বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে বাক প্রতিবন্ধী শিশু হোসেন (৯) এর পিতৃপরিচয় সনাক্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের আফসার খানের কন্যা মানষিক ভারসাম্যহীন ফাতেমা বেগম (৪৮)। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন। ফাতেমা বেগমের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তার বক্তব্য পাঠ ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা শাখার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সিকদার ইমরান হোসেন।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একই এলাকার মৃত গফুর শেখের ছেলে সরোয়ার শেখ তাকে ধর্ষণ করার ফলে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর মাসে সে গর্ভবতী হয়। তাকে জানালে সে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলে। ২০১৪ সালে বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করলে সে পিতৃপরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ও ইউপি চেয়ারম্যান কে জানালে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে সন্তানের পরিচয় ও ভরণপোষণ দিবে মর্মে সালিশ মীমাংসা হয়। কিন্তু তারপর থেকে সরোয়ার শেখ পলাতক থাকে।সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, ফাতেমা বেগম একজন অসহায় সম্বলহীন নারী। এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজারে ভিক্ষা ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে তার সংসার চলে। অর্থবিত্ত আত্মীয়-স্বজন সামাজিক অবস্থান না থাকায় এবং সারোয়ার শেখ প্রভাবশালী হওয়ায় সে তার সন্তানের পিতৃপরিচয় সনাক্ত করতে পারছেন না। তার সন্তানের বয়স বর্তমানে ৯ বছর হলেও পিতৃপরিচয় না থাকার কারণে সে সরকারের বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন করতে পারছে না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রশাসন কিংবা আত্মীয়-স্বজন এতদিনেও বাচ্চাটির পিতৃপরিচয় শনাক্তে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই।আজকের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফাতেমা বেগম স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে দ্রুত ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে বাক প্রতিবন্ধী শিশুটির পিতৃপরিচয় সনাক্তের জোর দাবী জানান।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















