বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার বাদোখালী গ্রামে মৎস্য ঘেরের মাছ চুরির ঘটনায় চোরের ছরিকাঘাতে ঘেরের মালিকসহ ২ জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ঘেরের মালিক বিপ্লব কুমার পাল (৪৫) বাগেরহাট মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। আহতরা হলেন ঘেরের মালিক বিপ্লব কুমার পাল ও ঘেরের পাহারাদার আশিষ কুমার বিশ্বাস। বিপ্লব কুমার পাল সদর উপজেলার মগরা গ্রামের মৃত সুরেন্দ্র নাথ পালের ছেলে।
বিপ্লব কুমার পাল অভিযোগে জানান, বাগেরহাট সদর উপজেলার ০৭ নং ষাট গম্বুজ ইউনিয়নের বাদোখালী তালপুকুর পাড়ের সামনের বিলে স্থানীয় বিন্দু কুমারের কাজ থেকে আড়াই বিঘা ঘের হাড়িতে নিয়ে বিভিন্ন প্রকার মাছ চাষ করি। রবিবার( ১৬ জুলাই) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে আমি ও আমার ঘেরের পাহারাদার রাতের খাবার খেয়ে ঘেরে যাই। রাত দেড়টার দিকে আমরা ঘেরের বাসায় ঘুমিয়া পড়ি। রাত সোয়া দুইটার দিকে মাছের ঘেরের দক্ষিন পাশে মাছ ধরার শব্দ পাই। আমার দ্রæত ঘের থেকে বের হয়ে টর্চলাইট মারলে কয়েকজন লোককে মাছ ধরতে দেখি। আমরা চোর চোর বলে চিৎকার করলে তারা মাছ ভর্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে পালিয়ে যায়। সেখানে স্থানীয় বাদোখালী গ্রামের আঃ কাদের শেখকে আমরা ধরে ফেলি। এ সময় আঃ কাদের শেখ এর কোমরে থাকা ছুরি দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাম পায়ে, বুকের উপর, পিঠের ডান পাশে ও কনুইয়ের উপরে ছরিকাঘাত করে। এ সময় আমার ঘেরের পাহারাদার আশিষ কুমার বিশ^াস এগিয়ে আসলে তাকেও ছুরি মেরে রক্তাক্ত জখম করে দ্রæত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আমার শরীরের ২২ টি ও আমার ঘেরের পাহারাদার আশিষ কুমার বিশ^াস ২৫টি সেলাই লাগে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা রহবে।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















