নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদ, বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম ও শিবির নেতা গালিব আহত হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করতে আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একটি বাড়িতে টাকা বিতরণের উদ্দেশ্যে গোপন মিটিং করছিলো। এমন খবর পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেনসহ জামায়াতের দুই নেতাকে টাকাসহ অবরুদ্ধ করে পুলিশকে খবর দেয়। তিনি আরও বলেন, উক্ত ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ নেতাদের ছিনিয়ে নেয়। এরপর তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িসহ তিনটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, মারপিট ও লুটপাট করে।
অন্যদিকে নন্দীগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল আলিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, টাকা বিতরণের বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট। তিনি বলেন, আমরা জানতে পারি আমাদের নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তখন প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়। দ্রুত কোনো সমাধান না পাওয়ায় আমরা নিজেরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে পৌঁছিলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উভয় পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 


















