Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,
ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান

বাগেরহাটে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 03:00:37 pm, Sunday, 28 January 2024
  • 457 বার

আল আমিন খান সুমন,বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলায় রয়েছে ১ হাজার ১শ ৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে ১৪৪টি বিদ্যালয় রয়েছে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায়। আর অধিক ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ৬১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। নতুন ভবন নির্মাণ না করায় কোথাও কোথাও বাঁশ ও টিন দিয়ে অস্থায়ী ভাবে ঘর তৈরি করে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় জরাজীর্ণ ভবনের কারনে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে গিয়ে থাকতে হচ্ছে আতঙ্কের মধ্যে। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে অভিভাবকদেরও থাকতে হচ্ছে দুশ্চিন্তায়। যার প্রভাবে বিদ্যালয় গুলোতে প্রতি বছরই কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা।অভিভাবকরা বলছেন, পুরনো ভবনগুলোর ছাদ থেকে প্লাসস্তার খসে পড়ছে। তাই ছেলে-মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন তারা। বর্ষায় আরো বেশি সমস্যায় পড়তে হয় বলেও জানালেন অভিভাবকরা। শিক্ষার্থীরা বলছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নয়,নিশ্চিন্তে পড়াশুনা করতে চায় তারা।বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১১৬৬টি। এর মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় মোট বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৫০টি, এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩০টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭টি। চিতলমারী উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১১১টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২১টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২০টি। ফকিরহাট উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৭৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৮টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি। কচুয়া উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৯৫টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪টি, এ উপজেলায় জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। মোল্লাহাট উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১০৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ১টি ও এ উপজেলায়ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৩০৯টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২টি। শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১১৪টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি ও এ উপজেলায় জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। রামপাল উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১২৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ৮টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪টি। এছাড়া জেলার মোংলা উপজেলায় ৭৩টি প্রাথামিক বিদ্যালয়ের মধ্যে কোন ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই।বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুঃ শাহ আলম বলেন, জরাজীর্ণ ভবনগুলো সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতি মধ্যে জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলোকে চিহ্নিত করে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে্ ‌যা দিয়ে টিনসেড ঘর তৈরী করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালননা করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলো সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কৃর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলোতে কাজ শুরু করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান

বাগেরহাটে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান

আপডেট টাইম : 03:00:37 pm, Sunday, 28 January 2024

আল আমিন খান সুমন,বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলায় রয়েছে ১ হাজার ১শ ৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে ১৪৪টি বিদ্যালয় রয়েছে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায়। আর অধিক ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ৬১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। নতুন ভবন নির্মাণ না করায় কোথাও কোথাও বাঁশ ও টিন দিয়ে অস্থায়ী ভাবে ঘর তৈরি করে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় জরাজীর্ণ ভবনের কারনে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে গিয়ে থাকতে হচ্ছে আতঙ্কের মধ্যে। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে অভিভাবকদেরও থাকতে হচ্ছে দুশ্চিন্তায়। যার প্রভাবে বিদ্যালয় গুলোতে প্রতি বছরই কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা।অভিভাবকরা বলছেন, পুরনো ভবনগুলোর ছাদ থেকে প্লাসস্তার খসে পড়ছে। তাই ছেলে-মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন তারা। বর্ষায় আরো বেশি সমস্যায় পড়তে হয় বলেও জানালেন অভিভাবকরা। শিক্ষার্থীরা বলছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নয়,নিশ্চিন্তে পড়াশুনা করতে চায় তারা।বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১১৬৬টি। এর মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় মোট বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৫০টি, এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩০টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭টি। চিতলমারী উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১১১টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২১টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২০টি। ফকিরহাট উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৭৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৮টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি। কচুয়া উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৯৫টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪টি, এ উপজেলায় জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। মোল্লাহাট উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১০৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ১টি ও এ উপজেলায়ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ৩০৯টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২টি। শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১১৪টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩টি ও এ উপজেলায় জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই। রামপাল উপজেলায় বিদ্যালয় রয়েছে ১২৮টি এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ৮টি ও জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪টি। এছাড়া জেলার মোংলা উপজেলায় ৭৩টি প্রাথামিক বিদ্যালয়ের মধ্যে কোন ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় নাই।বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুঃ শাহ আলম বলেন, জরাজীর্ণ ভবনগুলো সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতি মধ্যে জরাজীর্ণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলোকে চিহ্নিত করে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে্ ‌যা দিয়ে টিনসেড ঘর তৈরী করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালননা করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলো সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কৃর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলোতে কাজ শুরু করা হবে।