Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,
প্রত্যেক বছর কেবল মাদকের কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা (৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পাচার হয়ে যায়। অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ পাচারে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:45:25 pm, Sunday, 11 June 2023
  • 297 বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।আঙ্কটাডের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বার্ষিক গড়ে ৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাহ্যিক অবৈধ অর্থপ্রবাহ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেথামফেটামিন ট্যাবলেট, হেরোইন, বুপ্রেনরফিন এবং ফেনসিডিল বেচাকেনার মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের (ইউএনওডিসি) সহায়তায় আঙ্কটাড এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তবে এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা টাকার হিসাব অনুমানভিত্তিক বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯টি দেশের মাদক সংক্রান্ত অবৈধ অর্থপ্রবাহের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। অন্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মালদ্বীপ, মেক্সিকো, মিয়ানমার, নেপাল ও পেরু।কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশের ভেতরে চোরাচালান করা মাদকের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ উদ্ধার করা হয়। ফলে উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য পাঁচগুণ বাড়িয়ে অর্থপাচারের হিসাব করেছে ইউএনওডিসি। তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েই মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচারের অনুমানভিত্তিক এই হিসাব করেছে আঙ্কটাড।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। অন্যদিকে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাদকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে। তালিকায় এশিয়ার পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পরই রয়েছে মালদ্বীপ (দ্বিতীয়) ও নেপাল (তৃতীয়)। আর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান এবং মিয়ানমার।আঙ্কটাড বলছে, অবৈধ মাদকের অর্থপ্রবাহের হিসাবে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে মেক্সিকো। এরপরে রয়েছে যথাক্রমে কলম্বিয়া (দ্বিতীয়), ইকুয়েডর (তৃতীয়), পেরু (চতুর্থ) এবং বাংলাদেশ (পঞ্চম)।জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক এই সংস্থা বলেছে, ইয়াবা, হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে ঢুকছে। এর ফলে মাদক কেনার অর্থ দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

প্রত্যেক বছর কেবল মাদকের কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা (৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পাচার হয়ে যায়। অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ পাচারে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : 07:45:25 pm, Sunday, 11 June 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।আঙ্কটাডের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বার্ষিক গড়ে ৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাহ্যিক অবৈধ অর্থপ্রবাহ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেথামফেটামিন ট্যাবলেট, হেরোইন, বুপ্রেনরফিন এবং ফেনসিডিল বেচাকেনার মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের (ইউএনওডিসি) সহায়তায় আঙ্কটাড এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তবে এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা টাকার হিসাব অনুমানভিত্তিক বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯টি দেশের মাদক সংক্রান্ত অবৈধ অর্থপ্রবাহের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। অন্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মালদ্বীপ, মেক্সিকো, মিয়ানমার, নেপাল ও পেরু।কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশের ভেতরে চোরাচালান করা মাদকের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ উদ্ধার করা হয়। ফলে উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য পাঁচগুণ বাড়িয়ে অর্থপাচারের হিসাব করেছে ইউএনওডিসি। তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েই মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচারের অনুমানভিত্তিক এই হিসাব করেছে আঙ্কটাড।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। অন্যদিকে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাদকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে। তালিকায় এশিয়ার পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পরই রয়েছে মালদ্বীপ (দ্বিতীয়) ও নেপাল (তৃতীয়)। আর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান এবং মিয়ানমার।আঙ্কটাড বলছে, অবৈধ মাদকের অর্থপ্রবাহের হিসাবে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে মেক্সিকো। এরপরে রয়েছে যথাক্রমে কলম্বিয়া (দ্বিতীয়), ইকুয়েডর (তৃতীয়), পেরু (চতুর্থ) এবং বাংলাদেশ (পঞ্চম)।জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক এই সংস্থা বলেছে, ইয়াবা, হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে ঢুকছে। এর ফলে মাদক কেনার অর্থ দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে।