Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,
চট্টগ্রামে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদ গোপনের অভিযোগে এবিএম সাহাদাৎ হোসেন মজুমদার (৬২) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযোগে তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চট্টগ্রামে এএসপি দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 10:40:20 pm, Sunday, 7 May 2023
  • 295 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক

রোববার (৭ মে) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক এনামুল হক বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।অভিযুক্ত এবিএম সাহাদাৎ চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সাবেক পেট্রোল পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের আগে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট এলাকায়। তার বাবার নাম মোশারফ হোসেন মজুমদার। তবে এবিএম সাহাদাৎ নগরের পাহাড়তলীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় থাকেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত এবিএম সাহাদাৎ হোসেন অবৈধভাবে ৬৮ লাখ ১৮ হাজার ২৮৭ টাকা উপার্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫২২ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন করেন। আবার সাহাদাৎ হোসেনের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা চৌধুরী অবৈধভাবে ৭৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৪৮ টাকা উপার্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় এবং দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ২৭ লাখ ১ হাজার ৮০৪ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন করেন।দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত ঢাকা পোস্টকে বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম সাহাদাৎ হোসেন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের জন্য গত ১৭ এপ্রিল দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

চট্টগ্রামে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদ গোপনের অভিযোগে এবিএম সাহাদাৎ হোসেন মজুমদার (৬২) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযোগে তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চট্টগ্রামে এএসপি দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

আপডেট টাইম : 10:40:20 pm, Sunday, 7 May 2023

নিজস্ব প্রতিবেদক

রোববার (৭ মে) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক এনামুল হক বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।অভিযুক্ত এবিএম সাহাদাৎ চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সাবেক পেট্রোল পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের আগে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট এলাকায়। তার বাবার নাম মোশারফ হোসেন মজুমদার। তবে এবিএম সাহাদাৎ নগরের পাহাড়তলীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় থাকেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত এবিএম সাহাদাৎ হোসেন অবৈধভাবে ৬৮ লাখ ১৮ হাজার ২৮৭ টাকা উপার্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫২২ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন করেন। আবার সাহাদাৎ হোসেনের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা চৌধুরী অবৈধভাবে ৭৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৪৮ টাকা উপার্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় এবং দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ২৭ লাখ ১ হাজার ৮০৪ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন করেন।দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত ঢাকা পোস্টকে বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম সাহাদাৎ হোসেন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের জন্য গত ১৭ এপ্রিল দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে।