স্টাফ রিপোর্টার, মোংলা
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মোংলা পৌর যুবলীগ নেত্রীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় উদ্ধার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছে আরো ৩ জন। যুবলীগ নেত্রী শামিমা ইয়াসমিন জুই খুলনা মেডিকেলে আর বাকীরা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ঘটনার ২৪ ঘন্টা পরও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।যুবলীগ নেত্রী সামিমা ইয়াসমিন এর স্বামী আবদুল গফুরজানান,মোংলা পৌর শহরের এম রহমান সড়কে আমার মালিকানা বাড়ীতে এক আত্বীয় নিলুফার আক্তার ও তার ৪ বছরের পুত্র সন্তান আলিফ শেখ এবং গৃহ কর্মি বাতাসি বেগমসহ অবস্থান করছিলেন। শনিবার(০৬ মে) দুপুর দেড় ঘটিকার সময় একাধিক মামলার আসামী উপজেলার বাশতলা এলাকার বাসিন্ধা মুকুল শিকারী ও শাহনাজের নেতৃত্বে ১৩/১৪ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রী শামিমা ইয়াসমিন জুই কে দা কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় ঘরে থাকা আত্বীয় নিলুফার ও গৃহ কর্মি উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। নিলুফারের ৪ বছরের শিশু সন্তান আলিফ শেখের মুখে গরম পানি দিয়ে পুড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। তিনি জানান, মুঠোফোনো সন্ত্রাসী হামলার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তিনি( আবদুল গফুর) থানা পুলিশ কে সাথে নিয়ে স্ত্রী শামিমা ইয়ামিনসহ আহত সকল কে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করান। গুরুতর আহত হওয়ায় মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে পাঠান মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসক।মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র প্রধান ডাক্তার মো: শাহীন হাসপাতাল প্রধান জানান, শামিমা ইয়াসমিনের মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পাওয়ায় কারনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হয়েছে। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।আবদুল গফুর আরো অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীদের হামলায় আমার স্ত্রীসহ আহত সকল কে থানা পুলিশসহ উদ্ধার করে। কিন্তু ওই ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর ও লিখিত এজাহার ভুক্ত করেনি থানা পুলিশ। আটক করা হয়নি কোন আসামীকে।তিনি আরো জানান, সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তিনি শাহনাজ বেগম, কামরুজামান মুকুল শেখ, বেল্লাল হোসেনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অঙ্গাত ৮ জনকে আসামী করে মোংলা থানায় লিখিত এজাহার জমা দিয়েছেন।তবে রবিবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ লিখিত অভিযোগটি এজাহার ভুক্ত করেনি। তিনি আরো বলেন, হামলাকারী শাহানাজ এর সাথে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। দির্ঘ দিন সে তাদের মালিকানা বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে।এবিষয়ে মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন জানান,যুবলীগ নেত্রী কে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।তবে অভিযুক্ত শাহানাজ বেগমের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয়
Reporter Name 


















