Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে রমজানে বেগুনে আগুন, ছোলা-খেজুর- চিনিতে স্বস্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 06:36:46 pm, Monday, 3 March 2025
  • 115 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের বাজারে রমজান উপলক্ষে ছোলা, খেজুর ও চিনির দাম কিছুটা কমেছে।
তবে বোতল জাত তেল, বেগুন ও লেবুর দামে অস্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা।
সোমবার (০৩ মার্চ) সকালে বাজারে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০
টাকায়, যেখানে কয়েকদিন আগেও এর দাম ছিল ৩০-৪০ টাকা। লেবুর দামও বেড়ে
প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা, যেখানে কয়েকদিন প্রতিপিস ছিল ৫ থেকে
৬ টাকা। তবে রমজানের সময় সাধারণত ছোলা, চিরা, মুড়ি ও খেজুরের দাম বাড়ে, তবে এবার
এসব পণ্যের বাজার কিছুটা সহনীয়। এক মাস আগে প্রতি কেজি ছোলা ১২০
টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১০০ টাকায় নেমেছে। গেল বছর রমজানে সাদা চিনির
দাম ১৪০ টাকা থাকলেও এবার তা ১২০ টাকা, আর মিস্ত্রি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-
১৭০ টাকায়। বাজারে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে
নিম্নমানের খেজুর ১৫০ টাকা কেজি, আর উন্নত মানের খেজুর ১,৩০০ টাকা
পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দাম সহনীয় থাকায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে
আছেন। ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, রমজানের শুরুতে দাম কিছুটা বাড়লেও ধীরে ধীরে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। খেজুরের দামও এখন পর্যন্ত সহনীয় আছে।
রমজানের বাজার করতে আসা গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, ছোলা-চিনির দাম
কম থাকায় ভালো লাগছে, কিন্তু বেগুন-লেবুর দামে আমরা দিশেহারা। প্রতিদিন
ইফতারে বেগুন ভাজি বা বেগুনি দরকার, কিন্তু এত দাম দিয়ে কেনা কঠিন।
এদিকে রমজানের আগে থেকেই সারাদেশের মত বাগেরহাটের বাজারেও বোতল জাত
ভোজ্য তেলের (সয়াবিন) দাম নিয়ে কারসাজি শুরু হয়েছে।কৃতিমভাবে
বোতলজাত তেলের সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এক লিটার বোতল
জাত তেল কোম্পানি ভেদে বোতলের গায়ে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা দাম থাকলেও,
বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৮৫ টাকা। ৫ লিটারের বোতলের গায়ে ৮৫২ টাকা দাম লেখা
থাকলেও, বিক্রি হচ্ছে ৮৫৫ থেকে ৮৯০ টাকা পর্যন্ত। কোন কোন ব্যবসায়ী বোতলের
তেল খুলে, খোলা বাজারে বিক্রি করছেন ১৮৫ টাকা কেজি দরে। নিয়মিত অভিযান
চালিয়ে তেল সিন্ডিকেট স্বাভাবিক করার দাবি ভোক্তাদের।বাগেরহাট জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানা বলেন, রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কেউ যদি অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ায়, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তারা যদি কোনো অনিয়ম দেখেন, তাহলে আমাদের জানানোর অনুরোধ করছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে রমজানে বেগুনে আগুন, ছোলা-খেজুর- চিনিতে স্বস্তি

আপডেট টাইম : 06:36:46 pm, Monday, 3 March 2025

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের বাজারে রমজান উপলক্ষে ছোলা, খেজুর ও চিনির দাম কিছুটা কমেছে।
তবে বোতল জাত তেল, বেগুন ও লেবুর দামে অস্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা।
সোমবার (০৩ মার্চ) সকালে বাজারে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০
টাকায়, যেখানে কয়েকদিন আগেও এর দাম ছিল ৩০-৪০ টাকা। লেবুর দামও বেড়ে
প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা, যেখানে কয়েকদিন প্রতিপিস ছিল ৫ থেকে
৬ টাকা। তবে রমজানের সময় সাধারণত ছোলা, চিরা, মুড়ি ও খেজুরের দাম বাড়ে, তবে এবার
এসব পণ্যের বাজার কিছুটা সহনীয়। এক মাস আগে প্রতি কেজি ছোলা ১২০
টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১০০ টাকায় নেমেছে। গেল বছর রমজানে সাদা চিনির
দাম ১৪০ টাকা থাকলেও এবার তা ১২০ টাকা, আর মিস্ত্রি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-
১৭০ টাকায়। বাজারে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে
নিম্নমানের খেজুর ১৫০ টাকা কেজি, আর উন্নত মানের খেজুর ১,৩০০ টাকা
পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দাম সহনীয় থাকায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে
আছেন। ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, রমজানের শুরুতে দাম কিছুটা বাড়লেও ধীরে ধীরে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। খেজুরের দামও এখন পর্যন্ত সহনীয় আছে।
রমজানের বাজার করতে আসা গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, ছোলা-চিনির দাম
কম থাকায় ভালো লাগছে, কিন্তু বেগুন-লেবুর দামে আমরা দিশেহারা। প্রতিদিন
ইফতারে বেগুন ভাজি বা বেগুনি দরকার, কিন্তু এত দাম দিয়ে কেনা কঠিন।
এদিকে রমজানের আগে থেকেই সারাদেশের মত বাগেরহাটের বাজারেও বোতল জাত
ভোজ্য তেলের (সয়াবিন) দাম নিয়ে কারসাজি শুরু হয়েছে।কৃতিমভাবে
বোতলজাত তেলের সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এক লিটার বোতল
জাত তেল কোম্পানি ভেদে বোতলের গায়ে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা দাম থাকলেও,
বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৮৫ টাকা। ৫ লিটারের বোতলের গায়ে ৮৫২ টাকা দাম লেখা
থাকলেও, বিক্রি হচ্ছে ৮৫৫ থেকে ৮৯০ টাকা পর্যন্ত। কোন কোন ব্যবসায়ী বোতলের
তেল খুলে, খোলা বাজারে বিক্রি করছেন ১৮৫ টাকা কেজি দরে। নিয়মিত অভিযান
চালিয়ে তেল সিন্ডিকেট স্বাভাবিক করার দাবি ভোক্তাদের।বাগেরহাট জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানা বলেন, রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কেউ যদি অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ায়, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তারা যদি কোনো অনিয়ম দেখেন, তাহলে আমাদের জানানোর অনুরোধ করছি।