Dhaka , Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম :
তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু কচুয়ায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, প্রথম ম্যাচেই ৫-১ গোলে জয় ঢাকার টপ ছিনতাইকারী আলামীনকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।। তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি মহিলাদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে কিশোরীদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ, চেক ও চারা বিতরণ মাছ-সবজির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা, এখন আলুর ভরসায় ধুঁকছে বাগেরহাটের প্রথম কোল্ড স্টোরেজ কাপড় পেঁচিয়ে ফুটবল খেলা, মাদ্রাসাছাত্রদের হাতে বল তুলে দিলেন এডিসি বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে IELTS ও জাপানি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার

বাগেরহাটে দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বিচার দাবি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 06:12:41 pm, Thursday, 5 September 2024
  • 67 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিচার দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি। ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাট সদর উপজেলার গোবরদিয়া গ্রামের পুঁটিমারি ব্রিজের পশ্চিম পাশে। এ ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী মোঃ জালাল হাওলাদার পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে জীবন যাপন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। ভুক্তভোগী মোঃ জালাল হাওলাদার গোবরদিয়া গ্রামের মৃত কদম আলী হাওলাদারের ছেলে। অভিযোগে জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে শত্রæতা মূলক ভাবে স্থানীয় মোঃ আসাদ শেখ, মোঃ হাসান বেপারী, শুকুর বেপারী নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী রাতের আধারে আমার গাবরদিয়া গ্রামের পুঁটিমারি ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বের মুদি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে দোকানে থাকা সকল মালামালসহ টিভি, ফ্রিজ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে আমার প্রায় ১১ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। আমি একাধিক বার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাই নি। গত ৫আগস্ট বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আবারো মোঃ আসাদ শেখ নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী আমার দোকানে আসে। তারা আমার নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার দোকান ভাংচুর করে ও দোকানে থাকা সকল মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এত আবারো আমার ৬ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকালাপে ও ক্ষয় ক্ষতি করে আমাকে বিনা কারনে নিঃর্শ্ বানিয়েছে। আমি কোথাও কোন অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাই না। তাদের ভয়ে এখন পরিবার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।অভিযোগে আরো জানান, মোঃ আসাদ শেখ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার অনেকেই কথা বলতে পারে না। তাদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অবৈধভাবে চাদা আদায় সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আমার সকল কিছু হারিয়ে এখন অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছি। তিনি সকল ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান হানান।এ বিষয়ে মোঃ আসাদ শেখ বলেন, আমি এ ঘটনার সাথে সর্ম্পৃক্ত নাই। ০৫ আগস্ট মোঃ জালাল হাওলাদার দোকানে হামলার ঘটনা শুনতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই। লুটপাটের বিষয় সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান।
এ বিষয়ে মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

khan

জনপ্রিয় সংবাদ

তন্ত্র-মন্ত্র নয়, কৌশলেই ৩০ বছর ধরে সাপ ধরছেন শামছু

বাগেরহাটে দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বিচার দাবি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ির

আপডেট টাইম : 06:12:41 pm, Thursday, 5 September 2024

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিচার দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি। ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাট সদর উপজেলার গোবরদিয়া গ্রামের পুঁটিমারি ব্রিজের পশ্চিম পাশে। এ ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী মোঃ জালাল হাওলাদার পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে জীবন যাপন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। ভুক্তভোগী মোঃ জালাল হাওলাদার গোবরদিয়া গ্রামের মৃত কদম আলী হাওলাদারের ছেলে। অভিযোগে জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে শত্রæতা মূলক ভাবে স্থানীয় মোঃ আসাদ শেখ, মোঃ হাসান বেপারী, শুকুর বেপারী নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী রাতের আধারে আমার গাবরদিয়া গ্রামের পুঁটিমারি ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বের মুদি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে দোকানে থাকা সকল মালামালসহ টিভি, ফ্রিজ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে আমার প্রায় ১১ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। আমি একাধিক বার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাই নি। গত ৫আগস্ট বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আবারো মোঃ আসাদ শেখ নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী আমার দোকানে আসে। তারা আমার নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার দোকান ভাংচুর করে ও দোকানে থাকা সকল মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এত আবারো আমার ৬ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকালাপে ও ক্ষয় ক্ষতি করে আমাকে বিনা কারনে নিঃর্শ্ বানিয়েছে। আমি কোথাও কোন অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাই না। তাদের ভয়ে এখন পরিবার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।অভিযোগে আরো জানান, মোঃ আসাদ শেখ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার অনেকেই কথা বলতে পারে না। তাদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অবৈধভাবে চাদা আদায় সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আমার সকল কিছু হারিয়ে এখন অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছি। তিনি সকল ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান হানান।এ বিষয়ে মোঃ আসাদ শেখ বলেন, আমি এ ঘটনার সাথে সর্ম্পৃক্ত নাই। ০৫ আগস্ট মোঃ জালাল হাওলাদার দোকানে হামলার ঘটনা শুনতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই। লুটপাটের বিষয় সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান।
এ বিষয়ে মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।