বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ডে মডেল মসজিদের সামনে কলেজ অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের মার্কেট বিএনপি নেতা কতৃক দখল করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । এ বিষয় প্রতিকার পেতে মরহুম (অবঃ)কলেজ অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের একমাত্র পুত্র শিক্ষানবিশ আইনজীবী মাহামুদুর হাসান শুভ বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে । লিখিত অভিযোগের বর্ণনামতে জনাযায়,৫আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দিন বিকাল আনুঃ ৬টা৩০ মিনিটে মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের বাস স্ট্যাণ্ডে মডেল মসজিদের সামনে এস,এম,সরকারি কলেজের (অবঃ)মরহুম কলেজ অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন তালুকদারের সরালিয়া ১১৫ নং মৌজার এস,এ ৬২৯ দাগ ৬৬৯ এর মধ্যে ৫৫ শতক পৈএিক জমির উপর অবস্থিত মার্কেটের নয়টি দোকান পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি আমীর আলী তালুকদার জোর করে দখল করে। ভাড়া দোকানদার জামাল চাপড়াশির পুত্র সজীব চাপড়াশি অভিযোগ করে বলেন,আমরা উক্ত জায়গায় প্রায় পনের বছর নয়জন দোকানদার কলেজ অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদার কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি।গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন বিকালে মোরেলগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদারের নির্দেশে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি সব কয়টি দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নিজেকে জমি ও দোকানের মালিক হিসাবে দাবি করেন। এদের মধ্যে ঘটনার দুই দিন পরে সাতজন দোকানদারের কাছ থেকে জোর করে সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নতুন করে দোকান ভাড়া দেয়। জামাল চাপড়াশি সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর না দেওযায় ১১ আগস্ট বিকালে থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদার মোরেলগঞ্জ আর,এম হাসপাতালের সামনে ডেকে নিয়ে বলেন,তোমরা যদি আমীর আলীর কাছ থেকে দোকান ভাড়া না নেও তাহলে আজকেই দোকানের মালামাল আমার বাসায় রেখে দোকান আমীর আলীকে দিয়ে দাও।এর পরে এ প্রস্তাবে জানাল চাপড়াশি রাজি না হওযায় ১৩ আগস্ট আমীর আলী তার দোকানের মালামাল সরিয়ে দোকান দখল করে নিয়ে বিএনপির নামে অফিস তৈরি করে। এ ঘটনার দুই দিন পরে দলীয় বিএনপির অফিস হয়ে যায় ঔষধের দোকান। এ বিষয় থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,দোকান দখলের বিষয় আমি শুনেছি আপনারা আমীর আলীকে একটু বলেন।পৌর বিএনপির আহবায়ক শিকদার ফরিদুল ইসলাম এর সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমীর আলী ও শাহাবুদ্দিন তালুকদারের সাথে পৈত্রিক সম্পএি নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং আপনারা এলাকায় আসলে সবই বুঝতে পারবেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তি যোদ্ধা চলাকালে দখলদার আমীর আলী মোড়ালগঞ্জে নিরহ মানুষ ধরে নিয়ে জবাই করে হত্যা করতো। এই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার নথিতে আমির আলীর নাম রাজাকার কসাই আমীর আলী রয়েছে। তিনি বর্তমানে উচ্চতর আদালত হতে যুদ্ধ অপরাধী মামলায় জামিনে রয়েছে। দোকান ঘর দখলের বিষয় আমির আলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,শাহাবুদ্দিন তালুকদারের মৃত্যুর পরে আমি তার দোকান সহ জমি দখল করে নিই এবং এই জমি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। যুদ্ধ অপরাধী মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমার নামে যুদ্ধ অপরাধী মামলা হয়েছে এটা সত্য তবে আমি মামলা জামিনে রয়েছি এই মামলা ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আমার নামে করা হয়েছে।এ বিষয় মরহুম অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন তালুকদারের একমাত্র পুত্র শিক্ষানবিশ আইনজীবী মাহামুদুর হাসান শুভ জানান,৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে আমীর আলী তালুকদার জোর করে আমাদের দোকান দখল করে নেয় এবং আমীর আলীর তার এই জমির সঠিক কোন কাগজপত্র নাই।তার কাছ থেকে আমাদের এক দোকানদার জামাল চাপরাসি দোকান নতুন করে ভাড়া না নেওয়া তাদেরকে বাড়ি ছাড়া করেছে এবং আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে।সোমবার সকালে আমীর আলী তালুকদার আমার স মিলের কর্মচারীদের জীবননাশের হুমকি দিয়ে ।আমি এ বিষয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















