Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

নন্দীগ্রামে অসময়ের বৃষ্টিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি, রবি শস্য চাষ নিয়ে কৃষকদের শঙ্কা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:36:47 pm, Saturday, 1 November 2025
  • 52 বার
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বগুড়ার নন্দীগ্রামে টানা চারদিনের বৃষ্টি ও বাতাসে চলতি মৌসুমের আমন ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুর থেকে শুরু হয় এই বৃষ্টি। পাকা ও আধাপাকা ধান ঘরে তোলার আগমুহূর্তে ধান নুয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া রবি মৌসুমে আলু ও সরিষাসহ অন্যান্য ফসল চাষের জন্য কৃষক যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলো তা এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। নুয়ে পড়া ধান ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে যতো তারাতাড়ি সম্ভব জমি থেকে পানি বের করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস। উপজেলা কৃষি অফিস আরো জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলায় এখন পর্যন্ত ৩০ হেক্টর জমির ধান নুয়ে পড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে এ উপজেলায় ১৯ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এর চেয়েও বেশি জমিতে আমন ধান চাষাবাদ হয়েছে। এ উপজেলায় রবি মৌসুমে ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু, ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষা, ৪৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ ও ২৮০ হেক্টর জমিতে অন্যান্য শাকসবজি চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।উপজেলার হাটলাল গ্রামের আদর্শ কৃষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, এখন ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময়। পাকা ধানের জমিতে পানি জমে শীষ ভিজে গেছে। এতে ধানের ফলন কমে যেতে পারে। চারদিনের বৃষ্টিতে পাকা ধান শুয়ে পড়ে ক্ষতি শুরু হয়েছে। এর ওপর আরো বৃষ্টি হলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হতে থাকবে।দোহার গ্রামের কৃষক কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, আমার আট বিঘা জমির ধান পেকে গেছে। বৃষ্টিতে ধান শুয়ে পড়েছে। জমিতে প্রায় হাঁটু পানি জমে আছে। ভাবছিলাম দুই বিঘা জমিতে আলু ও পাঁচ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করবো। এখন জমিতে যে পানি বেঁধে গেছে তাতে মনে হয় না রবি শস্য করা সম্ভব হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, যে জমির ধান নুয়ে পড়েছে সে জমির পানি যতো তারাতাড়ি সম্ভব বের করে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সম্ভব হলে চার-পাঁচটি গোছা একত্রিত করে বেঁধে দিতে হবে। বৃষ্টি যদি আর না হয় তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

নন্দীগ্রামে অসময়ের বৃষ্টিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি, রবি শস্য চাষ নিয়ে কৃষকদের শঙ্কা

আপডেট টাইম : 07:36:47 pm, Saturday, 1 November 2025
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বগুড়ার নন্দীগ্রামে টানা চারদিনের বৃষ্টি ও বাতাসে চলতি মৌসুমের আমন ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুর থেকে শুরু হয় এই বৃষ্টি। পাকা ও আধাপাকা ধান ঘরে তোলার আগমুহূর্তে ধান নুয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া রবি মৌসুমে আলু ও সরিষাসহ অন্যান্য ফসল চাষের জন্য কৃষক যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলো তা এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। নুয়ে পড়া ধান ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে যতো তারাতাড়ি সম্ভব জমি থেকে পানি বের করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস। উপজেলা কৃষি অফিস আরো জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলায় এখন পর্যন্ত ৩০ হেক্টর জমির ধান নুয়ে পড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে এ উপজেলায় ১৯ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এর চেয়েও বেশি জমিতে আমন ধান চাষাবাদ হয়েছে। এ উপজেলায় রবি মৌসুমে ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু, ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষা, ৪৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ ও ২৮০ হেক্টর জমিতে অন্যান্য শাকসবজি চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।উপজেলার হাটলাল গ্রামের আদর্শ কৃষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, এখন ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময়। পাকা ধানের জমিতে পানি জমে শীষ ভিজে গেছে। এতে ধানের ফলন কমে যেতে পারে। চারদিনের বৃষ্টিতে পাকা ধান শুয়ে পড়ে ক্ষতি শুরু হয়েছে। এর ওপর আরো বৃষ্টি হলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হতে থাকবে।দোহার গ্রামের কৃষক কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, আমার আট বিঘা জমির ধান পেকে গেছে। বৃষ্টিতে ধান শুয়ে পড়েছে। জমিতে প্রায় হাঁটু পানি জমে আছে। ভাবছিলাম দুই বিঘা জমিতে আলু ও পাঁচ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করবো। এখন জমিতে যে পানি বেঁধে গেছে তাতে মনে হয় না রবি শস্য করা সম্ভব হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, যে জমির ধান নুয়ে পড়েছে সে জমির পানি যতো তারাতাড়ি সম্ভব বের করে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সম্ভব হলে চার-পাঁচটি গোছা একত্রিত করে বেঁধে দিতে হবে। বৃষ্টি যদি আর না হয় তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।