Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

চরম বিশৃঙ্খলা’র মধ্যে ১৩ হাজার শিশু শিক্ষার্থী পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষকদের পরীক্ষা বর্জন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 02:53:05 pm, Tuesday, 2 December 2025
  • 120 বার

oplus_2

চিতলমারী প্রতিনিধি
চরম বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ১৩ হাজার
শিশু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা
থেকে দুপুর সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক, অফিস সহায়ক ও অভিভাবকরা
এ পরীক্ষা গ্রহণ করেন। এদিন প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ইংরেজী
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার পশ্ন পত্র না বুঝতে পেরে
বিড়ম্বনায় পড়েন। উপজেলার ১১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৮৫ জন
সহকারি শিক্ষক তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন (বার্ষিক) পরীক্ষায় না নিয়ে ৩ দফা
দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে কর্মবিরতি করার জন্য বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনার সৃষ্টি হয়। এ
ঘটনায় পরীক্ষার অভিভাবক মহল চরম ভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
চিতলমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস জানান, এ
উপজেলায় ১১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৮৫ জন সহকারি শিক্ষক রয়েছেন।
এখানে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত কমপক্ষে ১৩ হাজার শিক্ষার্থী
রয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়। গতকাল
শিক্ষকদের পরীক্ষা বর্জনের পত্রটি পেয়ে প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়কদের পরীক্ষা
গ্রহণ করতে বলা হয়। তারা যথা নিয়মে পরীক্ষা গ্রহন করছেন।
বাংলাদেশ সহকারি শিক্ষক সমিতি চিতলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি কাজী
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘শাহাবাগের কর্মসূচিতে পুলিশের বর্বরোচিত নির্মম
জল কামান ও সাউন্ড গ্রেনেডের হামলায় শতাধিক শিক্ষক আহত এবং ফাতেমা নামে
একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। তিন দফা আমাদের প্রাণের দাবী। সহকারি শিক্ষকরা
কর্মবিরতি করছেন। দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না।’
শিক্ষার্থী অভিভাবক লিজা বেগম ও নুরুল ইসলাম বলেন, ‘সহকারি শিক্ষকদের এ
সিদ্ধান্তে চরম বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা পরীক্ষার পরে এ সিদ্ধান্তে
যেতে পারতেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

চরম বিশৃঙ্খলা’র মধ্যে ১৩ হাজার শিশু শিক্ষার্থী পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষকদের পরীক্ষা বর্জন

আপডেট টাইম : 02:53:05 pm, Tuesday, 2 December 2025

চিতলমারী প্রতিনিধি
চরম বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ১৩ হাজার
শিশু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা
থেকে দুপুর সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক, অফিস সহায়ক ও অভিভাবকরা
এ পরীক্ষা গ্রহণ করেন। এদিন প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ইংরেজী
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার পশ্ন পত্র না বুঝতে পেরে
বিড়ম্বনায় পড়েন। উপজেলার ১১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৮৫ জন
সহকারি শিক্ষক তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন (বার্ষিক) পরীক্ষায় না নিয়ে ৩ দফা
দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে কর্মবিরতি করার জন্য বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনার সৃষ্টি হয়। এ
ঘটনায় পরীক্ষার অভিভাবক মহল চরম ভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
চিতলমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস জানান, এ
উপজেলায় ১১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৮৫ জন সহকারি শিক্ষক রয়েছেন।
এখানে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত কমপক্ষে ১৩ হাজার শিক্ষার্থী
রয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়। গতকাল
শিক্ষকদের পরীক্ষা বর্জনের পত্রটি পেয়ে প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়কদের পরীক্ষা
গ্রহণ করতে বলা হয়। তারা যথা নিয়মে পরীক্ষা গ্রহন করছেন।
বাংলাদেশ সহকারি শিক্ষক সমিতি চিতলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি কাজী
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘শাহাবাগের কর্মসূচিতে পুলিশের বর্বরোচিত নির্মম
জল কামান ও সাউন্ড গ্রেনেডের হামলায় শতাধিক শিক্ষক আহত এবং ফাতেমা নামে
একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। তিন দফা আমাদের প্রাণের দাবী। সহকারি শিক্ষকরা
কর্মবিরতি করছেন। দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না।’
শিক্ষার্থী অভিভাবক লিজা বেগম ও নুরুল ইসলাম বলেন, ‘সহকারি শিক্ষকদের এ
সিদ্ধান্তে চরম বিশৃঙ্খলা ও অবস্থাপনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা পরীক্ষার পরে এ সিদ্ধান্তে
যেতে পারতেন।