Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

মোংলা বন্দরের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় শ্রমিকদের মজুরি ২৬% বৃদ্ধি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 09:32:42 pm, Wednesday, 14 January 2026
  • 71 বার

মোংলা প্রতিনিধি,

মোংলা বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ননিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মোংলা বন্দরের কর্মরত শ্রমিকরা তাদের শ্রমিক কর্মচারী সংঘ (রেজি. নং খুলনা-২১৪৩)-এর মাধ্যমে কর্মঘণ্টা, মজুরি বৃদ্ধি, ভাতা, শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের সুবিধা, বীমা, চিকিৎসা সুবিধাসহ মোট ১৮টি যৌক্তিক দাবি উপস্থাপন করেন।উক্ত দাবিসমূহ মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (মালিক পক্ষ) এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। গঠনমূলক আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন দাবিসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।সভায় মালিক পক্ষ ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উত্থাপিত ১৮ দফা দাবি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে সকল দাবির নিষ্পত্তি করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান দাবি ছিল শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি। এ প্রেক্ষিতে মালিক পক্ষ কর্তৃক শ্রমিকদের বিদ্যমান প্রথানুসারে স্বাভাবিক ০৮ (আট) ঘণ্টা কর্মঘণ্টার মজুরির উপর ২৬ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এছাড়াও, কর্মরত শ্রমিকদের বাসস্থান থেকে কর্মস্থলে যাতায়াত সংক্রান্ত বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় আনা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বসবাসরত শ্রমিকদের কর্মস্থলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিয়ারা লঞ্চঘাট থেকে ডিউটি পালনের জন্য নির্ধারিত সময়ের পূর্বে যাত্রা শুরু এবং ডিউটি শেষে নিরাপদে বাসস্থানে ফেরত পৌঁছানো পর্যন্ত সময়কে কর্মঘণ্টার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে ডিউটি শেষে মালিক পক্ষ কর্তৃক শ্রমিকদের দ্রুত ও নিরাপদে কিয়ারা পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারণ করা হয়।অবশিষ্ট অন্যান্য ১৬টি দাবি পারস্পরিক সমঝোতা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে নিষ্পত্তি করা হয়। সভায় মালিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সেক্রেটারি মোঃ জুলফিকার আলী এবং শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি মোঃ আলাউদ্দিন, আলী হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও সভায় উপস্থিত ছিলেন।সবশেষে, মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন এবং শ্রমিক পক্ষের নেতৃবৃন্দ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন ও কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

মোংলা বন্দরের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় শ্রমিকদের মজুরি ২৬% বৃদ্ধি

আপডেট টাইম : 09:32:42 pm, Wednesday, 14 January 2026

মোংলা প্রতিনিধি,

মোংলা বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ননিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মোংলা বন্দরের কর্মরত শ্রমিকরা তাদের শ্রমিক কর্মচারী সংঘ (রেজি. নং খুলনা-২১৪৩)-এর মাধ্যমে কর্মঘণ্টা, মজুরি বৃদ্ধি, ভাতা, শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের সুবিধা, বীমা, চিকিৎসা সুবিধাসহ মোট ১৮টি যৌক্তিক দাবি উপস্থাপন করেন।উক্ত দাবিসমূহ মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (মালিক পক্ষ) এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। গঠনমূলক আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন দাবিসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।সভায় মালিক পক্ষ ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উত্থাপিত ১৮ দফা দাবি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে সকল দাবির নিষ্পত্তি করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান দাবি ছিল শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি। এ প্রেক্ষিতে মালিক পক্ষ কর্তৃক শ্রমিকদের বিদ্যমান প্রথানুসারে স্বাভাবিক ০৮ (আট) ঘণ্টা কর্মঘণ্টার মজুরির উপর ২৬ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এছাড়াও, কর্মরত শ্রমিকদের বাসস্থান থেকে কর্মস্থলে যাতায়াত সংক্রান্ত বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় আনা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বসবাসরত শ্রমিকদের কর্মস্থলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিয়ারা লঞ্চঘাট থেকে ডিউটি পালনের জন্য নির্ধারিত সময়ের পূর্বে যাত্রা শুরু এবং ডিউটি শেষে নিরাপদে বাসস্থানে ফেরত পৌঁছানো পর্যন্ত সময়কে কর্মঘণ্টার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে ডিউটি শেষে মালিক পক্ষ কর্তৃক শ্রমিকদের দ্রুত ও নিরাপদে কিয়ারা পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারণ করা হয়।অবশিষ্ট অন্যান্য ১৬টি দাবি পারস্পরিক সমঝোতা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে নিষ্পত্তি করা হয়। সভায় মালিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সেক্রেটারি মোঃ জুলফিকার আলী এবং শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি মোঃ আলাউদ্দিন, আলী হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও সভায় উপস্থিত ছিলেন।সবশেষে, মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন এবং শ্রমিক পক্ষের নেতৃবৃন্দ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন ও কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।