Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে বেড়েছে মাছ ও সবজির দাম, অপরিবর্তিত মাংসের দাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:42:27 pm, Friday, 5 July 2024
  • 173 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটে বেড়েছে সবধরণের মাছ ও সবজির দাম, অপরিবর্তিত রয়েছে গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের দাম। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) শহরের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের মাছের দাম তুলনামূলক বেড়েছে। তবে গরু, খাসি, মুরগি, ব্রয়লারের দাম আগের মতই আছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম আকার ও প্রকার ভেদে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবজির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।শুক্রবার (০৫ জুলাই) বাগেরহাটের বাজারে এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬‘শ থেকে ১৮শ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৮‘শ থেকে ১২শ টাকা, মেইদ প্রতিকেজি ৮‘শ থেকে ১২শ টাকা, জাবা ৩৫০ থেকে ৫‘শ, তুলার ডাটি ৪৫০, রুপ চাঁদা ১২শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে বাগেরহাটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছের দাম। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪শ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৪শ, পাতারি বা ভেটকি ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা। হরিনা চিংড়ি, চামি চিংড়ি, টেংড়া, ফাইস্যার দাম ছিল ৪শ থেকে ৫শ টাকা। বর্তমানে এসব মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮‘শ টাকা পর্যন্ত। অস্বচ্ছলদের পছন্দের মাছ বলে খ্যাত পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এদিকে বাগেরহাটের বাজারে গরুর গোশত ৭৫০, খাসি এক হাজার, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২২০ এবং সোনালী ৩০০ এবং দেশী ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব গোশতের দাম গেল একমাস আগেও এরকম ছিল।সরবরাহ কম থাকায়ে বেড়েছে সবজির দাম। আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫থেকে ৬০, বেগুন ১৬০থেকে ১৭০, টমেটো ১৫০থেকে ১৬০, করোললা ১০০, কাছা মরিচ ৩৫০থেকে ৪০০, লাউ ৪০-৬০, কচুর মুখী ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতিপিস ২০-৩০ টাকা থাকলেও, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। পুই শাক, লাল শাক, কমলি শাক, লাউ শাক প্রতিটি আটি আগে বিক্রি হতো ১০থেকে ১৫ টাকা-২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও, বর্তমানে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সব কিছুর দাম বড়লে হাতের নাগালে রয়েছে মিষ্টি কুমড়া ও পটল। মিস্টি কুমরা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০, এবং পটল, ২৫-৩৫ টাকা। সবকিছুর দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস। কম ক্রয় করে ব্যয় কমানেরা চেষ্টা করছেন তারা। মাছ ক্রেতা মো. আফজাল হোসেন বলেন, আমি মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। সন্তানদের মুখে আমিষ তুলে দেওয়ার জন্য পাঙ্গাস মাছ কিনি। কিন্তু সেই পাঙ্গাশ মাছের দামও বেড়েছে কেজিতে ৭০/৮০ টাকা। ১৮০টাকা কেজি দরের সিলভার কার্প মাছ আজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়।তেলাপিয়া ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এভাবে মাছের দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের কপালে আর আমিষ জুটবে না।মাছবিক্রেতা মো. বাবু বলেন, সাগরে মাছ ধরা বন্ধ তাই মাছের সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেড়েছে। সাগরে মাছ চলে আসলে, মাছের দাম অর্ধেকে নেমে আসবে।বাজার করতে আসা আলিফ বলেন, বাজারের সবকিছুর দাম দ্বিগুণ । মনুষের পকেটে টাকা নাই এই ভাবে সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলে আমাদের বেচে থাকা কষ্ট হয়ে যাবে। মাংস বিক্রেতা মোঃআব্দুল সালাম বলেন, মাংসের দাম বড়ে নাই। তবে ঈদের পরে বেচাকেনা অনেক কম । আগে দুইটি তিনটা গরু জবাই দিতাম এখন একটা জবাই দিয়ে থাকি তবুও চলে না। কারণ এখন মানুষের পকেটে টাকা নেই, আবার বৃষ্টির জন্য লোকজন আসে কম। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, নিয়মিত নিত্য প্রয়োজনীয় বজার মনিটরিং করছি । কোথাও অসংগতি পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে বেড়েছে মাছ ও সবজির দাম, অপরিবর্তিত মাংসের দাম

আপডেট টাইম : 07:42:27 pm, Friday, 5 July 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটে বেড়েছে সবধরণের মাছ ও সবজির দাম, অপরিবর্তিত রয়েছে গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের দাম। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) শহরের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের মাছের দাম তুলনামূলক বেড়েছে। তবে গরু, খাসি, মুরগি, ব্রয়লারের দাম আগের মতই আছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম আকার ও প্রকার ভেদে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবজির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।শুক্রবার (০৫ জুলাই) বাগেরহাটের বাজারে এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬‘শ থেকে ১৮শ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৮‘শ থেকে ১২শ টাকা, মেইদ প্রতিকেজি ৮‘শ থেকে ১২শ টাকা, জাবা ৩৫০ থেকে ৫‘শ, তুলার ডাটি ৪৫০, রুপ চাঁদা ১২শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে বাগেরহাটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছের দাম। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪শ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৪শ, পাতারি বা ভেটকি ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা। হরিনা চিংড়ি, চামি চিংড়ি, টেংড়া, ফাইস্যার দাম ছিল ৪শ থেকে ৫শ টাকা। বর্তমানে এসব মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮‘শ টাকা পর্যন্ত। অস্বচ্ছলদের পছন্দের মাছ বলে খ্যাত পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এদিকে বাগেরহাটের বাজারে গরুর গোশত ৭৫০, খাসি এক হাজার, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২২০ এবং সোনালী ৩০০ এবং দেশী ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব গোশতের দাম গেল একমাস আগেও এরকম ছিল।সরবরাহ কম থাকায়ে বেড়েছে সবজির দাম। আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫থেকে ৬০, বেগুন ১৬০থেকে ১৭০, টমেটো ১৫০থেকে ১৬০, করোললা ১০০, কাছা মরিচ ৩৫০থেকে ৪০০, লাউ ৪০-৬০, কচুর মুখী ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতিপিস ২০-৩০ টাকা থাকলেও, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। পুই শাক, লাল শাক, কমলি শাক, লাউ শাক প্রতিটি আটি আগে বিক্রি হতো ১০থেকে ১৫ টাকা-২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও, বর্তমানে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সব কিছুর দাম বড়লে হাতের নাগালে রয়েছে মিষ্টি কুমড়া ও পটল। মিস্টি কুমরা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০, এবং পটল, ২৫-৩৫ টাকা। সবকিছুর দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস। কম ক্রয় করে ব্যয় কমানেরা চেষ্টা করছেন তারা। মাছ ক্রেতা মো. আফজাল হোসেন বলেন, আমি মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। সন্তানদের মুখে আমিষ তুলে দেওয়ার জন্য পাঙ্গাস মাছ কিনি। কিন্তু সেই পাঙ্গাশ মাছের দামও বেড়েছে কেজিতে ৭০/৮০ টাকা। ১৮০টাকা কেজি দরের সিলভার কার্প মাছ আজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়।তেলাপিয়া ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এভাবে মাছের দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের কপালে আর আমিষ জুটবে না।মাছবিক্রেতা মো. বাবু বলেন, সাগরে মাছ ধরা বন্ধ তাই মাছের সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেড়েছে। সাগরে মাছ চলে আসলে, মাছের দাম অর্ধেকে নেমে আসবে।বাজার করতে আসা আলিফ বলেন, বাজারের সবকিছুর দাম দ্বিগুণ । মনুষের পকেটে টাকা নাই এই ভাবে সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলে আমাদের বেচে থাকা কষ্ট হয়ে যাবে। মাংস বিক্রেতা মোঃআব্দুল সালাম বলেন, মাংসের দাম বড়ে নাই। তবে ঈদের পরে বেচাকেনা অনেক কম । আগে দুইটি তিনটা গরু জবাই দিতাম এখন একটা জবাই দিয়ে থাকি তবুও চলে না। কারণ এখন মানুষের পকেটে টাকা নেই, আবার বৃষ্টির জন্য লোকজন আসে কম। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, নিয়মিত নিত্য প্রয়োজনীয় বজার মনিটরিং করছি । কোথাও অসংগতি পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।