ভোগ্যপণ্যের বাজার যেন এখন ‘ছাইচাপা আগুন’। ছাইচাপা আগুন যেমন ধিকি ধিকি বাড়তেই থাকে, ঠিক তেমনি বাজারেও সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। নিত্যপণ্যের বাজারের এই ‘আগুন’ কোনোভাবেই নেভানো যাচ্ছে না। উল্টো প্রতিদিনই বাড়ছে বাজারের পণ্যমূল্য বৃদ্ধির উত্তাপ। মাস দেড়েক আগে সরকার যেসব পণ্যের মূল্য বেঁধে দিয়েছিল সেগুলোর দামও এখন দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি এখন ১৩০-১৪০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ১০০-১১০ টাকা। আর আলুর কেজি এখন ৭০ টাকায় ঠেকেছে। সবজির বাজারেও ১০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা বাজারকে লুটপাটের ময়দান হিসেবে নিয়েছে। যে যার মতো পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে, আর লুটে নিচ্ছে দেশের মানুষের পকেটের টাকা। আর উচ্চ পণ্যমূল্যের চাপে একেবারে চিড়েচ্যাপ্টা দশা ভোক্তার।এ বিষয়ে প্রেসক্লাব রামপালের সভাপতি এম এ সবুর রানা বলেন, ‘দেশের মানুষ আর কত সহ্য করবে। পণ্যমূল্য বাড়তে বাড়তে মানুষের সহ্য ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
ব্যবসায়ীরা যে হারে পণ্যমূল্য বাড়িয়েই যাচ্ছে, আর দেশের মানুষের পকেট কাটছে তাতে মনে হয়-ভোগ্যপণ্যের বাজার যেন ব্যবায়ীদের কাছে এখন লুটপাটের ময়দান। যখন যে পণ্যের ব্যবসায়ীর ইচ্ছে হলো সে দাম বাড়াচ্ছে। কারও কাছে কোনো জবাবদিহিতা নেই। মনে হচ্ছে যেন দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার এক অসহায় এতিম। দেখার কেউ নেই-ভোগ্যপণ্যের বাজার কেমন চলতে সেটি খোঁজ নেওয়ারও যেন কেউ নেই। এভাবে তো আর চলতে পারে না। উচ্চ পণ্যমূল্যের কারণে দেশের সাধারণ মানুষ এখন নীরবে ঢুকরে কাঁদছে।’
আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম এক মাস ২০ দিন আগে বেঁধে দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে এ সময়ের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম কমেনি বরং বেড়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তিন পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছিল গত ১৪ সেপ্টেম্বর। মন্ত্রণালয়েরই বাজারদর মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) তথ্য বলছে, গত দেড় মাসের ব্যবধানে বাজারে আলু, ডিম ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সরকার যে সময় দাম বেঁ
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 


















