Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:23:53 pm, Saturday, 8 November 2025
  • 119 বার
 নাজমুল হুদা, বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রতিদিন রোদ-বৃষ্টিতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে দেশের বিভিন্নস্থানে যাওয়ার জন্য শতশত যাত্রী বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ যাত্রী বগুড়া ও রাজশাহীগামী। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে তারা। অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে ভিজে কিংবা প্রখর রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাদের। এ অবস্থায় অনেক যাত্রী আশ্রয়ের খোঁজে পাশের দোকানের সামনে দাঁড়িয় থাকতে দেখা যায়। এতে দোকান মালিকরা বিরক্তবোধ করায় যাত্রীদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। গন্তব্যের বাস এলেই তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে বাসে ওঠে।ভুক্তভোগী যাত্রীদের দাবি, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে জরুরী ভিত্তিতে একটি স্থায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা প্রয়োজন। যাত্রী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে প্রতিদিন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। একটা যাত্রীছাউনি থাকলে অন্তত একটু স্বস্তি পেতাম। কলেজছাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, কলেজে যেতে প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতে হয়। প্রখর রোদ বা হঠাৎ বৃষ্টি হলে আমরা বিপদে পড়ি। কোনো দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে দোকানদাররা অস্বস্তিবোধ করেন। তাই দ্রুত নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা প্রয়োজন। অটোরিকশা চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির সময় যাত্রীদের খুব কষ্ট হয়। দোকানের সামনে দাঁড়াতে গেলে দোকানদাররা সরে যেতে বলে। গাড়ি এলেই দৌড়ে বৃষ্টিতে ভিজে গাড়িতে উঠতে হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমার জানা আছে। অতি শীঘ্রই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

আপডেট টাইম : 05:23:53 pm, Saturday, 8 November 2025
 নাজমুল হুদা, বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রতিদিন রোদ-বৃষ্টিতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে দেশের বিভিন্নস্থানে যাওয়ার জন্য শতশত যাত্রী বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ যাত্রী বগুড়া ও রাজশাহীগামী। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে তারা। অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে ভিজে কিংবা প্রখর রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাদের। এ অবস্থায় অনেক যাত্রী আশ্রয়ের খোঁজে পাশের দোকানের সামনে দাঁড়িয় থাকতে দেখা যায়। এতে দোকান মালিকরা বিরক্তবোধ করায় যাত্রীদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। গন্তব্যের বাস এলেই তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে বাসে ওঠে।ভুক্তভোগী যাত্রীদের দাবি, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে জরুরী ভিত্তিতে একটি স্থায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা প্রয়োজন। যাত্রী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে প্রতিদিন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। একটা যাত্রীছাউনি থাকলে অন্তত একটু স্বস্তি পেতাম। কলেজছাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, কলেজে যেতে প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতে হয়। প্রখর রোদ বা হঠাৎ বৃষ্টি হলে আমরা বিপদে পড়ি। কোনো দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে দোকানদাররা অস্বস্তিবোধ করেন। তাই দ্রুত নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা প্রয়োজন। অটোরিকশা চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির সময় যাত্রীদের খুব কষ্ট হয়। দোকানের সামনে দাঁড়াতে গেলে দোকানদাররা সরে যেতে বলে। গাড়ি এলেই দৌড়ে বৃষ্টিতে ভিজে গাড়িতে উঠতে হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমার জানা আছে। অতি শীঘ্রই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হবে।