Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

স্বল্প সময়ের মধ্যে বানিজ্যক উৎপাদনে যাবে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 10:53:05 pm, Tuesday, 4 July 2023
  • 72 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত আলোচিত কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম
ইউনিট বন্ধের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত বানিজ্যক উৎপাদন শুরুর
ঘোষনা দিয়েছেন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬০
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে পরীক্ষামূলক সরবরাহ শেষ হয়েছে। আগামী
কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যু
জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ হবে। মঙ্গলবার (০৪ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া
ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের(বিআইএফপিসিএল)উপ-
মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য
জানানো হয়েছে।
তবে বন্ধ থাকা প্রথম ইউনিট কবে চালু হবে তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেনি
কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানাযায়, ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার
প্রজেক্টটির ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে
চালু আছে। ইতোমধ্যে আমরা ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটের
সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। স¤প্রতি ২৮ জুন সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে আমরা
দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রীডে সফলভাবে যুক্ত হয়েছে।
আগস্ট মাস থেকে এই ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়মিত জাতীয়
গ্রীডে সরবরাহ করা হবে।
বিআইএফপিসিএল-এর প্রকল্প পরিচালক অতনু দত্ত বলেন, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং
প্রকল্পে কর্মরত সদস্যদের সার্বক্ষণিক কঠোর পরিশ্রমের ফলে রেকর্ড সময়ের মধ্যে
আমরা দ্বিতীয় ইউনিট চালু করতে সক্ষম হয়েছি। এখন দ্বিতীয় ইউনিটের
বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আগামী কয়েক মাসের
মধ্যে বাংলাদেশের জনগণ এই ইউনিটের বিদ্যুৎ পাবেন।
বিআইএফপিসিএল‘র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরাম উল্লাহ বলেন, মৈত্রী
প্রকল্প বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও দৃঢ় বন্ধনের প্রতীক। দেশ-বিদেশের কর্মরত
সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টায় আমরা দ্বিতীয় ইউনিটের
কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই ইউনিট
থেকে বানিজ্যক উৎপাদন শুরু হবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

স্বল্প সময়ের মধ্যে বানিজ্যক উৎপাদনে যাবে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

আপডেট টাইম : 10:53:05 pm, Tuesday, 4 July 2023

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত আলোচিত কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম
ইউনিট বন্ধের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত বানিজ্যক উৎপাদন শুরুর
ঘোষনা দিয়েছেন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬০
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে পরীক্ষামূলক সরবরাহ শেষ হয়েছে। আগামী
কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যু
জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ হবে। মঙ্গলবার (০৪ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া
ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের(বিআইএফপিসিএল)উপ-
মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য
জানানো হয়েছে।
তবে বন্ধ থাকা প্রথম ইউনিট কবে চালু হবে তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেনি
কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানাযায়, ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার
প্রজেক্টটির ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে
চালু আছে। ইতোমধ্যে আমরা ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটের
সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। স¤প্রতি ২৮ জুন সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে আমরা
দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রীডে সফলভাবে যুক্ত হয়েছে।
আগস্ট মাস থেকে এই ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়মিত জাতীয়
গ্রীডে সরবরাহ করা হবে।
বিআইএফপিসিএল-এর প্রকল্প পরিচালক অতনু দত্ত বলেন, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং
প্রকল্পে কর্মরত সদস্যদের সার্বক্ষণিক কঠোর পরিশ্রমের ফলে রেকর্ড সময়ের মধ্যে
আমরা দ্বিতীয় ইউনিট চালু করতে সক্ষম হয়েছি। এখন দ্বিতীয় ইউনিটের
বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আগামী কয়েক মাসের
মধ্যে বাংলাদেশের জনগণ এই ইউনিটের বিদ্যুৎ পাবেন।
বিআইএফপিসিএল‘র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরাম উল্লাহ বলেন, মৈত্রী
প্রকল্প বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও দৃঢ় বন্ধনের প্রতীক। দেশ-বিদেশের কর্মরত
সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টায় আমরা দ্বিতীয় ইউনিটের
কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই ইউনিট
থেকে বানিজ্যক উৎপাদন শুরু হবে বলে জানান তিনি।