Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

কচুয়ায় সেই পেশেন্ট কেয়ারের ওটি রুম সিলগালা, জরিমানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:15:47 pm, Monday, 1 July 2024
  • 256 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় সেই পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অপারেশন থিযেটার সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত ক্লিনিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে । ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী জানান, ক্লিনিকের রেজিষ্টেশেন নবায়ন না থাকায় তাদের কে নগদ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অপারেশন থিয়েটার সিল গালা করা হয়েছে । তবে পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অন লাইনে আবেদন করেছে রেজিষ্টেশন নবায়ন করার জন্য বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ।
এদিকে আবাসিক ডাক্তার না থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে চিকিৎসাধীন প্রসূতী মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী বুধবার রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলেছে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আ, স, মোঃ মাহবুবুল আলম ।
উল্লেখ্য, কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সোনাকুড় গ্রামের বিলকিস বেগম (৩৫) নামে একজন গর্ভবতী মা গত ১৯জুন (বুধবার) সিজারের জন্য কচুয়ায় পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয় । সেখানে বাগেরহাট ২৫০ সজ্জ্বা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: অসীম কুমার সমদ্দার ও একই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: ইন্দ্রজিৎ বিকালে ঐ প্রসূতি মায়ের সিজার সম্পন্ন করে বাগেরহাটে ফিরে যায়। কিছু সময় পর প্রসূতি মায়ের রক্তক্ষরণ শুরু হলে ক্লিনিকে কোন দায়িত্ব প্রাপ্ত ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিকের ডিপ্লোমা নার্স সারমিন আক্তার তার চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে প্রসুতি মায়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় রাত সাড়ে ৯ টার পরে রোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে গিয়ে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হলে কিছু সময় পরেই রোগী মারা যায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

কচুয়ায় সেই পেশেন্ট কেয়ারের ওটি রুম সিলগালা, জরিমানা

আপডেট টাইম : 05:15:47 pm, Monday, 1 July 2024

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় সেই পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অপারেশন থিযেটার সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত ক্লিনিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে । ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী জানান, ক্লিনিকের রেজিষ্টেশেন নবায়ন না থাকায় তাদের কে নগদ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অপারেশন থিয়েটার সিল গালা করা হয়েছে । তবে পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অন লাইনে আবেদন করেছে রেজিষ্টেশন নবায়ন করার জন্য বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ।
এদিকে আবাসিক ডাক্তার না থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে চিকিৎসাধীন প্রসূতী মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী বুধবার রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলেছে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আ, স, মোঃ মাহবুবুল আলম ।
উল্লেখ্য, কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সোনাকুড় গ্রামের বিলকিস বেগম (৩৫) নামে একজন গর্ভবতী মা গত ১৯জুন (বুধবার) সিজারের জন্য কচুয়ায় পেশেন্ট কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয় । সেখানে বাগেরহাট ২৫০ সজ্জ্বা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: অসীম কুমার সমদ্দার ও একই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: ইন্দ্রজিৎ বিকালে ঐ প্রসূতি মায়ের সিজার সম্পন্ন করে বাগেরহাটে ফিরে যায়। কিছু সময় পর প্রসূতি মায়ের রক্তক্ষরণ শুরু হলে ক্লিনিকে কোন দায়িত্ব প্রাপ্ত ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিকের ডিপ্লোমা নার্স সারমিন আক্তার তার চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে প্রসুতি মায়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় রাত সাড়ে ৯ টার পরে রোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে গিয়ে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হলে কিছু সময় পরেই রোগী মারা যায়।