Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে নৈশ প্রহরী নিয়োগে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ লেন-দেনের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:08:56 pm, Sunday, 28 July 2024
  • 264 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে নৈশ প্রহরী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে । এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রবিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন মোঃ আজগর মীর নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গেল ১৩ জুলাই তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজে নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় ও সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করে মোঃ রুবেল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এমনকি পরীক্ষার সময় মোঃ রুবেল মুন্সীকে ৮-১০টি প্রশ্নের উত্তর বলে দেন সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান। এর আগেও ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অফিস সহায়ক পদে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন অধ্যক্ষ ও সহকারি প্রধান শিক্ষক। যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ রয়েছে।অভিযোগকারী শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ আজগর মীর বলেন, আমার ছেলে মোঃ রাকিব মীরসহ আরও কয়েকজন নৈশপ্রহরী পদে আবেদন করেছিল। টাকার বিনিময়ে আমার ছেলেকেও নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল তারা। কিন্তু টাকা দিতে না পারায়, আমরা নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ পেতে মোঃ রুবেল মুন্সী নির্বাচন কমিশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের জন্মতারিখও পরিবর্তন করেছেন। জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী মোঃ রুবেল মুন্সী‘র আসল জন্মতারিখ ১৭ মে ১৯৮৫ ইং তারিখ। কিন্তু এই চাকুরী পেতে তিনি তার জন্মতারিখ পরিবর্তন করে ১৭ মে ১৯৯০ করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ আজগর মীর।
নিয়োগপ্রাপ্ত নৈশ প্রহরী মোঃ রুবেল মুন্সি বলেণ, নিয়োগের ক্ষেত্রে আমি কাউকে কোন টাকা পয়সা দি নাই। যারা নিয়োগ পায়নি, তারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ভুল থাকায় সংশোধন করা হয়েছে, শুধু আমার নয়, পরিবারের দুই-তিনজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম তারিখ সংশোধন করা হয়েছে।মোঃ আজগর মীরের অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় বলেন, নিয়ম মেনে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কোন প্রকার অনৈতিক লেনদেন হয় নাই। এর আগে অফিস সহায়ক নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন একই ধরণের অভিযোগ উঠেছিল এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, নিয়োগ হলেই অভিযোগ করার জন্য একটা শ্রেনি বসে থাকে। নিয়োগ পায় একজন, অন্য পরীক্ষার্থীরা থাকেন অভিযোগ করার জন্য।বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস.এম ছায়েদুর রহমান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে নৈশ প্রহরী নিয়োগে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ লেন-দেনের অভিযোগ

আপডেট টাইম : 07:08:56 pm, Sunday, 28 July 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে নৈশ প্রহরী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে । এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রবিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন মোঃ আজগর মীর নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গেল ১৩ জুলাই তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজে নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় ও সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করে মোঃ রুবেল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এমনকি পরীক্ষার সময় মোঃ রুবেল মুন্সীকে ৮-১০টি প্রশ্নের উত্তর বলে দেন সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান। এর আগেও ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অফিস সহায়ক পদে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন অধ্যক্ষ ও সহকারি প্রধান শিক্ষক। যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ রয়েছে।অভিযোগকারী শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ আজগর মীর বলেন, আমার ছেলে মোঃ রাকিব মীরসহ আরও কয়েকজন নৈশপ্রহরী পদে আবেদন করেছিল। টাকার বিনিময়ে আমার ছেলেকেও নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল তারা। কিন্তু টাকা দিতে না পারায়, আমরা নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, নৈশ প্রহরী হিসেবে নিয়োগ পেতে মোঃ রুবেল মুন্সী নির্বাচন কমিশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের জন্মতারিখও পরিবর্তন করেছেন। জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী মোঃ রুবেল মুন্সী‘র আসল জন্মতারিখ ১৭ মে ১৯৮৫ ইং তারিখ। কিন্তু এই চাকুরী পেতে তিনি তার জন্মতারিখ পরিবর্তন করে ১৭ মে ১৯৯০ করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ আজগর মীর।
নিয়োগপ্রাপ্ত নৈশ প্রহরী মোঃ রুবেল মুন্সি বলেণ, নিয়োগের ক্ষেত্রে আমি কাউকে কোন টাকা পয়সা দি নাই। যারা নিয়োগ পায়নি, তারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ভুল থাকায় সংশোধন করা হয়েছে, শুধু আমার নয়, পরিবারের দুই-তিনজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম তারিখ সংশোধন করা হয়েছে।মোঃ আজগর মীরের অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় বলেন, নিয়ম মেনে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কোন প্রকার অনৈতিক লেনদেন হয় নাই। এর আগে অফিস সহায়ক নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন একই ধরণের অভিযোগ উঠেছিল এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, নিয়োগ হলেই অভিযোগ করার জন্য একটা শ্রেনি বসে থাকে। নিয়োগ পায় একজন, অন্য পরীক্ষার্থীরা থাকেন অভিযোগ করার জন্য।বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস.এম ছায়েদুর রহমান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।