বিশেষ প্রতিবেদক।
আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে এক ঝোপের মধ্যে অবৈধ চুন তৈরির কারখানা তৈরি করেছে প্রায় বছর খানেক আগে। সেখানে চুরি করে মূল গ্যাস লাইনের পাইপ থেকে সংযোগ দিতে গিয়ে ঘটেছে বিপত্তি। সংযোগ দিতে না পাড়ায় সেই জায়গা দিয়ে ২মাস যাবৎ তীব্র গতিতে বেড়িয়ে যাচ্ছে তিতাস গ্যাস। ঘটনাটি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের কাজীরচর আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ের। সরেজমিনে দেখা গেল, নরসিংদী থেকে আসা আড়িয়াল খাঁ নদীর মধ্য দিয়ে নবনির্মিত অবৈধ কারখানার পাশ দিয়ে কিশোরগঞ্জে চলে গেছে তিতাস গ্যাসের মূল পাইপ। সেখান থেকে রাতের আঁধারে গ্যাস চুরি করে কারখানায় সংযোগ দিতে গিয়ে মূল পাইপ লাইনে ছিদ্র করে ফেলে। এতে বেসামাল হয়ে পড়লে পালিয়ে যায় তারা। সেখান থেকে গ্যাস বের হওয়া শুরু করলে দৃষ্টিগোচরে আসে সকলের। ধীরে ধীরে নদীর পানি বাড়তে থাকে আর পাইপের ছিদ্র চলে যায় পানির নিচে। বড় আকারে পানির বুদুবুদের কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে।
গ্যাস পাইপ মেরামতের দায়িত্বে থাকা ফোরম্যান মো: রুহুল আমীন এবং মো: মোমেন মিয়া জানান, “এখান থেকে চুরি করে গ্যাস সংযোগ দিতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে। প্রায় ২০ দিন আগে আমাদের জানানো হয়। অতিবৃষ্টির কারণে নদীর পানি বেড়ে যায়। স্রোতের কারণে ছিদ্রের উপর থেকে মাটি সরে যাওয়ায় গ্যাস বেশি বের হচ্ছে। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভাল না। প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র আনতেও সময় লাগছে। আশা করি শীঘ্রই এর সমাধান করতে পারবো। ” স্থানীয়রা জানান, ” ঘটনাটি প্রায় ২ মাস আগের। একদিন সন্ধ্যা বেলায় চুন কারখানার লোকজন গ্যাস সংযোগের চেষ্টা চালায়। আমরা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, তারা গ্যাস অফিসের লোক। ”
এলাকার যুবক মো: রবিন মিয়া বলেন, ” নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সংকট চলছে। একটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস ২মাস যাবৎ বেরুচ্ছে এটা একটা বড় ক্ষতি মনে করি। আর যারা এই অপকর্মটির সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। “স্থানীয় মাহফুজ মিয়া জানান, ” স্থানীয় কিছু খারাপ লোকজনের সহযোগিতায় এই অবৈধ এবং চুরির কাজটি করার সাহস পেয়েছে। এতে গ্যাস কর্তৃপক্ষের লোকজনও জড়িত থাকতে পারে। “কারখানার মালিক পক্ষের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















