Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

বাগেরহাটে দুই অনলাইন জুয়াড়িকে আটক করেছে সিআইডি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 11:09:36 pm, Thursday, 8 June 2023
  • 184 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের রামপালে অনলাইন জুয়া খেলা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া অবৈধ লেনদেনের অপরাধে দুই জুয়ারিকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার (০৭ জুন) সন্ধ্যায় রামপাল উপজেলার চাকশ্রী ও কুমলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি মুঠোফোন ও একটি কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে।আটককৃতরা হলেন, রামপাল উপজেলার ব্রিচাকশ্রী এলাকার মৃত সৈয়দ মুনতাজ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহাগ হোসেন (২৯) এবং কুমলাই এলাকার শেখ আলী আকবরের ছেলে শেখ রিপন উদ্দিন (৩০)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ৩০(২)/৩৫ ধারায় মামলা রামপাল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।
বৃহস্পতিবার (০৮ জুন) দুপুরে সিআইডি’বাগেরহাট কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সৈয়দ সোহাগ হোসেন ও শেখ রিপন উদ্দিন নামের দুই অনলাইন জুয়ারিকে আটক করা হয়েছে। এরা কম্পিউপটার ও মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইনে বিপুল অংকের লেনদেন করে আসছিল। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে তারা এলাকার সাধারণ মানুষ, উঠতি বয়সী তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের বিপথে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের মুঠোফোন ও কম্পিউটারে বিপুল অংকের অবৈধ লেনদেনের প্রদান পাওয়া গেছে।
অনলাইনে লেনদেনের টাকা দেশের বাইরে পাচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু বলেন, তারা কত টাকা লেনদেন করেছে এবং এই টাকা আসলে কোথায় গেছে এটা জানার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হবে। বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন পেলে তাদের আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য ও টাকা কোন খাতে ব্যবহৃত হয়েছে বা এই টাকা কোন ভাবে পাচার হয়েছে কি না তা জানা যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

বাগেরহাটে দুই অনলাইন জুয়াড়িকে আটক করেছে সিআইডি

আপডেট টাইম : 11:09:36 pm, Thursday, 8 June 2023

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের রামপালে অনলাইন জুয়া খেলা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া অবৈধ লেনদেনের অপরাধে দুই জুয়ারিকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার (০৭ জুন) সন্ধ্যায় রামপাল উপজেলার চাকশ্রী ও কুমলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি মুঠোফোন ও একটি কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে।আটককৃতরা হলেন, রামপাল উপজেলার ব্রিচাকশ্রী এলাকার মৃত সৈয়দ মুনতাজ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহাগ হোসেন (২৯) এবং কুমলাই এলাকার শেখ আলী আকবরের ছেলে শেখ রিপন উদ্দিন (৩০)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ৩০(২)/৩৫ ধারায় মামলা রামপাল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।
বৃহস্পতিবার (০৮ জুন) দুপুরে সিআইডি’বাগেরহাট কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সৈয়দ সোহাগ হোসেন ও শেখ রিপন উদ্দিন নামের দুই অনলাইন জুয়ারিকে আটক করা হয়েছে। এরা কম্পিউপটার ও মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইনে বিপুল অংকের লেনদেন করে আসছিল। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে তারা এলাকার সাধারণ মানুষ, উঠতি বয়সী তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের বিপথে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের মুঠোফোন ও কম্পিউটারে বিপুল অংকের অবৈধ লেনদেনের প্রদান পাওয়া গেছে।
অনলাইনে লেনদেনের টাকা দেশের বাইরে পাচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু বলেন, তারা কত টাকা লেনদেন করেছে এবং এই টাকা আসলে কোথায় গেছে এটা জানার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হবে। বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন পেলে তাদের আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য ও টাকা কোন খাতে ব্যবহৃত হয়েছে বা এই টাকা কোন ভাবে পাচার হয়েছে কি না তা জানা যাবে।