বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় বাবা হত্যা মামলার আসামীদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন তার সন্তানরা।বাবার হত্যাকারীদের বিচার ও এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হত্যার স্বীকার কচুয়া উপজেলার আলীপুর গ্রামের মোজাহার মোল্লার ছেলে রহমত মোল্লা।কচুয়া উপজেলার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা রহমত মোল্লা বলেন, ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি আলীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে আমার বাবা কৃষক মোঃ মোজাহার মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ৯ জানুয়ারি বড় ভাই মোঃ রফিকুল ইসলাম মোল্লা বাদী হয়ে ৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে কচুয়া থানায় মামলা করেন। বিভিন্ন সময় র্যাব ও পুলিশ আসামীদের আটক করে কারাগারে প্রেরণ করেন। আসামীরা বেশিরভাগ এখন জামিনে রয়েছে। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পরে আসামীদের মধ্যে আলীপুর গ্রামের রাসেল শেখ, তুহিন শেখ, ইসমাইল শেখ, লোকছার শেখ, কামরুল শেখ, মিজান শেখ, তৌহিদ শেখসহ কয়েকজন হত্যা মামলার স্বাক্ষীদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। তারা আলীপুর গ্রামের মোঃ ওলিয়ার শেখের ৩টি গরু ও ঘের লুট করে এবং নগদ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।সরকার পরিবর্তনের পরে এই আসামীরা আমার বাবার হত্যা মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা বাড়ি যেতে পারছি না, পালিয়ে বেড়াচ্ছি। মামলার বাদী আমার বড় ভাই মোঃ রফিকুল ইসলাম মোল্লা এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করার কথা ছিল কিন্তু, আসামীদের ভয়ে আসতে পারেনি। আমরা হত্যাকারীদের বিচার চাই এবং এলাকায় যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারি তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন রহমত মোল্লা।রহমত মোল্লা আরও বলেন, ৫ তারিখের পরে রাসেল শেখ বাহিনী এলাকায় ব্যাপক লুটপাট, মারধর ও ভাংচুর করেছে। সেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বাগেরহাটে তিনজন সাংবাদিক লুটকারীদের হামলার স্বীকার হয়েছেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত রহমতের ফুফু আলীপুর গ্রামের মোঃ শহিদুল শেখের স্ত্রী মুক্তা বেগম বলেন, ওরা আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে। ৬ তারিখের পরে আমার বাড়ি-ঘর লুট করেছআমার ছেলের মটর সাইকেল নিয়ে গেছে।। আমি এর বিচার চাই । এসময় রহমাত মোল্লা বলেন আমার বড় ভাই সহ আরো 10/12 জন এই সংবাদ সম্মেলনে আসতে গিয়ে সন্ত্রাসীরা প্রেস ক্লাবের নিচে অবস্থান নেওয়ার কারনে তারা ক্লাবের উপরে উঠতে পারেনি।জানিনা ফিরেগিয়ে আমাদের কি অবস্থা করে রাসেল বাহিনী।২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি করা হত্যা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-তে তদন্তাধীন রয়েছে।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 


















