Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,
চট্টগ্রামে দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে পানির সংকট। পরিস্থিতি মোকাবিলয়া নগরে রেশনিং পদ্ধতিতে পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা। তবে পরিশোধিত পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণের কারণে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় নলকূপে উঠছে না পানি।

চট্টগ্রামে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, বাড়ছে ডায়রিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:30:22 pm, Saturday, 6 May 2023
  • 295 বার

চট্টগ্রাম প্রতনিধি

 

দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সবমিলিয়ে নগর এবং বিভিন্ন উপজেলায় পানির জন্য তৈরি হয়েছে এক ধরনের হাহাকার। সুপেয় পানির সমস্যায় জেলাজুড়ে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃষ্টি না হওয়ায় কাপ্তাই লেকে পানির স্তর কমে গেছে। এ কারণে কর্ণফুলী নদীতে পানি প্রবাহের পরিমাণ কমে গেছে। ফলে জোয়ারের সময় বঙ্গোপোসাগর থেকে নদীতে ঢুকছে লবণাক্ত পানি। কর্ণফুলী হয়ে সেই পানি ঢুকছে হালদায়। এতে করে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি শোধনাগার কেন্দ্রে পানিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। চট্টগ্রাম ওয়াসা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সবশেষ শুক্রবার পানি সংগ্রহের উৎসস্থলের একটিতে প্রতি লিটারে লবণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৩ হাজার মিলিগ্রাম এবং আরেকটিতে আড়াই হাজার মিলিগ্রাম।আবার নগরে দিনে ৪৬ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) উৎপাদিত হয়েছে ৩৯ কোটি লিটার। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৭ কোটি লিটার কম উৎপাদিত হয়। প্রতিদিনই এ ধরনের ঘাটতি হচ্ছে। তাই এলাকাভিত্তিক রেশনিং করে পানি সাপ্লাই দিচ্ছে ওয়াসা।জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, পানি উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে রেশনিং পদ্ধতিতে পানি সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে। কাপ্তাই লেক থেকে পানি কম আসায় পানিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এ কারণে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সরবরাহ করা পানিতে প্রতি লিটারে ৪০০ মিলিগ্রামের কম লবণের মাত্রা রয়েছে। তবে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এর কোনো সমাধান নেই। এ সময়ে পানি সরবরাহও কম থাকবে, আবার সরবরাহ করা পানিতে লবণাক্ততাও থাকবে।এদিকে, বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন উপজেলার অধিকাংশ নলকূপে উঠছে না পানি। ফলে বাধ্য হয়ে মানুষ নানা উৎস থেকে সংগ্রহ করা পানি খাচ্ছে। এভাবে পানি পানের কারণে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ।শনিবার (৬ মে) জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এরমধ্যে মিরসরাইয়ে ১৫, সীতাকুণ্ড ১৪, সন্দ্বীপ ১, ফটিকছড়ি ১৪, হাটহাজারী ৮, রাউজান ১১, রাঙ্গুনিয়া ১০, বোয়ালখালী ২৩, আনোয়ারা ২৯, পটিয়া ৩০, বাঁশখালী ১৬, চন্দনাইশ ৩৩, সাতকানিয়া ১২ ও লোহাগাড়া ১৬ জন আক্রান্ত হয়। যদিও একই সময়ের মধ্যে ২৩৪ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন বলে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা যায়।সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ডায়রিয়ার প্রকোপরোধে কারণ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াজেদ চৌধুরী অভিকে সভাপতি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসিকে সদস্য সচিব এবং সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়। কমিটিকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ডায়রিয়ার কারণ, বর্তমান ব্যবস্থাপনা, প্রতিরোধের উপায় এবং সুপারিশ ইত্যাদি উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।এছাড়া ডায়রিয়া প্রকোপরোধে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ডায়রিয়া বা পানিবাহিত রোগে চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন ওষুধ চিকিৎসা সামগ্রী মজুদ রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের রোগের চিকিৎসায় জাতীয় গাইডলাইন অনুসরণ করা, রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেলে সিভিল সার্জন অফিস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবহিত করা, রোগের স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী শনিবার দুপুরে ঢাকা পোস্টকে বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় নরমাল টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। গভীর নলকূপেও পানি উত্তোলনের পরিমাণ কমে গেছে। এ কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে। আবার কোনো কোনো এলাকার পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি। একারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে।তিনি আরও বলেন, ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে পয়লা বৈশাখ, ঈদসহ বিভিন্ন ছুটিতে মানুষ বেড়াতে বের হয়েছে। এ সময় তারা বাইরের খাবার খেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বাইরের এসব খাবার শরীরের জন্য নিরাপদ নয়। সবমিলিয়ে আমরা ডায়রিয়া মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছি। জেলার সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

চট্টগ্রামে দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে পানির সংকট। পরিস্থিতি মোকাবিলয়া নগরে রেশনিং পদ্ধতিতে পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা। তবে পরিশোধিত পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণের কারণে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় নলকূপে উঠছে না পানি।

চট্টগ্রামে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, বাড়ছে ডায়রিয়া

আপডেট টাইম : 07:30:22 pm, Saturday, 6 May 2023

চট্টগ্রাম প্রতনিধি

 

দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সবমিলিয়ে নগর এবং বিভিন্ন উপজেলায় পানির জন্য তৈরি হয়েছে এক ধরনের হাহাকার। সুপেয় পানির সমস্যায় জেলাজুড়ে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃষ্টি না হওয়ায় কাপ্তাই লেকে পানির স্তর কমে গেছে। এ কারণে কর্ণফুলী নদীতে পানি প্রবাহের পরিমাণ কমে গেছে। ফলে জোয়ারের সময় বঙ্গোপোসাগর থেকে নদীতে ঢুকছে লবণাক্ত পানি। কর্ণফুলী হয়ে সেই পানি ঢুকছে হালদায়। এতে করে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি শোধনাগার কেন্দ্রে পানিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। চট্টগ্রাম ওয়াসা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সবশেষ শুক্রবার পানি সংগ্রহের উৎসস্থলের একটিতে প্রতি লিটারে লবণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৩ হাজার মিলিগ্রাম এবং আরেকটিতে আড়াই হাজার মিলিগ্রাম।আবার নগরে দিনে ৪৬ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) উৎপাদিত হয়েছে ৩৯ কোটি লিটার। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৭ কোটি লিটার কম উৎপাদিত হয়। প্রতিদিনই এ ধরনের ঘাটতি হচ্ছে। তাই এলাকাভিত্তিক রেশনিং করে পানি সাপ্লাই দিচ্ছে ওয়াসা।জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, পানি উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে রেশনিং পদ্ধতিতে পানি সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে। কাপ্তাই লেক থেকে পানি কম আসায় পানিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এ কারণে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সরবরাহ করা পানিতে প্রতি লিটারে ৪০০ মিলিগ্রামের কম লবণের মাত্রা রয়েছে। তবে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এর কোনো সমাধান নেই। এ সময়ে পানি সরবরাহও কম থাকবে, আবার সরবরাহ করা পানিতে লবণাক্ততাও থাকবে।এদিকে, বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন উপজেলার অধিকাংশ নলকূপে উঠছে না পানি। ফলে বাধ্য হয়ে মানুষ নানা উৎস থেকে সংগ্রহ করা পানি খাচ্ছে। এভাবে পানি পানের কারণে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ।শনিবার (৬ মে) জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এরমধ্যে মিরসরাইয়ে ১৫, সীতাকুণ্ড ১৪, সন্দ্বীপ ১, ফটিকছড়ি ১৪, হাটহাজারী ৮, রাউজান ১১, রাঙ্গুনিয়া ১০, বোয়ালখালী ২৩, আনোয়ারা ২৯, পটিয়া ৩০, বাঁশখালী ১৬, চন্দনাইশ ৩৩, সাতকানিয়া ১২ ও লোহাগাড়া ১৬ জন আক্রান্ত হয়। যদিও একই সময়ের মধ্যে ২৩৪ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন বলে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা যায়।সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ডায়রিয়ার প্রকোপরোধে কারণ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াজেদ চৌধুরী অভিকে সভাপতি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসিকে সদস্য সচিব এবং সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়। কমিটিকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ডায়রিয়ার কারণ, বর্তমান ব্যবস্থাপনা, প্রতিরোধের উপায় এবং সুপারিশ ইত্যাদি উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।এছাড়া ডায়রিয়া প্রকোপরোধে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ডায়রিয়া বা পানিবাহিত রোগে চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন ওষুধ চিকিৎসা সামগ্রী মজুদ রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের রোগের চিকিৎসায় জাতীয় গাইডলাইন অনুসরণ করা, রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেলে সিভিল সার্জন অফিস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবহিত করা, রোগের স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী শনিবার দুপুরে ঢাকা পোস্টকে বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় নরমাল টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। গভীর নলকূপেও পানি উত্তোলনের পরিমাণ কমে গেছে। এ কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে। আবার কোনো কোনো এলাকার পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি। একারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে।তিনি আরও বলেন, ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে পয়লা বৈশাখ, ঈদসহ বিভিন্ন ছুটিতে মানুষ বেড়াতে বের হয়েছে। এ সময় তারা বাইরের খাবার খেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বাইরের এসব খাবার শরীরের জন্য নিরাপদ নয়। সবমিলিয়ে আমরা ডায়রিয়া মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছি। জেলার সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।