Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

সংসদীয় আসন কমানোর প্রতিবাদ ৪৮ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিনেই অচল মোংলা বন্দরসহ বাগেরহাট

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 03:30:35 pm, Wednesday, 10 September 2025
  • 147 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
জেলার চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবিতে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে শুরু হওয়া৪৮ঘন্টা সর্বাত্মক হরতাল, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের প্রথম দিনেই অচল হয়ে পড়েছে দেশেরদ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরসহ পুরো বাগেরহাট। বিএনপি জামায়াতসহ সর্বদলীয়সম্মিলিত কমিটির ডাকা ৪৮ঘন্টার একটানা হরতাল ও সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের প্রথম দিন ভোরথেকে বাগেরহাট হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুরসহ ৪৮টি দূরপাল্লার ‎ওআন্তজেলার সব রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মোংলা বন্দরের আমদানী-রপ্তানী পন্য সড়ক পথেপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। হরতালকারিরা সকালে জেলা, উপজেলার নির্বাচন অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়ায় কর্মকর্তা কর্মচারিরা অফিসে ঢুকতে পারেনি। জেলার সব উপজেলা ও পৌর শহরগুলোতে সর্বাত্বক হরতাল পালিত হচ্ছে। হরতালের প্রথম দিনে শহরের দোকানপাট,ব্যবসা, ব্যাংক, বীমা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। হরতাল ও সড়ক
অবরোধে জেলার মোরেলগঞ্জে পানগুছি ও মোংলা নদীতে সড়ক বিভাগের ফেরী চলাচলও বন্ধ রয়েছে।জেলার সড়ক-মহাসড়কের অন্তত ৩০টি পয়েন্টে পিকেটাররা টায়ার জালিয়ে ও গাছ ফেলেপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি মাছ ধরা জাল দিয়েও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করাহয়েছে। এরফলে মোংলা বন্দরসহ পুরো বাগেরহাট সারাদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এরিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত প্রথম দিনের হরতাল চলাকালে কোন অপ্রতিকর ঘটনার খবরপাওয়া যায়নি। তবে, কোন অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বিভিন্নপয়েন্টে বিপুল সংখক পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সদস্য মোতায়েন রয়েছে।হরতালের প্রথম দিনে বাগেরহাট শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, দশানী মোড়, খানজাহান আলী (রহ.) মাজার মোড়, কাটাখালী মোড়, নোয়াপাড়া মোড়, ফরিহাটের বিশ^রোড মোড়, মোল্লাহাট সেতু মোড়, ফয়লাহাট মোড়, সাইনবোর্ড মোড়, মোরেলগঞ্জ ফেরী এলাকা, রায়েন্দা পাঁচরাস্তা মোড়, মোংলা ইপিজেড-শিল্পাঞ্চল, ফেরীঘাট, মুনিগঞ্জ সেতু ও দড়াটানা সেতু টোল প্লাজা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নির্বাচন অফিসসহ গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে সকাল থেকে পিকেটিংয়ে তৎপর ছিলেন বিএনপির সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাড. শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম, জেলা বিএনপিরযুগ্ন আহবায়ক শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, জেলা জামায়েতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম,নায়েবে আমীর এ্যাড. শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির সদস্য সচিব শেখ মুহাম্মদ ইউনুস, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক খাদেম নিয়ামুন নাসির আলাপ, জেলা বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার শেখ জাকির হোসেন, অহিদুল ইসলাম পল্টু, খান মনিরুল ইসলাম, বাগেরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শাহেদ আলী রবি, জেলাযুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ
নাসির আহমেদ মালেক, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা, জেলা
স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ আসাফুদৌলা জুয়েল, জেলা জামায়াতের যুব বিষযক
সম্পাদক এস এম মঞ্জুরুল হক রাহাতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও
বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।হরতাল চলাকালে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন, নির্বাচনকমিশন বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমিয়ে জনগণের আশা-আকাক্ক্ষাকে উপেক্ষাকরেছে। বাগেরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা, ভৌগোলিক অবস্থা, জনসংখ্যা, মোংলা বন্দর,ইপিজেড- শিল্পাঞ্চল ও দুটি ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইডসহ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় চারটিআসন বহাল রাখা প্রয়োজন। একটি আসন কমে গেলে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, চাকরি ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় বাগেরহাটবাসী বঞ্চিত হবে, তাই আমরা দাবী আদায়ে সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, বাগেরহাটবাসীর স্বার্থ রক্ষার এই আন্দোলন কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, এটি জনস্বার্থের আন্দোলন। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে আসন পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখতে হবে। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কারিগরি কমিটি খসড়া প্রস্তাবে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি রাখার প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনগুলো নির্বাচন কমিশনের শুনানিতেও অংশ প্রহণ করেন। কিন্তু তাদের দাবিকে উপেক্ষা করে গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত গেজেট বাগেরহাটে একটি আসন কমিয়ে তিনটি আসন রাখাসহ নিজেদের খসড়া প্রস্তাবে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়ে আসনের সীমানা নির্ধারন করে। ইসির এই সিদ্ধান্তে আবারো ফুঁসে ওঠে বাগেরহাটের রাজনৈতিক দলসহ আমজনতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে

সংসদীয় আসন কমানোর প্রতিবাদ ৪৮ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিনেই অচল মোংলা বন্দরসহ বাগেরহাট

আপডেট টাইম : 03:30:35 pm, Wednesday, 10 September 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি
জেলার চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবিতে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে শুরু হওয়া৪৮ঘন্টা সর্বাত্মক হরতাল, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের প্রথম দিনেই অচল হয়ে পড়েছে দেশেরদ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরসহ পুরো বাগেরহাট। বিএনপি জামায়াতসহ সর্বদলীয়সম্মিলিত কমিটির ডাকা ৪৮ঘন্টার একটানা হরতাল ও সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের প্রথম দিন ভোরথেকে বাগেরহাট হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুরসহ ৪৮টি দূরপাল্লার ‎ওআন্তজেলার সব রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মোংলা বন্দরের আমদানী-রপ্তানী পন্য সড়ক পথেপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। হরতালকারিরা সকালে জেলা, উপজেলার নির্বাচন অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়ায় কর্মকর্তা কর্মচারিরা অফিসে ঢুকতে পারেনি। জেলার সব উপজেলা ও পৌর শহরগুলোতে সর্বাত্বক হরতাল পালিত হচ্ছে। হরতালের প্রথম দিনে শহরের দোকানপাট,ব্যবসা, ব্যাংক, বীমা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। হরতাল ও সড়ক
অবরোধে জেলার মোরেলগঞ্জে পানগুছি ও মোংলা নদীতে সড়ক বিভাগের ফেরী চলাচলও বন্ধ রয়েছে।জেলার সড়ক-মহাসড়কের অন্তত ৩০টি পয়েন্টে পিকেটাররা টায়ার জালিয়ে ও গাছ ফেলেপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি মাছ ধরা জাল দিয়েও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করাহয়েছে। এরফলে মোংলা বন্দরসহ পুরো বাগেরহাট সারাদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এরিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত প্রথম দিনের হরতাল চলাকালে কোন অপ্রতিকর ঘটনার খবরপাওয়া যায়নি। তবে, কোন অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বিভিন্নপয়েন্টে বিপুল সংখক পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সদস্য মোতায়েন রয়েছে।হরতালের প্রথম দিনে বাগেরহাট শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, দশানী মোড়, খানজাহান আলী (রহ.) মাজার মোড়, কাটাখালী মোড়, নোয়াপাড়া মোড়, ফরিহাটের বিশ^রোড মোড়, মোল্লাহাট সেতু মোড়, ফয়লাহাট মোড়, সাইনবোর্ড মোড়, মোরেলগঞ্জ ফেরী এলাকা, রায়েন্দা পাঁচরাস্তা মোড়, মোংলা ইপিজেড-শিল্পাঞ্চল, ফেরীঘাট, মুনিগঞ্জ সেতু ও দড়াটানা সেতু টোল প্লাজা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নির্বাচন অফিসসহ গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে সকাল থেকে পিকেটিংয়ে তৎপর ছিলেন বিএনপির সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাড. শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম, জেলা বিএনপিরযুগ্ন আহবায়ক শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, জেলা জামায়েতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম,নায়েবে আমীর এ্যাড. শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির সদস্য সচিব শেখ মুহাম্মদ ইউনুস, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক খাদেম নিয়ামুন নাসির আলাপ, জেলা বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার শেখ জাকির হোসেন, অহিদুল ইসলাম পল্টু, খান মনিরুল ইসলাম, বাগেরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শাহেদ আলী রবি, জেলাযুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ
নাসির আহমেদ মালেক, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা, জেলা
স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ আসাফুদৌলা জুয়েল, জেলা জামায়াতের যুব বিষযক
সম্পাদক এস এম মঞ্জুরুল হক রাহাতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও
বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।হরতাল চলাকালে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন, নির্বাচনকমিশন বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমিয়ে জনগণের আশা-আকাক্ক্ষাকে উপেক্ষাকরেছে। বাগেরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা, ভৌগোলিক অবস্থা, জনসংখ্যা, মোংলা বন্দর,ইপিজেড- শিল্পাঞ্চল ও দুটি ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইডসহ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় চারটিআসন বহাল রাখা প্রয়োজন। একটি আসন কমে গেলে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, চাকরি ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় বাগেরহাটবাসী বঞ্চিত হবে, তাই আমরা দাবী আদায়ে সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, বাগেরহাটবাসীর স্বার্থ রক্ষার এই আন্দোলন কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, এটি জনস্বার্থের আন্দোলন। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে আসন পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখতে হবে। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কারিগরি কমিটি খসড়া প্রস্তাবে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি রাখার প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনগুলো নির্বাচন কমিশনের শুনানিতেও অংশ প্রহণ করেন। কিন্তু তাদের দাবিকে উপেক্ষা করে গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত গেজেট বাগেরহাটে একটি আসন কমিয়ে তিনটি আসন রাখাসহ নিজেদের খসড়া প্রস্তাবে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়ে আসনের সীমানা নির্ধারন করে। ইসির এই সিদ্ধান্তে আবারো ফুঁসে ওঠে বাগেরহাটের রাজনৈতিক দলসহ আমজনতা।