Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

শাহজালালের আয় কমেছে ২৬৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 12:19:54 pm, Friday, 28 August 2020
  • 563 বার

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আয় কমেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের।

যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ ও ফ্লাইট সংখ্যা আগের চেয়ে কমে যাওয়ায় এ আয় কমেছে।

আয় কমায় প্রভাব পড়েছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ওপর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার কারণে পরবর্তী ছয় মাসেও (জুলাই-ডিসেম্বর) আয় তেমন একটা বাড়বে না। করোনার প্রভাব পড়বে মূলত পুরো বছরের আয়ে। তাই আয় বাড়াতে বেবিচক বিমানবন্দর ব্যবহারে যাত্রীদের ওপর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা ফি আরোপ করেছে। ফলে কিছুটা হলেও আয় বাড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য মতে, বিমানবন্দরের ভেতরের টার্মিনাল ব্যবহারের ফি, ব্যাগেজ বেল্টের ফি, কার পার্কিং, বিমানবন্দরের ভেতরের দোকান ও রেস্টুরেন্টের ভাড়া, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের বোর্ডসহ আরও কয়েকটি খাত থেকে আয় আসে।

পৃথিবীর সব দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরই এসব খাত থেকে মোটা অংকের অর্থ আয় করে। দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও এসব খাত থেকে আয় করে।

শাহজালাল বিমানবন্দরের তথ্য মতে, ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসে বিমানবন্দর থেকে আয় হয়েছিল ৭৩২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ২০২০ সালের একই সময়ে আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ কোটি ১০ লাখ টাকায়। ফলে গতবছরের চেয়ে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আয় কমেছে ২৬৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল-আহসান বাংলানিউজকে বলেন, করোনার ধাক্কা সব সেক্টরেই লেগেছে। বিমানবন্দরও তার বাইরে নয়। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দীর্ঘদিন বিমানবন্দরে প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট বন্ধ ও ফ্লাইট ওঠা-নামা আগের চেয়ে কমে যাওয়ায় আয় কমে গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শাহজালালের আয় কমেছে ২৬৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : 12:19:54 pm, Friday, 28 August 2020

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আয় কমেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের।

যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ ও ফ্লাইট সংখ্যা আগের চেয়ে কমে যাওয়ায় এ আয় কমেছে।

আয় কমায় প্রভাব পড়েছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ওপর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার কারণে পরবর্তী ছয় মাসেও (জুলাই-ডিসেম্বর) আয় তেমন একটা বাড়বে না। করোনার প্রভাব পড়বে মূলত পুরো বছরের আয়ে। তাই আয় বাড়াতে বেবিচক বিমানবন্দর ব্যবহারে যাত্রীদের ওপর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা ফি আরোপ করেছে। ফলে কিছুটা হলেও আয় বাড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য মতে, বিমানবন্দরের ভেতরের টার্মিনাল ব্যবহারের ফি, ব্যাগেজ বেল্টের ফি, কার পার্কিং, বিমানবন্দরের ভেতরের দোকান ও রেস্টুরেন্টের ভাড়া, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের বোর্ডসহ আরও কয়েকটি খাত থেকে আয় আসে।

পৃথিবীর সব দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরই এসব খাত থেকে মোটা অংকের অর্থ আয় করে। দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও এসব খাত থেকে আয় করে।

শাহজালাল বিমানবন্দরের তথ্য মতে, ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসে বিমানবন্দর থেকে আয় হয়েছিল ৭৩২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ২০২০ সালের একই সময়ে আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ কোটি ১০ লাখ টাকায়। ফলে গতবছরের চেয়ে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আয় কমেছে ২৬৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল-আহসান বাংলানিউজকে বলেন, করোনার ধাক্কা সব সেক্টরেই লেগেছে। বিমানবন্দরও তার বাইরে নয়। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দীর্ঘদিন বিমানবন্দরে প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট বন্ধ ও ফ্লাইট ওঠা-নামা আগের চেয়ে কমে যাওয়ায় আয় কমে গেছে।