Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযানে সত্যতা, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চিকিৎসা-প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 02:12:54 pm, Tuesday, 5 May 2026
  • 369 বার

বাগেরহাট  প্রতিনিধি

বাগেরহাটের  শরণখোলা উপজেলায় এক ভুয়া এমবিবিএস  চিকিৎসকের দৌরাত্ম্যকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মাহামুদুল হাসান নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয়ভাবে  তিনি  কথিত রাজনৈতিক  প্রভাব ব্যবহার করে কার্যক্রম  চালিয়ে যাচ্ছেন  বলেও  অভিযোগ  রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—তার বিরুদ্ধে অভিযোগ  সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর  মব তৈরি করে চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও ঘটেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্বে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে আবারও রোগী দেখা শুরু করেন মাহামুদুল হাসান। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি  ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান  পরিচয়ে  চিকিৎসা  দিচ্ছেন,  যা   বৈধতা  নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।গত সোমবার (৪ মে) বিকেলে সাংবাদিকরা তার বক্তব্য নিতে গেলে ক্যামেরায় কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। পরে সাংবাদিকরা বের হওয়ার সময় স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সেচ্ছাসেবক  দলের সাবেক আহবায়ক পরিচয়দানকারী ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিভ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, ধানসাগর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টটিভ সুমন সরদার ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোল্লা  ইসহাক আলীর ছেলে আলীম আল রাজী মুক্তি   কিছু নেতা কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের হেনস্তা করার চেষ্টা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, তারা সংঘবদ্ধভাবে সাংবাদিকদের হেনস্তা করার চেষ্টা করে যা সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।এদিকে  বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডাঃ আ. স. ম. মো. মাহবুবুল আলম গত ১ মার্চ পরিচালক ( হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমুহ ) স্বাস্থ্য অধিদপ্ত মহাখালী বরাবর লিখিত ভাবে     জানতে চান মাহামুদুল হাসান নামক  এক ব্যক্তি ইন্ট্রিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান পদবী এক ব্যাক্তি এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা পরামর্শ এবং ব্যাবস্থাপত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষার পরামর্শ প্রদান করতে পাবে কিনা সে বিষয়ে মতামত প্রদান সহ তিনি কোন ধরনের চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন এবিষয় একটি গাইডলাইন সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন ।  একই সাথে তিনি মাহামুদ হাসানকে গাইড লাইন না আসা পর্যন্ত  চেম্বার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ মাহামুদ হাসান একজন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের কার্যধারা অবমাননার অভিযোগ নোটিশ বাগেরহাটের সিভিল সার্জন বরাবর পাঠান। নোটিস পাওয়ার পর বাগেরহাটের    সিভিল সার্জন ডা. আ. স. ম. মো. মাহবুবুল আলম অজ্ঞাত কারনে অফিসিয়ালী নোটিশটি না দেখে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ব্যক্তিগত ভাবে  তিনি সরকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কে দিয়ে নোটিশের জবাব দেন । নোটিশের জবাবে  উল্লেখ করা হয়  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গাইড লাইন না আসা পর্যন্ত  মাহামুদ হাসান ইন্ট্রিগ্রেটেড  চিকিৎসক হিসাবে চিকিৎসা সেবা অনুমোতি প্রদান করা হলো। উল্লেখ্য , এই নোটিশের জবাব মাহামুদ হাসানের হাতে পৌছানোর পরথেকে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে আবার এ্যালোপথিক চিকিৎসা দেওয়া শুরু করেছে ।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনফোর্সমেন্ট অভিযানে তার ব্যবহৃত ডিগ্রির সত্যতা নিয়ে গুরুতর অসঙ্গতি পায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি যে এমবিবিএস (এম) ডিগ্রি ব্যবহার করছেন, সেটি  অল্টারনেটিভ মেডিসিন সংক্রান্ত—যার কোনো বৈধতা বাংলাদেশে নেই। এমনকি ভারতে এই ডিগ্রির স্বীকৃতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।এ ধরনের ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার বিরুদ্ধে পূর্বে আদালতেও রিট খারিজ হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগেও হেলাল খান নামের এক ব্যক্তির করা মামলায় ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে মাহামুদুল হাসান ২১ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, আমি পুরো বিষয়টি অনুধাবন না করেই আইনজীবীর পরামর্শে নোটিশের জবাব দিয়েছিলাম। তবে চেম্বার খোলার বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোনো লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে দুদকের প্রমাণ, অন্যদিকে পূর্বের দণ্ড তারপরও কীভাবে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন ? রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা নাকি সমন্বয়হীনতা এই প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।শরণখোলার এই ঘটনা শুধু একটি ভুয়া ডাক্তারের নয় এটি প্রশাসনিক শৈথিল্য, রাজনৈতিক ছত্রছায়া এবং জননিরাপত্তার বড় সংকেত। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

অবৈধ ডিগ্রি, দুদকের অভিযানে সত্যতা, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চিকিৎসা-প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা

আপডেট টাইম : 02:12:54 pm, Tuesday, 5 May 2026

বাগেরহাট  প্রতিনিধি

বাগেরহাটের  শরণখোলা উপজেলায় এক ভুয়া এমবিবিএস  চিকিৎসকের দৌরাত্ম্যকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন মাহামুদুল হাসান নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয়ভাবে  তিনি  কথিত রাজনৈতিক  প্রভাব ব্যবহার করে কার্যক্রম  চালিয়ে যাচ্ছেন  বলেও  অভিযোগ  রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—তার বিরুদ্ধে অভিযোগ  সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর  মব তৈরি করে চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও ঘটেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্বে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে আবারও রোগী দেখা শুরু করেন মাহামুদুল হাসান। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি  ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান  পরিচয়ে  চিকিৎসা  দিচ্ছেন,  যা   বৈধতা  নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।গত সোমবার (৪ মে) বিকেলে সাংবাদিকরা তার বক্তব্য নিতে গেলে ক্যামেরায় কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। পরে সাংবাদিকরা বের হওয়ার সময় স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সেচ্ছাসেবক  দলের সাবেক আহবায়ক পরিচয়দানকারী ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিভ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, ধানসাগর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টটিভ সুমন সরদার ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোল্লা  ইসহাক আলীর ছেলে আলীম আল রাজী মুক্তি   কিছু নেতা কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের হেনস্তা করার চেষ্টা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, তারা সংঘবদ্ধভাবে সাংবাদিকদের হেনস্তা করার চেষ্টা করে যা সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।এদিকে  বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডাঃ আ. স. ম. মো. মাহবুবুল আলম গত ১ মার্চ পরিচালক ( হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমুহ ) স্বাস্থ্য অধিদপ্ত মহাখালী বরাবর লিখিত ভাবে     জানতে চান মাহামুদুল হাসান নামক  এক ব্যক্তি ইন্ট্রিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান পদবী এক ব্যাক্তি এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা পরামর্শ এবং ব্যাবস্থাপত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষার পরামর্শ প্রদান করতে পাবে কিনা সে বিষয়ে মতামত প্রদান সহ তিনি কোন ধরনের চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন এবিষয় একটি গাইডলাইন সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন ।  একই সাথে তিনি মাহামুদ হাসানকে গাইড লাইন না আসা পর্যন্ত  চেম্বার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ মাহামুদ হাসান একজন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের কার্যধারা অবমাননার অভিযোগ নোটিশ বাগেরহাটের সিভিল সার্জন বরাবর পাঠান। নোটিস পাওয়ার পর বাগেরহাটের    সিভিল সার্জন ডা. আ. স. ম. মো. মাহবুবুল আলম অজ্ঞাত কারনে অফিসিয়ালী নোটিশটি না দেখে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ব্যক্তিগত ভাবে  তিনি সরকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কে দিয়ে নোটিশের জবাব দেন । নোটিশের জবাবে  উল্লেখ করা হয়  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গাইড লাইন না আসা পর্যন্ত  মাহামুদ হাসান ইন্ট্রিগ্রেটেড  চিকিৎসক হিসাবে চিকিৎসা সেবা অনুমোতি প্রদান করা হলো। উল্লেখ্য , এই নোটিশের জবাব মাহামুদ হাসানের হাতে পৌছানোর পরথেকে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে আবার এ্যালোপথিক চিকিৎসা দেওয়া শুরু করেছে ।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনফোর্সমেন্ট অভিযানে তার ব্যবহৃত ডিগ্রির সত্যতা নিয়ে গুরুতর অসঙ্গতি পায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি যে এমবিবিএস (এম) ডিগ্রি ব্যবহার করছেন, সেটি  অল্টারনেটিভ মেডিসিন সংক্রান্ত—যার কোনো বৈধতা বাংলাদেশে নেই। এমনকি ভারতে এই ডিগ্রির স্বীকৃতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।এ ধরনের ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার বিরুদ্ধে পূর্বে আদালতেও রিট খারিজ হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগেও হেলাল খান নামের এক ব্যক্তির করা মামলায় ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে মাহামুদুল হাসান ২১ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, আমি পুরো বিষয়টি অনুধাবন না করেই আইনজীবীর পরামর্শে নোটিশের জবাব দিয়েছিলাম। তবে চেম্বার খোলার বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোনো লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে দুদকের প্রমাণ, অন্যদিকে পূর্বের দণ্ড তারপরও কীভাবে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন ? রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা নাকি সমন্বয়হীনতা এই প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।শরণখোলার এই ঘটনা শুধু একটি ভুয়া ডাক্তারের নয় এটি প্রশাসনিক শৈথিল্য, রাজনৈতিক ছত্রছায়া এবং জননিরাপত্তার বড় সংকেত। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।