Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,
ডায়াবেটিক রোগীদের খাবার উপযোগী ধান উৎপাদন

চিতলমারীতে ডায়াবেটিক রোগীদের খাবার উপযোগী ধান উৎপাদন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 06:59:52 pm, Saturday, 20 April 2024
  • 587 বার

চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খাবার উপযোগী বিশেষ ধান উৎপাদন হয়েছে। কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাস তাঁর জমিতে এই ধান উৎপাদন করেছেন। নতুন জাতের এই ধানের নাম ব্রিধান-১০৫। বিষয়টা এলাকায় সাড়া ফেলেছে।
উপজেলা কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, এবারই প্রথম চিতলমারীর ৩৩ শতক জমিতে নতুন জাতের এই ধানের পরীক্ষামূলক চাষ হয়। গোপালগঞ্জ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানী সৃজন চন্দ্র দাস ও ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের তত্বাবধায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চিতলমারীর সহযোগিতায় কৃষক বিধান চন্দ্র এই ধান সফলভাবে উৎপাদন করেন।
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘এই ধানের জিআই মান কম, অর্থাৎ ‘৫৫’ হওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এই ধানের চাল উপযোগী খাবার। যে খাবারে জিআই যত বেশি থাকে সেই খাবার খাওয়ার পর তত দ্রæত ভেঙে রক্তে মিশে যায়। ফলে ওইসব খাবার ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। সাধারণ ধানের চালে জিআই থাকে ৬৬ মাত্রায়। কিন্তু নতুন জাতের এই ব্রিধান-১০৫ এর চালে জিআই ৫৫ মাত্রার হওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী খাবার।’ এবারই প্রথম চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বড়বাক গ্রামের কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাসের ৩৩ শতক জমিতে নতুন জাতের এই ব্রিধান-১০৫ চাষ হয়।
ধানের নমুনা কর্তন শেষে দেখা যায়, ২০ বর্গমিটার জমিতে ১৪.৯ কেজি ফলন (কাচা) উৎপাদিত হয়েছে। যার শুকনো ওজন হবে ১৩.১৬ কেজি। এই হিসাবে হেক্টরপ্রতি এই ধানের ফলন হয়েছে ৬.৫৮ মেট্রিকটন। পরীক্ষামূলক এই চাষে কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ^াস সফল হয়েছেন। আগামীতে আরো চাষীদের এই ধান চাষে উবুদ্ধ করা হবে। চাষীরা বেশি এই ধান আবাদ করলে ডায়াবেটিক রোগীদের প্রতিষেধকে সহায়তা হবে।
কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাস জানান, নতুন ধরণের এই ধান-বীজ পেয়ে তিনি চাষে অনেক বেশি যতœশীল ছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ব্রিধান-১০৫ এর বীজ সহ পরামর্শ পান। এখন বিশেষ এই ধান কোন বাজারে কেমন দামে বিক্রি হবে সেটা নিয়ে তিনি ভাবছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

ডায়াবেটিক রোগীদের খাবার উপযোগী ধান উৎপাদন

চিতলমারীতে ডায়াবেটিক রোগীদের খাবার উপযোগী ধান উৎপাদন

আপডেট টাইম : 06:59:52 pm, Saturday, 20 April 2024

চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খাবার উপযোগী বিশেষ ধান উৎপাদন হয়েছে। কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাস তাঁর জমিতে এই ধান উৎপাদন করেছেন। নতুন জাতের এই ধানের নাম ব্রিধান-১০৫। বিষয়টা এলাকায় সাড়া ফেলেছে।
উপজেলা কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, এবারই প্রথম চিতলমারীর ৩৩ শতক জমিতে নতুন জাতের এই ধানের পরীক্ষামূলক চাষ হয়। গোপালগঞ্জ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানী সৃজন চন্দ্র দাস ও ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের তত্বাবধায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চিতলমারীর সহযোগিতায় কৃষক বিধান চন্দ্র এই ধান সফলভাবে উৎপাদন করেন।
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘এই ধানের জিআই মান কম, অর্থাৎ ‘৫৫’ হওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এই ধানের চাল উপযোগী খাবার। যে খাবারে জিআই যত বেশি থাকে সেই খাবার খাওয়ার পর তত দ্রæত ভেঙে রক্তে মিশে যায়। ফলে ওইসব খাবার ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। সাধারণ ধানের চালে জিআই থাকে ৬৬ মাত্রায়। কিন্তু নতুন জাতের এই ব্রিধান-১০৫ এর চালে জিআই ৫৫ মাত্রার হওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী খাবার।’ এবারই প্রথম চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বড়বাক গ্রামের কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাসের ৩৩ শতক জমিতে নতুন জাতের এই ব্রিধান-১০৫ চাষ হয়।
ধানের নমুনা কর্তন শেষে দেখা যায়, ২০ বর্গমিটার জমিতে ১৪.৯ কেজি ফলন (কাচা) উৎপাদিত হয়েছে। যার শুকনো ওজন হবে ১৩.১৬ কেজি। এই হিসাবে হেক্টরপ্রতি এই ধানের ফলন হয়েছে ৬.৫৮ মেট্রিকটন। পরীক্ষামূলক এই চাষে কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ^াস সফল হয়েছেন। আগামীতে আরো চাষীদের এই ধান চাষে উবুদ্ধ করা হবে। চাষীরা বেশি এই ধান আবাদ করলে ডায়াবেটিক রোগীদের প্রতিষেধকে সহায়তা হবে।
কৃষক বিধান চন্দ্র বিশ্বাস জানান, নতুন ধরণের এই ধান-বীজ পেয়ে তিনি চাষে অনেক বেশি যতœশীল ছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ব্রিধান-১০৫ এর বীজ সহ পরামর্শ পান। এখন বিশেষ এই ধান কোন বাজারে কেমন দামে বিক্রি হবে সেটা নিয়ে তিনি ভাবছেন।