Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে খাল পুনরুদ্ধারে মাঠে এমপি-জেলা প্রশাসক দুই সপ্তাহের মধ্যে দখল ছাড়ার নির্দেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:31:20 pm, Saturday, 4 July 2026
  • 1533 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের দেল ভাশানী খাল দখলমুক্ত করতে গিয়ে দখলকারীদের আপত্তির মুখে পড়ে জেলা প্রশাসন। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে খালে চাষ করা মাছ তুলে নেওয়ার জন্য দখলকারীদের দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।শনিবার (৪ জুলাই) পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসন দেল ভাশানী খাল পুনরুদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাত, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৭ সালে খালটির ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও এরপর নতুন করে কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি। এরপরও প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। তাদের দাবি, মাছ চাষের জন্য খালে লবণ পানি প্রবেশ করানোয় কৃষিকাজ, পানি নিষ্কাশন ও স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।অন্যদিকে খাল দখল করে মাছ চাষকারীরা প্রশাসনকে জানান, খালে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ অপসারণ করা হলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই মাছ তুলে নেওয়ার জন্য তারা কিছু সময় চান।মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, দেলভাসানী খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো প্রভাবশালী মহল আইনের ঊর্ধ্বে নয়। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হবে।গোলাম মো. বাতেন বলেন, খাল দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ধাপে ধাপে সব অবৈধ বাঁধ ও স্থাপনা অপসারণ করা হবে। সরকারি খাল কোনোভাবেই ব্যক্তিগত দখলে থাকতে দেওয়া হবে না। উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করে খালে থাকা মাছ ধরে নেওয়ার জন্য দখলকারীদের দুই সপ্তাহ সময় দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাল দখলমুক্ত না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে খাল পুনরুদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত খালটি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাসিন্দা ও মাছ চাষকারীরা সম্মতি জানান।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে খাল পুনরুদ্ধারে মাঠে এমপি-জেলা প্রশাসক দুই সপ্তাহের মধ্যে দখল ছাড়ার নির্দেশ

আপডেট টাইম : 05:31:20 pm, Saturday, 4 July 2026

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের দেল ভাশানী খাল দখলমুক্ত করতে গিয়ে দখলকারীদের আপত্তির মুখে পড়ে জেলা প্রশাসন। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে খালে চাষ করা মাছ তুলে নেওয়ার জন্য দখলকারীদের দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।শনিবার (৪ জুলাই) পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসন দেল ভাশানী খাল পুনরুদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাত, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৭ সালে খালটির ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও এরপর নতুন করে কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি। এরপরও প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। তাদের দাবি, মাছ চাষের জন্য খালে লবণ পানি প্রবেশ করানোয় কৃষিকাজ, পানি নিষ্কাশন ও স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।অন্যদিকে খাল দখল করে মাছ চাষকারীরা প্রশাসনকে জানান, খালে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ অপসারণ করা হলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই মাছ তুলে নেওয়ার জন্য তারা কিছু সময় চান।মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, দেলভাসানী খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো প্রভাবশালী মহল আইনের ঊর্ধ্বে নয়। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হবে।গোলাম মো. বাতেন বলেন, খাল দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ধাপে ধাপে সব অবৈধ বাঁধ ও স্থাপনা অপসারণ করা হবে। সরকারি খাল কোনোভাবেই ব্যক্তিগত দখলে থাকতে দেওয়া হবে না। উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করে খালে থাকা মাছ ধরে নেওয়ার জন্য দখলকারীদের দুই সপ্তাহ সময় দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাল দখলমুক্ত না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে খাল পুনরুদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত খালটি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাসিন্দা ও মাছ চাষকারীরা সম্মতি জানান।