Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার বাগেরহাট পৌরসভার সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো ঠিকাদারের হাতেই একাধিক কাজ,

নিউজ প্রকাশের পর সাড়া, ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবেন শিক্ষামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 01:12:13 pm, Thursday, 23 July 2026
  • 59 বার

বাগেরহাট  প্রতিনিধি,

বিকেলে বাবার দাফন সম্পন্ন করে রাতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন এবং পরদিন সকালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাগেরহাটের সংগ্রামী শিক্ষার্থী ইকনের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী . এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ফারহান ইশতিয়াক ফোনে ইকনের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই ইকনের সঙ্গে কথা বলবেন। একই সঙ্গে ইকনের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন বিবেচনায় দ্রুত আর্থিক সহায়তা পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী। এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ইকনের উচ্চশিক্ষাসহ ভবিষ্যৎ লেখাপড়ার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রীর পিএস ফারহান ইশতিয়াক বলেন, ইকনের খবরটি আমাদের নজরে এসেছে। মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছেন। আপাতত তার জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরীক্ষা শেষে যেন অর্থের অভাবে তার পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

সংবাদটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইকনের সংগ্রামের গল্প ব্যাপক আলোড়ন তোলে। দেশবিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ তার খোঁজখবর নেন এবং সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষামন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ ইকন তার পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে। ঘটনার দিন সকালে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুপুরে তিনি মারা যান। মাত্র ৪৬ বছর বয়সে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে পরিবারটি।

জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে মোটরসাইকেল চালিয়ে সংসার চালাতেন ইসরাফিল দাড়িয়া। ইকনের দাদার বাড়ি গোপালগঞ্জে হলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাগেরহাটে গাড়িচালকের চাকরির সুবাদে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটে বসবাস করছে। চাকরি থেকে অবসরের পর দাদা গোপালগঞ্জে ফিরে গেলেও ইসরাফিল বাগেরহাটেই থেকে যান। বর্তমানে মা, মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভাই এবং নিজেকে নিয়ে মাত্র চার হাজার টাকা ভাড়ার একটি বাসায় বসবাস করছে ইকনের পরিবার।

ইকনের বড় মামা মানিক মোল্লা বলেন,আমাদের পরিবারের জন্য এটি খুবই কঠিন সময়। ইকনের বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের সব দায়িত্ব যেন হঠাৎ করেই ওর কাঁধে এসে পড়েছে। কিন্তু এত প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়াশোনা ছাড়েনি। শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন, এতে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে যারা ইকনের খবরটি প্রকাশ করেছেন এবং সংবাদটি দেখে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, সবার সহযোগিতায় ইকন তার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে এবং একদিন বাবার স্বপ্ন পূরণ করবে। ইকনের জীবনসংগ্রাম আরও কঠিন ছিল। তার এক ভাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বর্তমানে মানসিক ভারসাম্যহীন। অসুস্থ ছেলেকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করেন তার মা। ফলে সংসারের পুরো দায়িত্ব একাই বহন করতেন বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া। বাবার কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পড়াশোনার পাশাপাশি মাত্র আট হাজার টাকা বেতনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথে রাতের চাকরি নেন ইকন।

ইকন জানান, অর্থাভাবে তিনি বছর প্রয়োজনীয় বইও কিনতে পারেননি। নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি কোরিয়ান চীনা ভাষাও শিখেছেন, যাতে ভবিষ্যতে ভালো কোনো কর্মসংস্থানের সুযোগ পান।আমার ভাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে ভারসাম্যহীন হয়ে গেছে। মা তাকে দেখাশোনা করেন। সংসারে বাবাই একমাত্র উপার্জন করতেন। বাবার ওপর চাপ কমানোর জন্যই আমি আট হাজার টাকা বেতনে এটিএম বুথে চাকরি নিয়েছিলাম। অর্থের অভাবে বছর নিজের বইও কিনতে পারিনি। আমি কোরিয়ান চীনা ভাষাও শিখেছি, কারণ গরিবের ছেলে হিসেবে আমাকে নিজের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি কখনো বাবাকে আমার পড়াশোনার খরচ নিয়ে চাপ দিতে চাইনি। বাবা আমাদের সুখের জন্য সারাজীবন কষ্ট করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বাবা চলে গেলেন। বাবাকে হারানোর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। যার বাবা নেই, সেই শুধু বাবা হারানোর বেদনা বুঝতে পারে। বাবা আমাদের জীবনের বটগাছ। তিনি আরও বলেন, আমি কখনো ভাবিনি আমার জীবনের গল্প এভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। শিক্ষামন্ত্রী স্যার আমার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার কথা শুনে নতুন করে সাহস পেয়েছি। যারা আমার সংগ্রামের গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন এবং যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি সবার দোয়া চাই, যেন লেখাপড়া শেষ করে একজন ভালো মানুষ হতে পারি এবং পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয়

নিউজ প্রকাশের পর সাড়া, ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : 01:12:13 pm, Thursday, 23 July 2026

বাগেরহাট  প্রতিনিধি,

বিকেলে বাবার দাফন সম্পন্ন করে রাতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন এবং পরদিন সকালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাগেরহাটের সংগ্রামী শিক্ষার্থী ইকনের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী . এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ফারহান ইশতিয়াক ফোনে ইকনের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই ইকনের সঙ্গে কথা বলবেন। একই সঙ্গে ইকনের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন বিবেচনায় দ্রুত আর্থিক সহায়তা পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী। এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ইকনের উচ্চশিক্ষাসহ ভবিষ্যৎ লেখাপড়ার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রীর পিএস ফারহান ইশতিয়াক বলেন, ইকনের খবরটি আমাদের নজরে এসেছে। মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছেন। আপাতত তার জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরীক্ষা শেষে যেন অর্থের অভাবে তার পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

সংবাদটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইকনের সংগ্রামের গল্প ব্যাপক আলোড়ন তোলে। দেশবিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ তার খোঁজখবর নেন এবং সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষামন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ ইকন তার পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে। ঘটনার দিন সকালে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুপুরে তিনি মারা যান। মাত্র ৪৬ বছর বয়সে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে পরিবারটি।

জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে মোটরসাইকেল চালিয়ে সংসার চালাতেন ইসরাফিল দাড়িয়া। ইকনের দাদার বাড়ি গোপালগঞ্জে হলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাগেরহাটে গাড়িচালকের চাকরির সুবাদে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটে বসবাস করছে। চাকরি থেকে অবসরের পর দাদা গোপালগঞ্জে ফিরে গেলেও ইসরাফিল বাগেরহাটেই থেকে যান। বর্তমানে মা, মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভাই এবং নিজেকে নিয়ে মাত্র চার হাজার টাকা ভাড়ার একটি বাসায় বসবাস করছে ইকনের পরিবার।

ইকনের বড় মামা মানিক মোল্লা বলেন,আমাদের পরিবারের জন্য এটি খুবই কঠিন সময়। ইকনের বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের সব দায়িত্ব যেন হঠাৎ করেই ওর কাঁধে এসে পড়েছে। কিন্তু এত প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়াশোনা ছাড়েনি। শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় ইকনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন, এতে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে যারা ইকনের খবরটি প্রকাশ করেছেন এবং সংবাদটি দেখে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, সবার সহযোগিতায় ইকন তার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে এবং একদিন বাবার স্বপ্ন পূরণ করবে। ইকনের জীবনসংগ্রাম আরও কঠিন ছিল। তার এক ভাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বর্তমানে মানসিক ভারসাম্যহীন। অসুস্থ ছেলেকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করেন তার মা। ফলে সংসারের পুরো দায়িত্ব একাই বহন করতেন বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া। বাবার কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পড়াশোনার পাশাপাশি মাত্র আট হাজার টাকা বেতনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথে রাতের চাকরি নেন ইকন।

ইকন জানান, অর্থাভাবে তিনি বছর প্রয়োজনীয় বইও কিনতে পারেননি। নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি কোরিয়ান চীনা ভাষাও শিখেছেন, যাতে ভবিষ্যতে ভালো কোনো কর্মসংস্থানের সুযোগ পান।আমার ভাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে ভারসাম্যহীন হয়ে গেছে। মা তাকে দেখাশোনা করেন। সংসারে বাবাই একমাত্র উপার্জন করতেন। বাবার ওপর চাপ কমানোর জন্যই আমি আট হাজার টাকা বেতনে এটিএম বুথে চাকরি নিয়েছিলাম। অর্থের অভাবে বছর নিজের বইও কিনতে পারিনি। আমি কোরিয়ান চীনা ভাষাও শিখেছি, কারণ গরিবের ছেলে হিসেবে আমাকে নিজের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি কখনো বাবাকে আমার পড়াশোনার খরচ নিয়ে চাপ দিতে চাইনি। বাবা আমাদের সুখের জন্য সারাজীবন কষ্ট করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বাবা চলে গেলেন। বাবাকে হারানোর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। যার বাবা নেই, সেই শুধু বাবা হারানোর বেদনা বুঝতে পারে। বাবা আমাদের জীবনের বটগাছ। তিনি আরও বলেন, আমি কখনো ভাবিনি আমার জীবনের গল্প এভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। শিক্ষামন্ত্রী স্যার আমার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার কথা শুনে নতুন করে সাহস পেয়েছি। যারা আমার সংগ্রামের গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন এবং যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি সবার দোয়া চাই, যেন লেখাপড়া শেষ করে একজন ভালো মানুষ হতে পারি এবং পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারি।