বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার বাসস্ট্যান্ডে সেনা ক্যাম্পের পাশে কলেজ অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের মার্কেট বিএনপি নেতা দখল করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয় প্রতিকার পেতে মরহুম (অবঃ)কলেজ অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের একমাত্র পুত্র শিক্ষানবিশ আইনজীবী মাহামুদুর হাসান শুভ ২১ আগস্ট বাগেরহাট জেলা জেলা প্রশাসক কার্যালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।লিখিত অভিযোগের বর্ণনামতে জনাযায়,৫আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরের দিন বিকালে মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের বাস স্ট্যাণ্ডে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের সামনে এস,এম,সরকারি কলেজের (অবঃ)মরহুম অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন তালুকদারের সরালিয়া ১১৫ নং মৌজার এস,এ ৬২৯ নং দাগে ০.১০ একর পৈএিক জমির উপর অবস্থিত মার্কেটের নয়টি দোকান পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি আমীর আলী তালুকদার জোর করে দখল করে। ভাড়া দোকানদার জামাল চাপড়াশি অভিযোগ করে বলেন,আমরা উক্ত জায়গায় প্রায় পনের বছর নয়জন দোকানদার অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদার কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি।গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন বিকালে মোরেলগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদারের নির্দেশে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি সব কয়টি দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নিজেকে জমি ও দোকানের মালিক হিসাবে দাবি করেন। এদের মধ্যে ঘটনার দুই দিন পরে সাতজন দোকানদারের কাছ থেকে ফাকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নতুন করে দোকান ভাড়া দেয়। স্টাম্পে স্বাক্ষর না দেওযায় ১১ আগস্ট বিকালে থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদার মোরেলগঞ্জ আর,এম হাসপাতালের সামনে ডেকে নিয়ে বলে,তোমরা যদি আমীর আলীর কাছ থেকে দোকান ভাড়া না নেও তাহলে আজকেই দোকানের মালামাল আমার বাসায় রেখে দোকান আমীর আলীকে দিয়ে দাও।এর পরে এ প্রস্তাবে আমারা রাজি না হওযায় ১৩ আগস্ট আমীর আলী আমাদের মালামাল লুট করে দোকান দখল করে নেয় ও দলের নামে অফিস তৈরি করে। এ বিষয় থানা বিএনপির আহবায়ক বাবুল হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,দোকান দখলের বিষয় আমি শুনেছি আপনারা আমীর আলীকে একটু বলেন।পৌর বিএনপির আহবায়ক শিকদার ফরিদুল ইসলাম এর সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আমীর আলী ও শাহাবুদ্দিন তালুকদার সাথে পৈত্রিক সম্পএি নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং আপনারা এলাকায় আসলে সবই বুঝতে পারবেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তি যোদ্ধা চলাকালে দখলদার আমীর আলী মোড়ালগঞ্জে নিরহ মানুষ ধরে নিয়ে জবাই করে হত্যা করতে এই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার নথিতে আমির আলীর নাম রাজাকার কসাই আমীর আলী রয়েছে। তিনি বর্তমানে উচ্চতর আদালত হতে যুদ্ধ অপরাধী মামলায় জামিনে রয়েছে। দোকান ঘর দখলের বিষয় আমির আলীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জনেই মোবাইল বন্ধ করে রাখেন। এ বিষয় মরহুম অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন তালুকদার একমাত্র পুত্র আইনজীবী মাহামুদুর হাসান শুভ জানান,৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরের দিন আমীর আলী তালুকদার জোর করে আমাদের দোকান দখল করে নেয় এবং আমীর আলী তার এই জমির সঠিক কোন কাগজপত্র নাই।তার কাছ থেকে আমাদের এক দোকানদার জামাল চাপরাসি দোকান নতুন করে ভাড়া না নেওয়ায তাদেরকে বাড়ি ছাড়া করেছে এবং আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি এ বিষয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















