মাসুদুর রহমান মোংলা, বাগেরহাট
পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অবসর ভাতা উত্তোলনে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে মোংলা বন্দরের হিসাব রক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান (আইসি নং-২৬৩৯) কে বরখাস্ত করেছে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়াত রঞ্জন হালদার (আইসি নং-২৮৫৯)-এর স্ত্রী জনাবা কবিতা হালদার-এর নিকট থেকে সরকারি অবসর সুবিধার নামে পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এবং অতিরিক্ত আশি হাজার টাকা পরিচ্ছন্নতা কর্মী জনাব রবার্ট সরদারের সহযোগিতায় প্রতারণামূলকভাবে আদায় করেন মজিবুর রহমান।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ১৯৯১ এর ৩৯(খ), ৩৯(ঙ)(অ) ও ৩৯(চ) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ), ৩(ঘ)(অ) ধারায় উক্ত কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।অভিযোগকারী কবিতা হালদার এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,“আমার স্বামী চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তার প্রাপ্য সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্তি ভাতা উত্তোলনের জন্য ঐ বিভাগের দ্বায়িত্বরত মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তখন তিনি আমার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। প্রথমে আমি রাজি হইনি, কিন্তু তিনি আমাকে হুমকি দিতে শুরু করেন এবং অসদাচরণ করেন। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ)টাকা দেই, এবং ৮০,০০০ (আশি হাজার)টাকা ঐ একই বিভাগের পরিচ্ছন্নতা কর্মী রবার্ট হালদার এর মাধ্যমে জমা দেই। কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে প্রতারণা করলে আমি বন্দর কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করি। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই যথাযথ আইন ও চাকরি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মুজিবুর রহমানের মোবাইলে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 



















