নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
দিন দিন বাংলাদেশে শিশু শ্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোমলমতি শিশুরা পরিবারের প্রয়োজনে ঝুকিপূর্ণ কাজে অংশগ্রহন করছেন। শিশুশ্রম নিরসনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন থাকার পরেও, শিশু শ্রমের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু আইন করে নয়, জনগনকে সচেতন এবং কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে শিশু শ্রম নিরসন করা সম্ভব। বুধবার (১৭মে) দুপুরে ইনসিডিন বাংলাদেশ ও উদয়ন বাংলাদেশের আয়োজনে শিশুশ্রম নিরাসন করনীয় বিষয় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
উদয়ন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শেখ আসাদের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইসরাত জাহান, ইনসিডিন বাংলাদেশের ক্যাম্পেইন কো- অডিনেটর রাফিউল আলী, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ আহসানুল করিম, সাংবাদিক আজাদুল হক, এস এম রাজ, মামুন আহম্মেদ প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত আজকের পত্রিকার বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি এসএস শোহান বলেন, শিশু শ্রম নিরসনের জন্য কর্মমুখী শিক্ষা প্রনয় জরুরী। কারণ দেশে চলমান সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারণে দরিদ্র বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে না পাঠিয়ে ঝুকিপূর্ণ কাজ শিখতে পাঠান। যাতে পরবর্তীতে তার সন্তান আয় করতে পারেন।
বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক আলী আকবার টুটুল বলেন, সচেতনতার অভাবে কম আয়ের মানুষেরা নিজের সন্তানকে সামান্য টাকা অথবা শুধু খাবারের জন্য ঝুকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করেন। তার সন্তানের মধ্যেও যে সম্ভাবনা রয়েছে, এটা বাবা-মাকে বোঝাতে পারলে শিশু শ্রম অনেকাংশে কমে যাবে। সেই সাথে যেসব শিশুরা ঝুকিপূর্ণ শ্রমের সাথে জড়িত রয়েছে, তাদের জন্য বিকল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুপারিশ করেন এই সংবাদকর্মী।
এছাড়া শিশু শ্রম নিরসনে দেশে বিদ্যমান আইন ও নীতির সঠিক বাস্তবায়ন, শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে স্বল্প আয় ও হতদরিদ্র বাবা-মায়ের সন্তানদের লেখাপড়া নিশ্চিতের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানান বক্তারা।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















