বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে গৃহপরিচারক ও গৃহপরিচারিকাদের বিরুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলার রহমানকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও জীবন নাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমনকি সংবাদকর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধার নামে হয়রানিমূলক সংবাদও প্রকাশ করিয়েছেন।
অভিযোগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলার রহমান ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার কুচিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মান্নান মোল্লার ছেলে। তিনি বর্তমানে বাগেরহাট সদর উপজেলার রাধাবল্লব এলাকায় বসবাস করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলার রহমান বলেন, গেল ৭-৮ বছর আগে আলফাডাঙ্গা এলাকার টেগরডাঙ্গা গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে নুরুজ্মান আমার ঢাকার বাসায় কাজ করত। নুরুজ্জামানের মাধ্যমে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার উত্তর চিংড়াখালী গ্রামের মৃত হেমায়েত হোসেনে মেয়ে জাহানারা ওরফে বেবি আমার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতে আসেন। পরে বেবির বোন মনোয়ারাও আমার বাসায় মাসে অন্তত ১৫ দিন কাজ করত। আমি অফিসের কাজে বাইরে থাকায় নুরুজ্জামান ও জাহানারা মিলে আমার আলমিরার তালা ভেঙ্গে আমার স্ত্রীর গহনা ও টাকা পয়সা চুরি করে। এই টাকা দিয়ে নুরুজ্জামানের সহযোগীতায় জাহানারা ও মনোয়ারা বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেছে। আমি টাকা ফেরত চাইলে তারা আমাকে গালিগালাজ করে। পরে আমি জানতে পারি জাহানারা ও মনোয়ারা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। নিজের স্বামীর করা একটি মামলায় জাহানারা বেবি দুই মাস জেলও খেটেছে। পরবর্তীতে আমার বাসা থেকে চুরি করা টাকা দিয়ে জাহানারা খুলনার জিরোপয়েন্টের সামনে হোগলডাঙ্গায় সাড়ে সাত কাঠা জমি ক্রয় করে টিনের ঘর তুলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্ত্রী ঢাকার বাসায় যখন অসুস্থ্য ছিলেন তখন জাহানারা, মনোয়ারা ও নুরুজ্জমান তিনজনই আমার বাসায় ছিল। জাহানারা, মনোয়ারা ও নুরুজ্জমান তিনজনই একে অপরের সহযোগিতায় বিভিন্ন ধরণের অপকর্ম করে আসছে। পরবর্তীতে তারা তিনজন মিলে বিভিন্ন সময় আমার কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে আমাকে মারপিট করবে, নারী নির্যাতনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনায় বাগেরহাট মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীও করেছি। পরে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলাও করি। ওই মামলায় তারা জেল হাজতে যায়। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসে তারা আমাকে ভীয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমনকি তারা আমাকে হেয় প্রতিপন্য করার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেছে। যা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। এই অবস্থায় তাদের প্রতারণা ও অন্যায়ের বিচার দাবি করেন এই মুক্তিযোদ্ধা।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান বলেন, ফজলার রহমানের সকল অভিযোগ মিথ্যা। তিনি নিজেই নানা সমস্যায় যুক্ত। এসব সমস্যাকে ঢাকার জন্য আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















