Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

নামের মিলের অজুহাতে গ্রেফতার, পুলিশের কাছে স্ত্রীর ঘুষ দিয়েও মুক্তি মেলেনি দিনমজুরের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 03:54:47 pm, Monday, 12 May 2025
  • 390 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

নামের সাথেমিল থাকার অজু হাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার এক দিন মজুরকে আওয়ামী লীগ নেতা সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলারমসনিগ্রাম থেকে কালাম খাঁনামের এই দিনমজুরকে আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। এদিকে, কালাম খাঁকে গ্রেপ্তারের পর তারস্ত্রী খোদেজা বেগম পুলিশদের ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েও স্বামীকে মুক্ত করতে পারেনি। সোমবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্না জড়িত কণ্ঠে এমন অভিযোগ করেন দিনমজুর কালাম খাঁর স্ত্রী খোদেজা বেগম।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খোদেজা বেগম বলেন, গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া থানা পুলিশ আমাদের বাড়ীতে পুলিশ প্রবেশ করে। এসময় তারা আমার স্বামীকে কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলতে থাকে এবং আপনার নামে মামলা আছে বলে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।এসময় আমি তাদের বারবার বলতে থাকি আপনারা যার কথা বলছেন তিনি মোঃ কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম আয়ুব আলী। আর আমার স্বামীর নাম কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম বারেক খাঁ। এরপরও পুলিশ কোন প্রকার যাচাই-বাছাই না করে আমার স্বামীকে টেনে হিছড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরের দিন শনিবার সকালে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা আমার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে কচুয়া থানায় গেলে পুলিশ সদস্যরা আমাকে বলে ২৫ হাজার টাকা দিলে আপনার স্বামীকে ছেড়ে দেয়া হবে। কান্না জাড়িত কণ্ঠে খোদেজা বেগম আরও বলেন, আমি আমার কিছু স্বর্নালংকার বন্ধক রেখে ১০ হাজার টাকা জোগাড় করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেও তারা আমার স্বামীকে ছেড়ে না দিয়ে উল্টো রাজনৈতিক হয়রানী মূলক মামলায় চালান করে দেয়।এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাঃ রাশেদুল আলম বলেন, নাশকতা মামলায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসাবে কালাম খাঁকে আটক করা হয়। কালাম খাঁ কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নে মসনি গ্রামে শশুর বাড়ীতে বসবাস করে। তার বাবার নাম আয়ুব আলী। তিনি বাধাল ইউনিয়নের কলমিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইডি কার্ডে পিতা হিসাবে বারেক খাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। মূলত বারেক খাঁর তার শশুর এর নাম। তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে এ কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর ১০ হাজার টাকা ঘুষ এর বিষয়টি মিথ্যা-বানোয়াট ও ভিত্তিহিন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

নামের মিলের অজুহাতে গ্রেফতার, পুলিশের কাছে স্ত্রীর ঘুষ দিয়েও মুক্তি মেলেনি দিনমজুরের

আপডেট টাইম : 03:54:47 pm, Monday, 12 May 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি

নামের সাথেমিল থাকার অজু হাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার এক দিন মজুরকে আওয়ামী লীগ নেতা সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলারমসনিগ্রাম থেকে কালাম খাঁনামের এই দিনমজুরকে আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। এদিকে, কালাম খাঁকে গ্রেপ্তারের পর তারস্ত্রী খোদেজা বেগম পুলিশদের ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েও স্বামীকে মুক্ত করতে পারেনি। সোমবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্না জড়িত কণ্ঠে এমন অভিযোগ করেন দিনমজুর কালাম খাঁর স্ত্রী খোদেজা বেগম।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খোদেজা বেগম বলেন, গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া থানা পুলিশ আমাদের বাড়ীতে পুলিশ প্রবেশ করে। এসময় তারা আমার স্বামীকে কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলতে থাকে এবং আপনার নামে মামলা আছে বলে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।এসময় আমি তাদের বারবার বলতে থাকি আপনারা যার কথা বলছেন তিনি মোঃ কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম আয়ুব আলী। আর আমার স্বামীর নাম কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম বারেক খাঁ। এরপরও পুলিশ কোন প্রকার যাচাই-বাছাই না করে আমার স্বামীকে টেনে হিছড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরের দিন শনিবার সকালে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা আমার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে কচুয়া থানায় গেলে পুলিশ সদস্যরা আমাকে বলে ২৫ হাজার টাকা দিলে আপনার স্বামীকে ছেড়ে দেয়া হবে। কান্না জাড়িত কণ্ঠে খোদেজা বেগম আরও বলেন, আমি আমার কিছু স্বর্নালংকার বন্ধক রেখে ১০ হাজার টাকা জোগাড় করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেও তারা আমার স্বামীকে ছেড়ে না দিয়ে উল্টো রাজনৈতিক হয়রানী মূলক মামলায় চালান করে দেয়।এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাঃ রাশেদুল আলম বলেন, নাশকতা মামলায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসাবে কালাম খাঁকে আটক করা হয়। কালাম খাঁ কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নে মসনি গ্রামে শশুর বাড়ীতে বসবাস করে। তার বাবার নাম আয়ুব আলী। তিনি বাধাল ইউনিয়নের কলমিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইডি কার্ডে পিতা হিসাবে বারেক খাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। মূলত বারেক খাঁর তার শশুর এর নাম। তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে এ কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর ১০ হাজার টাকা ঘুষ এর বিষয়টি মিথ্যা-বানোয়াট ও ভিত্তিহিন।