নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
পুরাকীর্তির খোজে বাগেরহাটের ফকিরহাট ও মোল্লাহাট উপজেলায়
প্রতœতাত্তি¡ক জরিপ ও অনুসন্ধান কাজ শুরু করেছে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর। রবিবার
(২২ অক্টোবর) সকালে ফকিরহাটের পিলজংগ প্রাচীন জোড়া শিবমন্দির চত্ত¡রে এই
কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ।
এসময়, প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী
ইয়াসমিন, খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মো. গোলাম ফেরদৌস, বাগেরহাট
জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদসহ জরিপ কাজে অংশগ্রহনকারীরা উপস্থিত
ছিলেন। ফকিরহাট ও মোল্লাহাট উপজেলায় প্রতœতাত্তি¡ক জরিপ ও অনুসন্ধান
কাজে প্রত্নতাত্ত্বিকঅধিদপ্তরের ৯ সদস্যের দল অংশগ্রহন করেছে।
প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায়, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে বাগেরহাট জেলায়
প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়। এরই মধ্যে জেলার বাগেরহাট
সদর, রামপাল, মোরেলগঞ্জ উপজেলায় প্রতœতাত্তি¡ক জরিপ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম
সম্পন্ন হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে ফকিরহাট ও মোল্লারহাট
উপজেলায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে বাগেরহাটে ঐতিহাসিক
ষাটগম্বুজ মসজিদ, হযরত খান জাহান (রহ.) এর মাজার, খান জাহান নির্মিত
প্রাচীন সড়ক, চুনখোলা মসজিদ, সিঙ্গাইর, রণবিজয়পুর (দরিয়া খাঁ), নয়
গম্বুজ, দশ গম্বুজ, রেজাখোদা মসজিদসহ ১৭টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে।
১৯৮৩ সালে এসব স্থাপনাকে ইউনেস্কো ৩৯;ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট্ ৩৯;
হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত করে।
স্বপ্রতি প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ১৬৩টি নতুন
প্রত্নটি, দিঘি, পাথরখন্ড, প্রাচীন কবর ও জমিদার বাড়ির সন্ধান মিলেছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর, বাগেরহাটের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদ বলেন, প্রন্ত
নিদর্শনের দিক দিয়ে বাগেরহাট অত্যান্ত সমৃদ্ধ একটি জেলা। এখানের অনেক
ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শণ এখনো লোকচক্ষুর আড়াতে। তা খুঁজে বের করা
এবং গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতেই এই কার্যক্রম।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















