Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

সড়ক আছে, ইট নেই : ১৮ বছর দুর্ভোগে শেখেরকিল্লা ঘোনা গ্রামের মানুষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:00:34 pm, Tuesday, 23 September 2025
  • 55 বার

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার মানুষদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়ক। বর্তমানে পুরো সড়কজুড়ে কাদা আর খানাখন্দের ভরপুর। একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে গিয়ে মিনি পুকুরে রূপান্তর হয়। দেড় যুগ ধরে সড়কটির উন্নয়নে নজর পড়েনি কোনো দফতরের।গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়ক আছে দেড় কিলোমিটার কিন্তু সামান্য জায়গায় ইটও আছে। বাকী জায়গাজুড়ে খানাখন্দের ভরপুর। মানুষ চলাচল করতে হিমসিম খাচ্ছে। রাস্তার উপর বালুর বস্তা দিয়ে কোনরকম চলাচল করছে। ওইদিক থেকে একজন আসলে এদিক থেকে যাওয়া যায় না অপেক্ষা করতে হয়। তাছাড়া পাশের জমির সাথে মিশে যাচ্ছে সড়কটি। অনেক জায়গায় পাশের ডোবা নালা থেকে কচুরি পনা এসে সড়কের উপর জমা হয়েছে। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা হেঁটে চলাও কষ্ট সাধ্য হয়ে গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা কাইম জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটির আংশিক উন্নয়ন করে। এরপর আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মাটি ফেলা হলেও তা বর্ষায় ধুয়ে গিয়ে কাদা হয়ে গেছে।এই সড়ক দিয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন, শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার লোকজনসহ পেকুয়া সরকারি জি এম সি ইনষ্টটিউশন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীরা যাওয়া আসা করে। তাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদের।মিজান জানান, এ সড়কটি সামন্য জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ইট দিয়ে সংস্কার করছিলেন এবং তাহার আগে ২০০৩ সালে ইউপির বরাদ্দ থেকে ও সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পুরো সড়কটি করা হচ্ছে না।এ ব্যাপারে ৪’৫’৬নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য জায়তুনেচ্ছা বিজু বলেন, এ সড়কের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয় কে অবগত করেছি। তিনি পরিষদ থেকে বরাদ্দ দিলে কাজ শুরু করতে পারবো।এ বিষয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওনার মুঠোফোনে কল করলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, এলাকাবাসী আবেদন করলে তা আগামীতে প্রকল্প আসলে রাস্তাটি উন্নয়ন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

সড়ক আছে, ইট নেই : ১৮ বছর দুর্ভোগে শেখেরকিল্লা ঘোনা গ্রামের মানুষ

আপডেট টাইম : 07:00:34 pm, Tuesday, 23 September 2025

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার মানুষদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়ক। বর্তমানে পুরো সড়কজুড়ে কাদা আর খানাখন্দের ভরপুর। একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে গিয়ে মিনি পুকুরে রূপান্তর হয়। দেড় যুগ ধরে সড়কটির উন্নয়নে নজর পড়েনি কোনো দফতরের।গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়ক আছে দেড় কিলোমিটার কিন্তু সামান্য জায়গায় ইটও আছে। বাকী জায়গাজুড়ে খানাখন্দের ভরপুর। মানুষ চলাচল করতে হিমসিম খাচ্ছে। রাস্তার উপর বালুর বস্তা দিয়ে কোনরকম চলাচল করছে। ওইদিক থেকে একজন আসলে এদিক থেকে যাওয়া যায় না অপেক্ষা করতে হয়। তাছাড়া পাশের জমির সাথে মিশে যাচ্ছে সড়কটি। অনেক জায়গায় পাশের ডোবা নালা থেকে কচুরি পনা এসে সড়কের উপর জমা হয়েছে। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা হেঁটে চলাও কষ্ট সাধ্য হয়ে গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা কাইম জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটির আংশিক উন্নয়ন করে। এরপর আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মাটি ফেলা হলেও তা বর্ষায় ধুয়ে গিয়ে কাদা হয়ে গেছে।এই সড়ক দিয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন, শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার লোকজনসহ পেকুয়া সরকারি জি এম সি ইনষ্টটিউশন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীরা যাওয়া আসা করে। তাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদের।মিজান জানান, এ সড়কটি সামন্য জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ইট দিয়ে সংস্কার করছিলেন এবং তাহার আগে ২০০৩ সালে ইউপির বরাদ্দ থেকে ও সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পুরো সড়কটি করা হচ্ছে না।এ ব্যাপারে ৪’৫’৬নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য জায়তুনেচ্ছা বিজু বলেন, এ সড়কের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয় কে অবগত করেছি। তিনি পরিষদ থেকে বরাদ্দ দিলে কাজ শুরু করতে পারবো।এ বিষয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওনার মুঠোফোনে কল করলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, এলাকাবাসী আবেদন করলে তা আগামীতে প্রকল্প আসলে রাস্তাটি উন্নয়ন করা হবে।