বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোংলায় ভুয়া দলিলের আসামীদের ধরিয়ে দিতে গিয়ে নিজেই
আসামী হলেন মোংলা পৌরসভার ৭,৮,৯ নং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শিউলি
আক্তারকে। আর মামলার বাদী মোংলা উপজেলার সাব রেজিষ্টার স্বপন কুমার দে নিজেই
জানেন না কিভাবে শিউলি আক্তারকে আসামী করা হলো। এ ঘটনায় মোংলা
উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে
ভুক্তভোগী মহিলা কাউন্সিলর শিউলি আক্তার জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের
করেছেন।
অভিযোগে শিউলি আক্তার জানান, গত ২৮ মার্চ জনপ্রতিনিধি হিসাবে ভুয়া
দলিল সম্পর্কে সাব-রেজিস্ট্রারকে অবগত করে ০৩ জন অপরাধীকে ধরতে সহায়তা
করেছি। অতপর আমাকে থানায় স্বাক্ষী হিসাবে থাকার জন্য বলা হয়। আমি ও স্বাক্ষী
হিসাবে যাই, পরবর্তীতে গিয়ে দেখি আমার নামেই মামলা করা হয়েছে। আমি
সাব রেজিস্ট্রারকে আমার মামলা সম্পর্কে জানতে চ্ধাসঢ়;ইলে সাব রেজিষ্টার জানান
এই ভুয়া দলিলের আসামীদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য একমাত্র অবদান আপনারই। কিভাবে আমার নামে মামলা হয়েছে তা জানতে চাইলে বাদী স্বপন কুমার দে স্বয়ং নিজেই
জ্ঞাত নয় বলে আমাকে জানিয়েছেন।তিনি বলেন, সম্পূর্ন পরিকল্পিতভাবে আমাকে হয়রানি ও মানসম্মান ক্ষীন করতে এ ধরনের কাজ করেছে। এ ঘটনার সাথে যারা যারা সর্ম্পৃক্ত আমি প্রত্যেকের বিচার চাই।উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ জাল দলিলের অপরাধে ৭জনকে আসামী করে মোংলা থানায় মামলা করেন সাব রেজিষ্টার স্বপন কুমার দে। এ মামলায় শিউলি আক্তারকে ০৬ নং আসামী করা হয়। এ ঘটনায় ০৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত মামলায় শিউলি আক্তার জামিনে রয়েছেন।
এ ঘটনায় মামলার বাদী সাব রেজিষ্টার স্বপন কুমার দে জানান, জাল দলিলের অপরাধে
আসামীদের ধরতে শিউলি আক্তার সহায়তা করছেন। মামলার দিন চিকিৎসার জন্য
ঢাকায় যাওয়ার জন্য আমার ব্যবস্থা ছিল অভিযোগটি না দেখে সই করে দিয়েছি।
শিউলি আক্তারকে আমি আসামী হওয়ার কথা আমি থানাকে জানাইনি। কি ভাবে
তাকে আসামী করা হলো এ বিষয়ে তিনি পরিস্কার কিছু না বলে মোবাইলের লাইন
কেটে দেন এ কর্মকর্তা।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















