Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের ২ কি.মি. ভাঙ্গনে মাত্র ২ শত মিটারে জিও ব্যাগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 10:26:56 pm, Monday, 13 November 2023
  • 102 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি,

মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের রামপাল সরকারি কলেজ থেকে বগুড়া নদীর মোহনা পর্যন্ত ২ কি.মি. নদী ভাঙ্গলেও মাত্র ২ শত মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করা হয়েছে। ওই ৫ শত ফুট এলাকা বাদে বাকী এলাকায় তীব্র ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাট ও জেলা প্রশাসন বাগেরহাটের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত তথ্যবহুল রিপোর্ট আসলেও টনক নড়েছে কি না তা জানা যায়নি।

সোমবার (১২ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় উপজেলার রামপাল সদর ও ওড়াবুনিয়া এলাকায় গিয়ে ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখতে পাওয়া যায়। নুরুল্লাহ খোকন নামের এক বাসিন্দা নিজের ভেঙ্গে যাওয়া বিল্ডিংয়ের ইট ও ওয়াল দিয়ে নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন। মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল খননের পর থেকেই রামপাল সরকারি কলেজের সামনে থেকে বগুড়া নদীর মোহনা পর্যন্ত ভাঙ্গন শুরু হয়। গত ৯/১০ বছর ধরে বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। প্রায় ২৮/৩০ টি বাড়ির পরিবার উদ্বাস্তু হয়ে যায়। অনেকের সামান্য ভিটে বাড়ীর শেষ সম্বল টুকুনও হারিয়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এমন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে কবির কসাই, জহুর শেখ, ইলিয়াস শেখ, বাকিবিল্লাহসহ আরও অনেকে। সরকারিভাবেও এরা কোন সাহায্য বা সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।
মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র বাগেরহাট জেলা সদস্য এম এ সবুর রানা’র সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমতঃ অপরিকল্পিত নদী খননের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এতে আরও বেশি করে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই ডিপিপি’র গবেষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। বিআইডব্লিউটিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমলে নেয়নি। নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুম বিল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। উপজেলার মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল, দাউদ খালি নদী, বগুড়া নদীসহ সকল নদীর ভাঙ্গন এলাকার চিত্র তুলে ধরেছি। তিনি আশ্বাস প্রদানের পরে মাত্র ৫ শত ফুট এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। নদী ভাঙ্গন কবলিতদের দূর্গতি রয়েই গেছে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজর না দিলে এই শীত মৌসুমে ভাঙ্গনের তীব্রতা আরও বাড়বে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকার দূর্গতরা ও সচেতন মহল দ্রুত ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ বা ব্লক ফেলার দাবী জানান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের ২ কি.মি. ভাঙ্গনে মাত্র ২ শত মিটারে জিও ব্যাগ

আপডেট টাইম : 10:26:56 pm, Monday, 13 November 2023

বাগেরহাট প্রতিনিধি,

মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের রামপাল সরকারি কলেজ থেকে বগুড়া নদীর মোহনা পর্যন্ত ২ কি.মি. নদী ভাঙ্গলেও মাত্র ২ শত মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করা হয়েছে। ওই ৫ শত ফুট এলাকা বাদে বাকী এলাকায় তীব্র ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাট ও জেলা প্রশাসন বাগেরহাটের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত তথ্যবহুল রিপোর্ট আসলেও টনক নড়েছে কি না তা জানা যায়নি।

সোমবার (১২ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় উপজেলার রামপাল সদর ও ওড়াবুনিয়া এলাকায় গিয়ে ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখতে পাওয়া যায়। নুরুল্লাহ খোকন নামের এক বাসিন্দা নিজের ভেঙ্গে যাওয়া বিল্ডিংয়ের ইট ও ওয়াল দিয়ে নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন। মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল খননের পর থেকেই রামপাল সরকারি কলেজের সামনে থেকে বগুড়া নদীর মোহনা পর্যন্ত ভাঙ্গন শুরু হয়। গত ৯/১০ বছর ধরে বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। প্রায় ২৮/৩০ টি বাড়ির পরিবার উদ্বাস্তু হয়ে যায়। অনেকের সামান্য ভিটে বাড়ীর শেষ সম্বল টুকুনও হারিয়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এমন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে কবির কসাই, জহুর শেখ, ইলিয়াস শেখ, বাকিবিল্লাহসহ আরও অনেকে। সরকারিভাবেও এরা কোন সাহায্য বা সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।
মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র বাগেরহাট জেলা সদস্য এম এ সবুর রানা’র সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমতঃ অপরিকল্পিত নদী খননের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এতে আরও বেশি করে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই ডিপিপি’র গবেষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। বিআইডব্লিউটিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমলে নেয়নি। নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুম বিল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। উপজেলার মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল, দাউদ খালি নদী, বগুড়া নদীসহ সকল নদীর ভাঙ্গন এলাকার চিত্র তুলে ধরেছি। তিনি আশ্বাস প্রদানের পরে মাত্র ৫ শত ফুট এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। নদী ভাঙ্গন কবলিতদের দূর্গতি রয়েই গেছে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজর না দিলে এই শীত মৌসুমে ভাঙ্গনের তীব্রতা আরও বাড়বে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকার দূর্গতরা ও সচেতন মহল দ্রুত ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ বা ব্লক ফেলার দাবী জানান।