Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

বাগেরহাটে বিধি বহির্ভূত ভাবে মাদ্রাসায় কামিল অনুমোদনের চেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:53:02 pm, Wednesday, 30 July 2025
  • 62 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিধি বহির্ভূত ভাবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিল পাঠদানের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান ফটক ও একাডেমিক ভবনে ‘কামিল হাদীস বিভাগ স্নাতকোত্তর মাদ্রাসা’র সাইবোর্ড লাগানো হয়েছে। একই সাথে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানাগেছে। কিন্তু অত্র মাদ্রসার কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদনে ভুয়া তথ্য দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর কয়েক দফায় লিখিত অভিযোগ করেছে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ৪টি কামিল মাদ্রাসা থাকার কথা থাকলেও বাগেরহাটের ইতিমধ্যে ৫টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। সেখানে অন্য আর একটির অনুমোদন হওয়া সম্ভব নয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ১.১ সংবিধির স্পষ্ট লংঘন করে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার মাত্র ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদন নেয়া হচ্ছে। দুরত্তের বিষয়টি বাগেরহাটের জেলা শিক্ষা অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রত্যায়ন করেছেন। যেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় মাদ্রাসা অনুমোদনের কোন সুযোগ নেই। উক্ত বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে জমির পরিমান, গ্রন্থাগার, ভৌত অবকাঠামো, আর্থিক ফান্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়।এবিষয়ে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সেই নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ন জালিয়াতির মাধ্যমে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাক্ষরিত প্রমানপত্র ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর দাখিল করা হয়েছে।বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাশুকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। এবিষয়ে ইসলমি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, এধরনের কাজ করলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

বাগেরহাটে বিধি বহির্ভূত ভাবে মাদ্রাসায় কামিল অনুমোদনের চেষ্টা

আপডেট টাইম : 07:53:02 pm, Wednesday, 30 July 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিধি বহির্ভূত ভাবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিল পাঠদানের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান ফটক ও একাডেমিক ভবনে ‘কামিল হাদীস বিভাগ স্নাতকোত্তর মাদ্রাসা’র সাইবোর্ড লাগানো হয়েছে। একই সাথে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানাগেছে। কিন্তু অত্র মাদ্রসার কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদনে ভুয়া তথ্য দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর কয়েক দফায় লিখিত অভিযোগ করেছে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ৪টি কামিল মাদ্রাসা থাকার কথা থাকলেও বাগেরহাটের ইতিমধ্যে ৫টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। সেখানে অন্য আর একটির অনুমোদন হওয়া সম্ভব নয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ১.১ সংবিধির স্পষ্ট লংঘন করে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার মাত্র ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদন নেয়া হচ্ছে। দুরত্তের বিষয়টি বাগেরহাটের জেলা শিক্ষা অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রত্যায়ন করেছেন। যেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় মাদ্রাসা অনুমোদনের কোন সুযোগ নেই। উক্ত বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে জমির পরিমান, গ্রন্থাগার, ভৌত অবকাঠামো, আর্থিক ফান্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়।এবিষয়ে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সেই নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ন জালিয়াতির মাধ্যমে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাক্ষরিত প্রমানপত্র ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর দাখিল করা হয়েছে।বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাশুকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। এবিষয়ে ইসলমি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, এধরনের কাজ করলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।