষ মানুষের জন্য” স্লোগান নিয়ে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হলেও ব্যবসার কার্যক্রম ছিল কয়েকজন ব্যক্তিকেন্দ্রিক।প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ‘সুদমুক্ত ও হালাল ব্যবসায় লাভের নিশ্চয়তা’ দিয়ে প্রচারণা চালায়। বলা হয়, ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বিনিয়োগ করা অর্থ দ্বিগুণ হবে।কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ না করে সরাসরি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করে। তদন্তে দেখা গেছে, আব্দুল মান্নান তালুকদার সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৬৬ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা নিজের মালিকানাধীন সাবিল গ্রুপের ছয়টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন।
এসব সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো—এ্যাজাক্স জুট মিলস লিমিটেড, সাবিল ড্রেজিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (বাগেরহাট), সাবিল জেনারেল হাসপাতাল (পিরোজপুর), সাবিল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (বাগেরহাট), সাবিল ল প্লাজা ও সাবিল মৎস্য প্রকল্প (বাগেরহাট)।
বাকি অর্থ বিভিন্ন নামে-বেনামে অন্য প্রতিষ্ঠানেও স্থানান্তর করা হয়।প্রতারণার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়ায় সিআইডি বাদী হয়ে আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে।