Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সরকারি ৩ খালে মাছ চাষ অভিযোগ

রামপালে সরকারি ৩ খালে মাছ চাষ অভিযোগ করেও মিলছেনা প্রতিকার  

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 06:31:18 pm, Sunday, 9 June 2024
  • 167 বার
জেলা প্রতিনিধি,বাগেরহাট
 প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় মোংলা-ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচল রাখতে ৮৩ টি খাল খনন করা হয়। খননকৃত খালের মধ্যে তিনটি বড় সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না। স্থানীয় দুই ইউপি সদস্যসহ গ্রামবাসীর স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত অভিযোগ করেও আইনানুগ প্রতিকার না পাওয়ায় হতাশ হয়েছেন গ্রামবাসী। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাইসেলীয় তারা বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচলে সংলগ্ন মৃতপ্রায় প্রবাহমান সরকারি খালগুলি খনন করে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও পেড়িখালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিস মাঝি ও তার লোকজন দখলে নিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করে। এ নিয়ে সচেতন গ্রামবাসীর সাথে দখলকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তারা বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচল রাখার স্বার্থে খালগুলি উম্মুক্ত রাখতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিস মাঝির সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খালগুলো দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে বাড়ি ঘর ডুবে না যায়। তবে গ্রামবাসীরা সকলে মিলে মাছ চাষ করেন বলে স্বীকার করেন ও তিনি।
 এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কার্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ওখানে তহশিলদার পাঠানো হয়েছিল। খালগুলির উপরে পূর্বে থেকেই বাঁধ ও রাস্তা  করা হয়েছে। বিকল্প ব্যাবস্থা না করে খাল উম্মুক্ত করা যাচ্ছে না। সরকারি খাস খাল দখল করে কাউকে মৎস্য চাষ করতে দেয়া হবে না। প্রবাহমান নদী ও খাল দখলকারীদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না নিশ্চিত করেন ওই কার্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ওই খাল দখল নিয়ে গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারী দৈনিক লোকসমাজ, সময় টিভি সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে কর্তৃপক্ষ জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু দখলবাজেরা আবারো দখল করে মাছ চাষ শুরু করেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে

সরকারি ৩ খালে মাছ চাষ অভিযোগ

রামপালে সরকারি ৩ খালে মাছ চাষ অভিযোগ করেও মিলছেনা প্রতিকার  

আপডেট টাইম : 06:31:18 pm, Sunday, 9 June 2024
জেলা প্রতিনিধি,বাগেরহাট
 প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় মোংলা-ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচল রাখতে ৮৩ টি খাল খনন করা হয়। খননকৃত খালের মধ্যে তিনটি বড় সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না। স্থানীয় দুই ইউপি সদস্যসহ গ্রামবাসীর স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত অভিযোগ করেও আইনানুগ প্রতিকার না পাওয়ায় হতাশ হয়েছেন গ্রামবাসী। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাইসেলীয় তারা বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচলে সংলগ্ন মৃতপ্রায় প্রবাহমান সরকারি খালগুলি খনন করে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও পেড়িখালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিস মাঝি ও তার লোকজন দখলে নিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করে। এ নিয়ে সচেতন গ্রামবাসীর সাথে দখলকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তারা বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচল রাখার স্বার্থে খালগুলি উম্মুক্ত রাখতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিস মাঝির সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খালগুলো দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে বাড়ি ঘর ডুবে না যায়। তবে গ্রামবাসীরা সকলে মিলে মাছ চাষ করেন বলে স্বীকার করেন ও তিনি।
 এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কার্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ওখানে তহশিলদার পাঠানো হয়েছিল। খালগুলির উপরে পূর্বে থেকেই বাঁধ ও রাস্তা  করা হয়েছে। বিকল্প ব্যাবস্থা না করে খাল উম্মুক্ত করা যাচ্ছে না। সরকারি খাস খাল দখল করে কাউকে মৎস্য চাষ করতে দেয়া হবে না। প্রবাহমান নদী ও খাল দখলকারীদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না নিশ্চিত করেন ওই কার্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ওই খাল দখল নিয়ে গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারী দৈনিক লোকসমাজ, সময় টিভি সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে কর্তৃপক্ষ জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু দখলবাজেরা আবারো দখল করে মাছ চাষ শুরু করেছে।