বাগেরহাট প্রতিনিধি:
বাগেরহাটে মৎস্যজাত বর্জ্যের পুনঃব্যবহার ও এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড অ্যাকুয়াটিক এনভায়রনমেন্ট বিভাগ, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মসিউল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড অ্যাকুয়াটিক এনভায়রনমেন্ট বিভাগের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. এস এম ইসলাম রফিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন উক্ত প্রকল্পের সহযোগী গবেষক মো: মেহেদী হাসান।এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস, বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাবৃন্দ, চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম, ড: মো: আরিফুল ইসলাম, সোয়েবুল ইসলাম সপ্নিল, সহকারী অধ্যাপক শেরেবাংলা কৃষি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কৌশিক চক্রবর্তী এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপস্থিত ছিলেন মো: আমিনুর রহমান।প্রশিক্ষণে বাগেরহাট যুব একতা সংস্থার সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা হাওলাদার, সাধারন সম্পাদক রুবেল হাওলাদারসহ বাগেরহাট বাজারে মাছ কাটার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রায় অর্ধশতাধিক অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করেন।কর্মশালায় বাজার থেকে সংগৃহীত মৎস্যজাত বর্জ্যকে কীভাবে সম্পদে রূপান্তর করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি মাছের আঁশ ও নারীবুড়ি (ভিসেরা) ব্যবহার করে বিভিন্ন উপযোগী পণ্য তৈরির কৌশল সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।বক্তারা বলেন, মৎস্যজাত বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পুনঃব্যবহার পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।প্রশিক্ষণ শুরুর পূর্বে শরিফ ওসমান হাদীকে স্মরণ করে এক মিনিট নীরবতা, কালোব্যাজ ধারণ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















