Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে স্বামী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:14:50 pm, Sunday, 19 July 2026
  • 48 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি। 

বাগেরহাটে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য একটি চক্রের যোগসাজশে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি, নির্যাতন এবং জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শারমিন সুলতানা নামে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবী গৃহবধূ।

রবিবার (১৯ জুলাই ) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ করেন। শারমিন সুলতানা বাগেরহাট শহরের সরুই আমলাপাড়া এলাকার মৃত শেখ রস্তম আলীর মেয়ে এবং জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী রেকর্ড কিপার এম.এম. মাহফুজুর রহমান মুন্নার স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শারমিন সুলতানা জানান, ২০০৫ সালে রেজিস্ট্রি কাবিননামা মূলে এম.এম. মাহফুজুর রহমান মুন্নার সাথে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ১৫ বছরের কন্যা সন্তান (সিদরাতুল মুনতাহা) একটি বছরের পুত্র সন্তান (মুহতাদী রহমান) রয়েছে। তার স্বামী ২০০১ সালে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে যোগদানের পর ২০১৯ সালে মোহরার এবং বর্তমানে সহকারী রেকর্ড কিপার হিসেবে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, চাকরিতে পদোন্নতি অবাধে ঘুষের টাকা হাতে আসার পর তার স্বামীর নৈতিক চরিত্রের চরম অধঃপতন ঘটে। তিনি পরনারী নেশাজাতীয় দ্রব্যাদিতে আসক্ত হয়ে পড়েন। অফিসের ঘুষ বাণিজ্যের প্রভাবে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যদের সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শারমিন সুলতানার ওপর পারিবারিক মানসিকভাবে প্রতিনিয়ত নির্যাতন শুরু হয়। লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে চক্রের সাথে রুদ্র নাট্যদল কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পৃক্ত জাহিদুল ইসলাম যাদু, তপন কুমার দাস এবং শামসুল হাদীগণ সহযোগিতা করে আসছেন। শারমিন সুলতানা যাতে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে না পারেন, সেজন্য তার মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করা হচ্ছে এবং মেইল ফেসবুক আইডি হ্যাক করে পরিচিত মহলে মিথ্যা অপবাদ রটানো হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জাকির হোসেনসহ কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে তার স্বামীকে নিয়ন্ত্রণে রাখছেন। এমনকি অফিস ভবনের গোপন রেস্টরুমে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে অফিসের কিছু নারী সহকর্মীও জড়িত রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে তার সন্তানদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং ২০২১ সাল থেকে তাদের ওপর নিরব অত্যাচার ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অসহায় গৃহবধূ শারমিন সুলতানা তার স্বামীকে এই দুর্নীতিবাজ, নেশা নারী চক্রের গ্রাস থেকে মুক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এবং নিজের সন্তানদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি জরুরি ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে স্বামী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : 05:14:50 pm, Sunday, 19 July 2026

বাগেরহাট প্রতিনিধি। 

বাগেরহাটে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য একটি চক্রের যোগসাজশে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি, নির্যাতন এবং জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শারমিন সুলতানা নামে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবী গৃহবধূ।

রবিবার (১৯ জুলাই ) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ করেন। শারমিন সুলতানা বাগেরহাট শহরের সরুই আমলাপাড়া এলাকার মৃত শেখ রস্তম আলীর মেয়ে এবং জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী রেকর্ড কিপার এম.এম. মাহফুজুর রহমান মুন্নার স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শারমিন সুলতানা জানান, ২০০৫ সালে রেজিস্ট্রি কাবিননামা মূলে এম.এম. মাহফুজুর রহমান মুন্নার সাথে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ১৫ বছরের কন্যা সন্তান (সিদরাতুল মুনতাহা) একটি বছরের পুত্র সন্তান (মুহতাদী রহমান) রয়েছে। তার স্বামী ২০০১ সালে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে যোগদানের পর ২০১৯ সালে মোহরার এবং বর্তমানে সহকারী রেকর্ড কিপার হিসেবে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, চাকরিতে পদোন্নতি অবাধে ঘুষের টাকা হাতে আসার পর তার স্বামীর নৈতিক চরিত্রের চরম অধঃপতন ঘটে। তিনি পরনারী নেশাজাতীয় দ্রব্যাদিতে আসক্ত হয়ে পড়েন। অফিসের ঘুষ বাণিজ্যের প্রভাবে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যদের সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শারমিন সুলতানার ওপর পারিবারিক মানসিকভাবে প্রতিনিয়ত নির্যাতন শুরু হয়। লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে চক্রের সাথে রুদ্র নাট্যদল কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পৃক্ত জাহিদুল ইসলাম যাদু, তপন কুমার দাস এবং শামসুল হাদীগণ সহযোগিতা করে আসছেন। শারমিন সুলতানা যাতে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে না পারেন, সেজন্য তার মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করা হচ্ছে এবং মেইল ফেসবুক আইডি হ্যাক করে পরিচিত মহলে মিথ্যা অপবাদ রটানো হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জাকির হোসেনসহ কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে তার স্বামীকে নিয়ন্ত্রণে রাখছেন। এমনকি অফিস ভবনের গোপন রেস্টরুমে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে অফিসের কিছু নারী সহকর্মীও জড়িত রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে তার সন্তানদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং ২০২১ সাল থেকে তাদের ওপর নিরব অত্যাচার ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অসহায় গৃহবধূ শারমিন সুলতানা তার স্বামীকে এই দুর্নীতিবাজ, নেশা নারী চক্রের গ্রাস থেকে মুক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এবং নিজের সন্তানদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি জরুরি ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।