Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না          —–ডা. শফিকুর রহমান জায়গার সংকট, আগাছা-জঙ্গলে বেহাল বাগেরহাটের বড় কবরস্থান, দাফনেও ভোগান্তি বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ৩০ অক্টোবর থেকে দুবলার চরে শুঁটকি উৎসব, জীবিকার সন্ধানে সাগরে নামছেন হাজারো জেলে বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ও কার্যক্রম মূল্যায়নর কর্মশালা অনুষ্ঠিত  ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, বাগেরহাটে কাটাখালীতে পথসভা পল্টন ট্র্যাজেডিতে শহীদদের স্মরণে বাগেরহাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কুপিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

বাগেরহাটে বিধি বহির্ভূত ভাবে মাদ্রাসায় কামিল অনুমোদনের চেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:53:02 pm, Wednesday, 30 July 2025
  • 72 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিধি বহির্ভূত ভাবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিল পাঠদানের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান ফটক ও একাডেমিক ভবনে ‘কামিল হাদীস বিভাগ স্নাতকোত্তর মাদ্রাসা’র সাইবোর্ড লাগানো হয়েছে। একই সাথে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানাগেছে। কিন্তু অত্র মাদ্রসার কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদনে ভুয়া তথ্য দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর কয়েক দফায় লিখিত অভিযোগ করেছে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ৪টি কামিল মাদ্রাসা থাকার কথা থাকলেও বাগেরহাটের ইতিমধ্যে ৫টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। সেখানে অন্য আর একটির অনুমোদন হওয়া সম্ভব নয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ১.১ সংবিধির স্পষ্ট লংঘন করে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার মাত্র ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদন নেয়া হচ্ছে। দুরত্তের বিষয়টি বাগেরহাটের জেলা শিক্ষা অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রত্যায়ন করেছেন। যেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় মাদ্রাসা অনুমোদনের কোন সুযোগ নেই। উক্ত বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে জমির পরিমান, গ্রন্থাগার, ভৌত অবকাঠামো, আর্থিক ফান্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়।এবিষয়ে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সেই নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ন জালিয়াতির মাধ্যমে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাক্ষরিত প্রমানপত্র ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর দাখিল করা হয়েছে।বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাশুকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। এবিষয়ে ইসলমি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, এধরনের কাজ করলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে বিধি বহির্ভূত ভাবে মাদ্রাসায় কামিল অনুমোদনের চেষ্টা

আপডেট টাইম : 07:53:02 pm, Wednesday, 30 July 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিধি বহির্ভূত ভাবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিল পাঠদানের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান ফটক ও একাডেমিক ভবনে ‘কামিল হাদীস বিভাগ স্নাতকোত্তর মাদ্রাসা’র সাইবোর্ড লাগানো হয়েছে। একই সাথে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে আসবেন বলে জানাগেছে। কিন্তু অত্র মাদ্রসার কামিল পাঠদানের অনুমোদনের জন্য আবেদনে ভুয়া তথ্য দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর কয়েক দফায় লিখিত অভিযোগ করেছে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান।লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ৪টি কামিল মাদ্রাসা থাকার কথা থাকলেও বাগেরহাটের ইতিমধ্যে ৫টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। সেখানে অন্য আর একটির অনুমোদন হওয়া সম্ভব নয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ১.১ সংবিধির স্পষ্ট লংঘন করে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার মাত্র ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদন নেয়া হচ্ছে। দুরত্তের বিষয়টি বাগেরহাটের জেলা শিক্ষা অফিস ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রত্যায়ন করেছেন। যেখানে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় মাদ্রাসা অনুমোদনের কোন সুযোগ নেই। উক্ত বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে জমির পরিমান, গ্রন্থাগার, ভৌত অবকাঠামো, আর্থিক ফান্ড, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যার যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়।এবিষয়ে শৈলদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সেই নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ন জালিয়াতির মাধ্যমে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় কামিলের অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাক্ষরিত প্রমানপত্র ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর দাখিল করা হয়েছে।বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাশুকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। এবিষয়ে ইসলমি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, এধরনের কাজ করলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।