Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

মোংলায় বিজয় দিবসে উন্মুক্ত নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:21:45 pm, Monday, 16 December 2024
  • 81 বার
মোংলা প্রতিনিধি,
যথাযোগ্য মর্যাদা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে নৌবাহিনী। এ উপলক্ষে নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ জনসাধারণ ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।প্রতি বছর এ দিনটি বাঙালি জাতি বিশেষভাবে পালন করে থাকে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে বাঙালি জাতির নিকট আত্মসমর্পণ করে, ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাই প্রতি বছর বাংলাদেশে নৌবাহিনী দিবসটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালন করে।সোমবার (১৬ই ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মোংলায় দিগরাজ নেভাল বার্থে ‘বানৌজা তুরাগ’ দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে নৌবাহিনী।এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুর ২টা থেকে জাহাজটি পরিদর্শন করতে মোংলা ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ এসে পরিদর্শন করে। এতে করে সাধারণ মানুষের নৌবাহিনী জাহাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।মোংলা দিগরাজ নৌ ঘাঁটির বানৌজা তুরাগ’ জাহাজের অধিনায়ক কমান্ডার ফয়সাল আহমেদ জানান, জনসাধারণকে যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল থাকে  এবং তাদের  বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জাহাজের  দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। জাহাজগুলো যুদ্ধকালীন সময় কি ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুধ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহারের কলাকৌশল দেখানো হয় দর্শনার্থীদের বলে জানান তিনি। এছাড়া নৌবাহিনী  সমুদ্রে গমন, উপকূলীয় অঞ্চলে টহল প্রদান, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কর্মকাণ্ড, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং যুদ্ধ কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরে সকলেই খুশি মনে বাড়ি ফিরে এবং জনসাধারণের মাঝে বাংলাদেশ নৌবাহিনী  সম্পর্কে ইতিবাচক দিক প্রকাশ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে

মোংলায় বিজয় দিবসে উন্মুক্ত নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ

আপডেট টাইম : 05:21:45 pm, Monday, 16 December 2024
মোংলা প্রতিনিধি,
যথাযোগ্য মর্যাদা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে নৌবাহিনী। এ উপলক্ষে নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ জনসাধারণ ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।প্রতি বছর এ দিনটি বাঙালি জাতি বিশেষভাবে পালন করে থাকে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে বাঙালি জাতির নিকট আত্মসমর্পণ করে, ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাই প্রতি বছর বাংলাদেশে নৌবাহিনী দিবসটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালন করে।সোমবার (১৬ই ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মোংলায় দিগরাজ নেভাল বার্থে ‘বানৌজা তুরাগ’ দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে নৌবাহিনী।এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুর ২টা থেকে জাহাজটি পরিদর্শন করতে মোংলা ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ এসে পরিদর্শন করে। এতে করে সাধারণ মানুষের নৌবাহিনী জাহাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।মোংলা দিগরাজ নৌ ঘাঁটির বানৌজা তুরাগ’ জাহাজের অধিনায়ক কমান্ডার ফয়সাল আহমেদ জানান, জনসাধারণকে যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল থাকে  এবং তাদের  বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জাহাজের  দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। জাহাজগুলো যুদ্ধকালীন সময় কি ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুধ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহারের কলাকৌশল দেখানো হয় দর্শনার্থীদের বলে জানান তিনি। এছাড়া নৌবাহিনী  সমুদ্রে গমন, উপকূলীয় অঞ্চলে টহল প্রদান, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কর্মকাণ্ড, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং যুদ্ধ কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরে সকলেই খুশি মনে বাড়ি ফিরে এবং জনসাধারণের মাঝে বাংলাদেশ নৌবাহিনী  সম্পর্কে ইতিবাচক দিক প্রকাশ করেন।