Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

রামপালের কৈগর্দ্দাসকাটির ৪৫ টি বাড়ি-ঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 07:30:59 pm, Saturday, 27 September 2025
  • 178 বার

 

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগর্দ্দাশকাটি চর এলাকার ৪৫ টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দিন ও রাতে দুইবার প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি গ্রাম। ওই এলাকায় প্রায় ৬/৭ শতাধিক পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে আসছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বাড়িঘরের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেড়িবাঁধ না থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় অতিরিক্ত জোয়ারে বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে। এতে ধান চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দূরহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
চুলাতে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না বন্ধ হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে তারা। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফসলের মাঠ তলিয়ে আমন ধানের চারার ক্ষতি হচ্ছে। সুপেয় পানির কোন ব্যাবস্থা না থাকায় ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে খাবার পানি আনতে হয়। কাছাকাছি কোন টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তাছাড়া কাছে কোথাও স্কুলও নেই। যারা স্কুলে যায় তাদের কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে আরো বেশী ভোগান্তি পোহাতে হয়। চলাচলের জন্য এক পায়ের পথটিও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন ছোট ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে তাদের দিন কাটছে। কোন কোন পরিবারের সদস্যদের রাতে ঘুমানোর ও জায়গা টুকুও নেই। কিছু শুকনো খাবার আর নদীর জোয়ারের পানি পান করে তাদের দিন কাটছে। এরা মূলতঃ সবাই ভুমিহীন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসবাস করেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। খুব অসহায় অবস্থায় তাদের দিন কাটছে। ওই চর এলাকায় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা সরকারি খাস জমি দখল করে মাছ ও ধান চাষ করে আসছে। খোঁজখবর নিয়ে আরো জানা যায়, ওই সরকারের সময়ে কতিপয় নেতা নামধারী ভূমিদস্যুরা প্রভাব খাটিয়ে নামে-বেনামে খাস জমি দখল করে মাছ চাষ করে আসছেন। এ ছাড়াও তারা খাস জমি দখলে নিয়ে প্লট আকারে বিক্রিও করছে। প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে চর ভরাটি হাজার হাজার একর জমি প্রভাবশালীরা গিলে ফেলছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

রামপালের কৈগর্দ্দাসকাটির ৪৫ টি বাড়ি-ঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত

আপডেট টাইম : 07:30:59 pm, Saturday, 27 September 2025

 

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগর্দ্দাশকাটি চর এলাকার ৪৫ টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দিন ও রাতে দুইবার প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি গ্রাম। ওই এলাকায় প্রায় ৬/৭ শতাধিক পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে আসছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বাড়িঘরের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেড়িবাঁধ না থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় অতিরিক্ত জোয়ারে বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে। এতে ধান চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দূরহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
চুলাতে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না বন্ধ হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে তারা। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফসলের মাঠ তলিয়ে আমন ধানের চারার ক্ষতি হচ্ছে। সুপেয় পানির কোন ব্যাবস্থা না থাকায় ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে খাবার পানি আনতে হয়। কাছাকাছি কোন টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তাছাড়া কাছে কোথাও স্কুলও নেই। যারা স্কুলে যায় তাদের কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে আরো বেশী ভোগান্তি পোহাতে হয়। চলাচলের জন্য এক পায়ের পথটিও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন ছোট ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে তাদের দিন কাটছে। কোন কোন পরিবারের সদস্যদের রাতে ঘুমানোর ও জায়গা টুকুও নেই। কিছু শুকনো খাবার আর নদীর জোয়ারের পানি পান করে তাদের দিন কাটছে। এরা মূলতঃ সবাই ভুমিহীন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসবাস করেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। খুব অসহায় অবস্থায় তাদের দিন কাটছে। ওই চর এলাকায় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা সরকারি খাস জমি দখল করে মাছ ও ধান চাষ করে আসছে। খোঁজখবর নিয়ে আরো জানা যায়, ওই সরকারের সময়ে কতিপয় নেতা নামধারী ভূমিদস্যুরা প্রভাব খাটিয়ে নামে-বেনামে খাস জমি দখল করে মাছ চাষ করে আসছেন। এ ছাড়াও তারা খাস জমি দখলে নিয়ে প্লট আকারে বিক্রিও করছে। প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে চর ভরাটি হাজার হাজার একর জমি প্রভাবশালীরা গিলে ফেলছে।